
(۱۸۰۱) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ إذَا قَامَ مِنَ اللَّیْلِ یَشُوصُ فَاہُ بِالسِّوَاکِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1801) হজরত হুযিফা ইবনে ইয়ামান বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাহাজ্জুদের জন্য উঠতেন তখন দাঁত মাজতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہَمَّامٌ ، قَالَ : حَدَّثَنِی عَلِیُّ بْنُ زَیْدِ بْنِ جُدْعَانَ ، قَالَ حَدَّثَتْنِی أُمُّ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ لاَ یَرْقُدُ لَیْلاً ، وَلاَ نَہَارًا فَیَسْتَیْقِظُ إِلاَّ تَسَوَّکَ قَبْلَ أَنْ یَتَوَضَّأَ۔ (ابن سعد ۴۸۳۔ احمد ۶/۱۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1802 ) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , যখনই মহানবী ( সা . ) রাতে ঘুম থেকে জেগে উঠলে ওযুর আগে দাঁত ব্রাশ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۳) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إبْرَاہِیمُ بْنُ إسْمَاعِیلَ بْنِ أَبِی حَبِیبَۃَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی دَاوُد بْنُ الْحُصَیْنِ ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : السِّوَاکُ مَطْہَرَۃٌ لِلْفَمِ ، مَرْضَاۃٌ لِلرَّبِّ۔ (احمد ۶/۱۴۶۔ دارمی ۶۸۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(1803) হজরত আয়েশা ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , মিসওয়াক মুখ পরিষ্কার করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উৎস ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ التَّمِیمِیِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَقَدْ کُنَّا نُؤْمَرُ بِالسِّوَاکِ حَتَّی ظَنَنَّا ، أَنَّہُ سَیَنْزِلُ فِیہِ۔ (طیالسی ۲۷۳۹)
থেকে বর্ণিতঃ
(1804) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , আমাদেরকে মিসওয়াকের আদেশ এমন ক্রম ও বিন্যাসে দেওয়া হয়েছিল যে , আমরা ভেবেছিলাম মিসওয়াকের ব্যাপারে কোনো আদেশ নাজিল হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ أُسَامَۃَ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ صَالِحِ بْنِ کَیْسَانَ ؛ أَنَّ عُبَادَۃَ بْنَ الصَّامِتِ وَأَصْحَابَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانُوا یَرُوحُونَ وَالسِّوَاکُ عَلَی آذَانِہِمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1805) হজরত সালেহ ইবনে কিসান বলেন যে , হজরত উবাদা ইবনে সামিত এবং নবী ( সা . ) - এর সাহাবীদের কান সব সময় দাগ লাগানো থাকত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۶) حَدَّثَنَا مُعَاوِیَۃُ بْنُ ہِشَامٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُلَیْمَانُ بْنُ قَرْمٍ ، عَنْ أَبِی حَبِیبٍ ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَہْلِ الْحِجَازِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ الزُّبَیْرِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لأَمَرْتُہُمْ بِالسِّوَاکِ عِنْدَ کُلِّ صَلاَۃٍ۔ (طبرانی فی الکبیر ۳۲۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(1806) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , আমি যদি আমার উম্মতের উপর কষ্টের আশঙ্কা না করতাম, তাহলে আমি প্রত্যেক সালাত আদায় করতাম তাদের উপর একটি টুথব্রাশ ব্যবহার করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۷) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا مِسْعَرٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : السِّوَاکُ مَطْہَرَۃٌ لِلْفَمِ جَلاَئٌ لِلْعَینِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1807) হযরত শাবী বলেন , মিসওয়াক মুখ পরিষ্কার করে এবং চোখকে তীক্ষ্ণ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۸) حَدَّثَنَا عَبِیدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی، عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، رَفَعَہُ ، قَالَ : لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لَفَرَضْتُ عَلَی أُمَّتِی السِّوَاکَ کَمَا فَرَضْتُ عَلَیْہِمُ الطَّہُورَ۔ (احمد ۵/۴۱۰۔ البزار ۱۳۰۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1808) হে সাহাবায়ে কেরাম বর্ণনা করেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , আমি যদি আমার উম্মতের উপর কষ্ট না করতাম , তাহলে আমিও প্রত্যেক সালাতের জন্য মিসওয়াককে ওয়াজিব ঘোষণা করতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ وَاصِلٍ ، عَنْ أَبِی سُورَۃَ ابْنِ أَخِی أَبِی أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی أَیُّوبَ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَسْتَاکُ فِی اللَّیْلَۃِ مِرَارًا۔ (احمد ۵/۴۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(1809) হজরত আবু আইয়ুব ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) রাতে কয়েকবার দাঁত ব্রাশ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۰) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَیْدَۃَ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا قَامَ أَحَدُکُمْ مِنَ اللَّیْلِ فَلْیَسْتَکْ ، فَإِنَّ الرَّجُلَ إذَا قَامَ مِنَ اللَّیْلِ فَتَسَوَّکَ ، ثُمَّ تَوَضَّأَ ثُمَّ قَامَ إلَی الصَّلاَۃِ ، جَائَہُ الْمَلَکُ حَتَّی یَقُومَ خَلْفَہُ یَسْتَمِعُ الْقُرْآنَ ، فَلاَ یَزَالُ یَدْنُو مِنْہُ حَتَّی یَضَعَ فَاہُ عَلَی فِیہِ ، فَلاَ یَقْرَأُ آیَۃً إِلاَّ دَخَلَتْ جَوْفَہُ۔ (بزار ۶۰۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(1810) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , তোমাদের কেউ যখন রাতে উঠবে, তখন সে যেন দাঁত মাজবে । কেননা যখন কোনো ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে ওঠে, দাঁত ব্রাশ করে, অজু করে, তারপর নামাযের জন্য দাঁড়ায় , তখন একজন ফেরেশতা তার পিছনে দাঁড়িয়ে তার কুরআন শোনেন । তারপর সে ধীরে ধীরে তার এত কাছে যায় যে সে তার মুখ তার পাশে রাখে । তাই যখনই তিনি কোনো আয়াত পাঠ করেন , সেই আয়াতটি ফেরেশতার পায়ের কাছে চলে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنِ الْحَکَمِ، قَالَ: نَزَلْتُ عَلَی مُجَاہِدٍ فَکَانَ أَشَدَّ شَیْئٍ مُوَاظَبَۃً عَلَی السِّوَاکِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৮১১ ) হজরত বলেন , আমি হজরত মুজাহিদের সঙ্গে মেহমান হিসেবে থাকলাম
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۲) حَدَّثَنَا کَثِیرُ بْنُ ہِشَامٍ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : حدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ الأَصَمِّ ، قَالَ : کَانَ سِوَاکُ مَیْمُونَۃَ ابْنَۃِ الْحَارِثِ زَوْجِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ مُنْقَعًا فِی مَائٍ ، فَإِنْ شَغَلَہَا عَنْہُ عَمَلٌ ، أَوْ صَلاَۃٌ ، وَإِلا فَأَخَذَتْہُ وَاسْتَاکَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৮১২ ) হজরত ইয়াজিদ বিন আসম বলেন , মুমিনদের মা হযরত মাই মুনা বিনতে হারিস ( রা . ) তার টুথব্রাশ পানিতে ডুবিয়ে রাখতেন । যখন সে প্রার্থনা শেষ করত বা অন্য কোন কাজে নিয়োজিত থাকত , তখন সে তার দাঁত ব্রাশ করত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : قَالَ أَبُو أَیُّوبَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَرْبَعٌ مِنْ سُنَنِ الْمُرْسَلِینَ : التَّعَطُّر ، وَالنِّکَاحُ ، وَالسِّوَاکُ ، وَالْحِنَّائُ۔ (ترمذی ۱۰۸۰۔ احمد ۵/۴۲۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1813 ) আবূ আইয়ুব আনসারী ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত আছে যে , হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , চারটি জিনিস হল সুগন্ধি লাগানো , বিয়ে করা , মাসকারা লাগানো , মেহেদি লাগানো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو الأَوْزَاعِیُّ ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ عَطِیَّۃَ ، قَالَ : الْوُضُوئُ شَطْرُ الإِیمَانِ ، وَالسِّوَاکُ شَطْرُ الْوُضُوئِ ، وَلَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لأَمَرْتُہُمْ بِالسِّوَاکِ عِنْدَ کُلِّ صَلاَۃٍ ۔ رَکْعَتَانِ یَسْتَاکُ فِیہِمَا الْعَبْدُ أَفْضَلُ مِنْ سَبْعِینَ رَکْعَۃً لاَ یَسْتَاکُ فِیہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1814) হযরত হাসান বিন আতিয়াহ ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন ) ওযু ঈমানের অঙ্গ এবং মিসওয়াক ওযুর একটি অংশ । যদি আমার উম্মতের উপর কষ্টের ভয় না থাকতো , তবে আমি তাদেরকে প্রত্যেক নামাযে দাঁত মাজতে নির্দেশ দিতাম । ব্রাশ করার পর যে দুই রাকাত পড়া হয় মিসওয়াক ব্যতীত যে রাকাতগুলো পাঠ করা হয় সেগুলোর চেয়ে সেগুলো সত্তর গুণ উত্তম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ دِینَارٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : لأَنْ أَکُونَ اسْتَقْبَلْتُ مِنْ أَمْرِی مَا اسْتَدْبَرْتُ، یَعْنِی: فِی السِّوَاکِ ، أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ وَصیفَیْنِ ، قَالَ : وَکَانَ ابْنُ عُمَرَ لاَ یَأْکُلُ الطَّعَامَ إِلاَّ اسْتَنَّ ، یَعْنِی : اسْتَاکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1815) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন, ব্রাশিংয়ে নিয়োজিত থাকা আমার কাছে দুইজন দাস-দাসীর চেয়েও প্রিয় । হজরত আবদুল্লাহ ইবনে দীনার বলেন , হজরত ইবনে ওমর যখনই খেতেন দাঁত মাজতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، قَالَ : سَمِعْتُ مُجَاہِدًا ، قَالَ : اسْتَبْطَأَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جِبْرِیلَ ، فَقَالَ : وَکَیْفَ نَأْتِیکُمْ وَأَنْتُمْ لاَ تَقُصُّونَ أَظْفَارَکُمْ ، وَلاَ تُنَقُّونَ بَرَاجِمَکُمْ ، وَلاَ تَسْتَاکُونَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৮১৬ ) হজরত মুজাহিদ বলেন , একবার হজরত জিবরাঈল ( আ . ) এমন লোকদের কাছে এসেছিলেন যারা নখ কাটে না , আঙুল পরিষ্কার করে না এবং দাঁত মাজাও না ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا سُفْیَانُ ، عَنْ مُوسَی بْنِ أَبِی عَائِشَۃَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ سَعدٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : اسْتَاکُوا وَتَنَظَّفُوا ، وَأَوْتِرُوا فَإِنَّ اللَّہَ وِتْرٌ یُحِبُّ الْوِتْرَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1817) হজরত সুলাইমান বিন সাদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন : তোমরা দাঁত মাজ এবং পরিষ্কার পছন্দ কর । আর বিতর পড় কারণ আল্লাহ তায়ালা বিতর (বিজোড়) এবং বেজোড় পছন্দ করেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْمُنْذِرِ بْنِ ثَعْلَبَۃَ الْعَبْدِیِّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ بُرَیْدَۃَ الأَسْلَمِیِّ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا اسْتَیْقَظَ مِنْ أَہْلِہِ دَعَا جَارِیَۃً یُقَالُ لَہَا : بَرِیرَۃُ بِالسِّوَاکِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1818) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে বারিদাহ ইসলামি বলেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তার পরিবার থেকে জেগে উঠতেন, তখন তিনি তাদের চোখ বেঁধে দিতেন যাদের নাম তারা তাদের কাছ থেকে দাঁত মাজার আদেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۱۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : السِّوَاکُ جَلاَئٌ لِلْعَیْنِ طَہُورٌ لِلْفَمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1819) হযরত শাবি বলেন , মিসওয়াক চোখকে তীক্ষ্ণ করে এবং মুখকে পবিত্র করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، قَالَ: حدَّثَنَا إسْرَائِیلُ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنِ التَّمِیمِیِّ، قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنِ السِّوَاکِ؟ فَقَالَ : لَمْ یَزَلْ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَأْمُرُ بِہِ حَتَّی ظَنَنَّا أَنَّہُ سَیَنْزِلُ عَلَیْہِ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৮২০ ) হজরত তামিমি বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) - কে মিসওয়াক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , আমরা মিসওয়াকের আদেশ এত ঘন ঘন দিতাম যে , আমরা বুঝতে শুরু করি যে, কোনো আদেশ নাজিল হবে । এটা সম্পর্কে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أُسَامَۃَ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ صَالِحِ بْنِ کَیْسَانَ ، قَالَ : کَانَ الرَّجُلُ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَرُوحُ وَالسِّوَاکُ عَلَی أُذُنِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1821 ) হযরত সালেহ বিন কিসান বলেন , মিসওয়াক সকল সাহাবীর কানে লাগানো হতো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۲) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ ، عَنْ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : أَکْثَرْتُ عَلَیْکُمْ فِی السِّوَاکِ۔ (بخاری ۸۸۸۔ احمد ۳/۱۴۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(1822) হজরত আনাস ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , আমি তোমাদের সবাইকে মিসওয়াকের ব্যাপারে তাগিদ দিয়েছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ مَوْلًی لِلْحَیِّ ، قَالَ : کَانَ أَبُو عُبَیْدَۃَ یَسْتَاکُ بَعْدَ الْوِتْرِ قَبْلَ الرَّکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1823) হজরত আবু উবাই দুই নামাযের পর দুই রাকাত আগে মাসওয়াক করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ أَبِی مَعْشَرٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ إبْرَاہِیمَ عَنِ السِّوَاکِ ؟ فَقَالَ : وَمَنْ یُطِیقُ السِّوَاکَ ؟ کَانُوا یَسْتَاکُونَ بَعْدَ الْوِتْرِ قَبْلَ الرَّکْعَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1824 ) হজরত আবু মুশার বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিমকে মিসওয়াক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , মিসওয়াকের ক্ষমতা কার আছে ? সাহাবীগণ বিতরের পর এবং দুই রাকাতের পূর্বে মুখমন্ডল ধৌত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ الْمُبَارَکِ ، وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَاکُ مَرَّتَیْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ وَقَبْلَ الظُّہْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৮২৫) হযরত উরওয়া ফজরের আগে ও জোহরের আগে দুবার মাসওয়াক করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۶) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : کَانَ یَحْیَی بْنُ وَثَّابٍ یَسْتَاکُ فِی الْمَسْجِدِ ، فَإِذَا أُقِیمَتِ الصَّلاَۃُ صَلَّی ، وَلَمْ یَمَسَّ مَائً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1826) হজরত আমিশ বলেন , হযরত ইয়াহিয়া বিন ওয়াতাব মসজিদে দাঁত ব্রাশ করতেন । নামাজে দাঁড়ানোর সময় পানি স্পর্শ না করে নামাজে অংশ নিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنْ قَیْسٍ ، عَنْ جَرِیرٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَاکُ وَیَأْمُرُہُمْ أَنْ یَتَوَضَّؤُوا بِفَضْلِ سِوَاکِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1827) হজরত কায়েস বলেন , হজরত জারীর দাঁত মাজতেন এবং দাঁত মাজার অবশিষ্ট পানি দিয়ে তার আত্মীয়কে ওযু করার নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا بِالْوُضُوئِ مِنْ فَضْلِ السِّوَاکِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1828) হজরত ইব্রাহীম (আ.) দাঁত মাজার অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযু করার কোনো ক্ষতি মনে করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۲۹) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَلْمِ بْنِ أَبِی الذیَّالِ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الْمَرْأَۃِ یُصِیبُ ثَوْبَہَا مِنْ لَبَنِہَا أَتُصَلِّی ، وَلاَ تَغْسِلُ ثَوْبَہَا ؟ قَالَ : مَا بِلَبَنِہَا مِنْ نَجِسٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1829) হজরত হাসানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, কোন মহিলার জামা কাপড়ে দুধ লাগলে সে কি কাপড় না ধুয়ে সালাত আদায় করবে ? বল , তার দুধ নাপাক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۳۰) حَدَّثَنَا مَالِکُ بْنُ إسْمَاعِیلَ ، قَالَ : حدَّثَنَا جَعْفَرٌ الأَحْمَرُ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِلَبَنِ الْمَرْأَۃِ أَنْ یُصِیبَ ثَوْبَہَا ، یَعْنِی : لَبَنَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1830) হজরত ইব্রাহিম (রা.) বলেন , কোনো নারীর দুধ তার জামায় লেগে গেলে তাতে কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস