
(۱۷۷۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، عَنْ أَصْحَابِ عَلِیٍّ ، عَنْ عَلِیٍّ : {أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَائَ} قَالَ : ہُوَ الْجِمَاعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1771) হযরত আলী বলেন , এর অর্থ সহবাস।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : ہُوَ الْجِمَاعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1772) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন, এর অর্থ হল সহবাস।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : مَا دُونَ الْجِمَاعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৭৩) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , এর অর্থ স্পর্শ করা যা সহবাসের চেয়ে কম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ عَلْقَمَۃَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَبِیْدَۃَ عَنْ قولہ تعالی : {أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَائَ} فَقَالَ : بِیَدِہِ فَظَنَنْت مَا عَنَی فَلَمْ أَسْأَلْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৭৪ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি হজরত উবাইদাহ (রা.) - কে এই আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম , তখন তিনি তার হাত দিয়ে ইশারা করলেন , যা আমি বুঝতে পেরেছি এবং প্রশ্ন করিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ ہِلاَلِ بْنِ یَِسَافٍ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : مَا دُونَ الْجِمَاعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1775) হজরত আবু উবাইদা (রা) বলেন , এর অর্থ স্পর্শ করা যা সহবাসের চেয়ে কম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَبِیْدَۃَ عَنْ قولہ تعالی : {أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَائَ} فَقَالَ : بِیَدِہِ ہَکَذَا ، وَقَبَضَ کَفَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1776 ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি হজরত উবাইদা (রা.) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম , তখন তিনি হাতের ইশারা করে মুঠি বন্ধ করলেন .কি ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : الْمُلاَمَسَۃُ الْجِمَاعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1777) হজরত হাসান বলেন , এর অর্থ যৌন মিলন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۸) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ إسْمَاعِیلَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : الْمُلاَمَسَۃُ مَا دُونَ الْجِمَاعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1778) হযরত শাবি বলেন , এর অর্থ স্পর্শ করা যা সহবাসের চেয়ে কম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۷۹) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ مَیْسَرَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : اخْتَلَفْت أَنَا وَأُنَاسٌ مِنَ الْعَرَبِ فِی اللَّمْسِ ، فَقُلْتُ : أَنَا وَأُنَاسٌ مِنَ الْمَوَالِی : اللَّمْسُ مَا دُونَ الْجِمَاعِ ، وَقَالَتِ الْعَرَبُ: ہُوَ الْجِمَاعُ ، فَأَتَیْنَا ابْنَ عَبَّاسٍ ، فَقَالَ : غَلَبَتِ الْعَرَبُ ، ہُوَ الْجِمَاعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৭৯ ) হজরত সাঈদ বিন জাবির বলেন , স্পর্শ করা নিয়ে আমার ও কিছু আরবের মধ্যে মতভেদ ছিল । আমি এবং কিছু মাওয়ালী বলতাম যে এর অর্থ যৌন মিলনের চেয়ে কম যেকোন কাজ, আর আরবরা বলত এর অর্থ যৌন মিলন। আমরা সিদ্ধান্তের জন্য হজরত ইবনে আব্বাসের কাছে এসেছি, তখন তিনি বললেন যে আরবরা প্রাধান্য পেয়েছে , এর অর্থ হল জামাত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۰) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِی عُبَیْدَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : الْقُبْلَۃُ مِنَ اللَّمْسِ وَفِیہَا الْوُضُوئُ ، وَاللَّمْسُ مَا دُونَ الْجِمَاعِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৮০) হজরত আবদুল্লাহ বলেন , চুম্বন স্পর্শের একটি অংশ , এতে অযু ভেঙে যায় এবং স্পর্শ যৌন মিলনের চেয়ে কম কিছু ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : اللَّمْسُ وَالْمَسُّ وَالْمُبَاشَرَۃُ إلَی الْجِمَاعِ ، وَلَکِنَّ اللَّہَ یَکْنِیْ مَا شَائَ لِمَا شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৮১ ) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , স্পর্শ শব্দটি , স্পর্শ শব্দ এবং মিলন শব্দের অর্থ যৌন মিলন , তাই আল্লাহ যা চান তাই করুন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ؛ فِی قَطْرَۃِ خَمْرٍ وَقَعَتْ فِی مَائٍ ؟ فَکَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৮২ ) হজরত তাউসকে মদের ফোঁটা পানিতে পড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি একে জঘন্য মনে করেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الْحُبِّ ) تَقْطُرُ فِیہِ الْقَطْرُ مِنَ الْخَمْرِ ، أَوِ الدَّمِ؟ قَالَ : یُہْرَاقُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1783) হজরত হাসানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে , পাত্রে এক ফোঁটা মদ বা রক্ত পড়লে তার হুকুম কী ? এই সব জল ফেলে দেওয়া হোক .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَبْیدِ اللہِ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ مُجَاہِدًا یَتَوَضَّأُ فَنَضَحَ فَرْجَہُ ، وَذُکِرَ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَعَلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৮৪) হজরত উবায়দুল্লাহ ইবনে আবি যিয়াদ বলেন , আমি হজরত মুজাহিদ ( রা . ) - কে দেখেছি যে, তিনি অজু করার সময় তার গোপনাঙ্গে পানি ছিটিয়ে দিতেন এবং তিনি বলেন যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) তা করেছেন । একই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۵) حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَۃَ ، عَنْ یَزِیدَ مَوْلَی سَلَمَۃَ ؛ أَنَّ سَلَمَۃَ کَانَ یَنْضَحُ بَیْنَ جِلْدِہِ وَثِیَابِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৮৫) হযরত সালমা (রাঃ) এই পানি নিজের চামড়া ও কাপড়ে ছিটিয়ে দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۶) حَدَّثَنَا عَلِیُّ بْنُ مُسْہِرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عُمَرَ إذَا تَوَضَّأَ نَضَحَ فَرْجَہُ ، قَالَ عُبَیْدُ اللہِ : وَکَانَ أَبِی یَفْعَلُ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৮৬) হজরত ইবনে উমর ( রা .) যখন ওযু করতেন , তখন তিনি তার গোপনাঙ্গে পানি ছিটিয়ে দিতেন এবং বলতেন , আমার পিতা এ কাজ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۷) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنِ مِقْسَم ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إنَّ الشَّیْطَانَ یَأْتِی أَحَدَکُمْ وَہُوَ فِی الصَّلاَۃِ فَیَبلَّ إحْلِیلِہِ حَتَّی یُرِیَہُ أَنَہُ قَدْ أَحْدَثَ، فَمَنْ رَابَہُ ذَلِکَ فَلْیَنْتَضِحْ بِالْمَائِ، فَمَنْ رَابَہُ مِنْ ذَلِکَ شَیْء فَلْیَقُلْ: ہُوَ عَمَلُ الْمَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৮৭ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা ) বলেন , শয়তান তোমাদের একজনের নামাযে আসে এবং তার যৌনাঙ্গ ভেঙ্গে অজু করে দেখায় যার সন্দেহ আছে সে যেন পানি ছিটিয়ে দেয় এবং যার বেশি সন্দেহ থাকে সে যেন বলে পানির কারণে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، عَنْ مَوْلًی لابْنِ أَزْہَرَ ، قَالَ : شَکَوْت إلَی ابْنِ عُمَرَ الْبَوْلَ ، فَقَالَ : إذَا تَوَضَّأْت فَانْضَحْ وَالْہَ عَنْہُ ، فَإِنَّہُ مِنَ الشَّیْطَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1788 ) ইবনে আযহারের একজন গুরু বলেন যে, আমি হজরত ইবনে উমর (রা.) -এর কাছে প্রস্রাব করার অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি বলেন , অজু করার সময় পানি ছিটিয়ে দাও । এবং এতে উদাসীন হও, কি ভিনকা। এটা শয়তানের কাছ থেকে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۸۹) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی ذِئْبٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَخِی ، قَالَ : سَأَلْتُ الْقَاسِمَ عَنِ الْبِلَّۃِ أَجِدُہَا فِی الصَّلاَۃِ ؟ فَقَالَ : یَا ابْنَ أَخِی ، انْضَحْہُ وَالْہَ عَنْہُ ، فَإِنَّمَا ہُوَ مِنَ الشَّیْطَانِ ، قَالَ : فَفَعَلْتُ فَذَہَبَ عَنِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৮৯ ) হজরত ইবনে আবি যায়ব বলেন , আমার ভাই আমাকে বলেছেন যে , আমি হজরত কাসিমকে নামাযের সময় অনুভূতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম । তখন তিনি বললেন , হে আমার প্রিয় ! তুমি তার উপর পানি ছিটিয়ে দাও এবং তা থেকে গাফেল হয়ে যাও এটা শয়তানের কাছ থেকে তিনি বললেন , যেহেতু আমি এটা করেছি , আমার ভ্রম দূর হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۰) حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ حَیَّانَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، قَالَ : جَائَ رَجُلٌ إلَی مَیْمُونِ بْنِ مِہْرَانَ فَشَکَی إلَیْہِ بِلَّۃً یَجِدُہَا ، فَقَالَ لَہُ مَیْمُونٌ : إذَا أَنْتَ تَوَضَّأْت فَانْضَحْ فَرْجَک ، وَمَا یَلِیہِ مِنْ ثَوْبِکَ بِالْمَائِ ، فَإِنْ وَجَدْت مِنْ ذَلِکَ شَیْئًا فَقُلْ : ہُوَ مِنْ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৯০ ) হজরত জাফর বলেন , এক ব্যক্তি মেমন বিন মেহরানের কাছে এসে তাকে অনুভূত পানি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল । হযরত মায়মুন তাকে বললেন , তুমি যখন ওযু করবে, তখন তোমার গোপনাঙ্গে পানি ছিটিয়ে দেবে এবং তার সংলগ্ন কাপড় ভিজাবে । এখন যদি পিপাসা লাগে তাহলে ভাবুন এই পানির কারণেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ إذَا تَوَضَّأَ فَفَرَغَ ، قَالَ : بِکَفٍّ مِنْ مَائٍ فِی إزَارِہِ ہَکَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1791) হজরত ইবনে আউন বলেন যে, ওযু শেষ করে হজরত মুহাম্মদ ( সা .) তার কপালে হাতের তালু থেকে পানি ছিটিয়ে দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا زَکَرِیَّا بْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، قَالَ : قَالَ مَنْصُورٌ : حَدَّثَنِی مُجَاہِدٌ ، عَنِ الْحَکَمِ بْنِ سُفْیَانَ الثَّقَفِیِّ ؛ أَنَّہُ رَأَی النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ ثُمَّ أَخَذَ کَفًّا مِنْ مَائٍ فَنَضَحَ بِہِ فَرْجَہُ۔ (ابوداؤد ۱۶۸۔ احمد ۴۰۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৯২ ) হজরত হুকম ইবনে সূফী বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে দেখেছি যে , তিনি ওযু করার পর পানি নিয়ে গোপনাঙ্গে ছিটিয়ে দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۳) حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : حدَّثَنَا ابْنُ لَہِیعَۃَ ، عَنْ عُقَیْلٍ ، عَنِ ابْنِ شِہَابٍ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ أُسَامَۃَ بْنِ زَیْدِ بْنِ حَارِثَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ ثُمَّ أَخَذَ کَفًّا مِنْ مَائٍ فَنَضَحَ بِہِ فَرْجَہُ۔ (احمد ۱۶۱۔ ابن ماجہ ۴۹۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(1793) হজরত যায়েদ ইবনে হারিথা বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ওযু করার পর নিজের হাতের তালু থেকে তার গোপনাঙ্গে পানি ছিটিয়ে দিতেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ بْنِ الْیَمَانِ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا قَامَ فَتَہَجَّدَ یَشُوصُ فَاہُ بِالسِّوَاکِ۔ (بخاری ۱۱۳۶۔ مسلم ۴۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1794 ) হজরত হুযিফা ইবনে ইয়ামান বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাজ্জুদের জন্য উঠলে দাঁত ব্রাশ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، مِثْلَہُ ، إِلاَّ أَنَّہُ لَمْ یَقُلْ بِالسِّوَاکِ۔ (مسلم ۲۲۰)
( 1795 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۶) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ شُرَیْحٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَائِشَۃَ قُلْتُ : أَخْبِرِینِی بِأَیِّ شَیْئٍ کَانَ یَبْدَأُ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا دَخَلَ عَلَیْکِ ؟ قَالَتْ : کَانَ یَبْدَأُ بِالسِّوَاکِ۔ (مسلم ۲۲۰۔ ابوداؤد ۵۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৯৬) হজরত শরীফ বলেন , আমি হজরত আয়েশা ( রা . ) -কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আপনার কাছে তিশরীফ আনতেন , তখন তিনি প্রথম কাজটি করেছিলেন ? প্রথমে ব্রাশ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۷) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاہِیمَ ، عَن أَبِی سَلَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُہَنِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لأَمَرْتُہُمْ بِالسِّوَاکِ عِنْدَ کُلِّ صَلاَۃٍ ، قَالَ : فَکَانَ زَیْدُ بْنُ خَالِدٍ سِوَاکُہُ عَلَی أُذُنِہِ مَوْضِعَ الْقَلَمِ مِنْ أُذُنِ الْکَاتِبِ ، فَلاَ یَقُومُ لِصَلاَۃٍ إِلاَّ اسْتَنَّ ، ثُمَّ رَدَّہُ فِی مَوْضِعِہِ۔ (ابوداؤد ۴۸۔ ترمذی ۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৯৭) হজরত যায়েদ বিন খালিদ ( রা .) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , আমি যদি আমার উম্মতের ওপর কষ্টের আশঙ্কা না করতাম , তাহলে প্রত্যেক সালাতের জন্য মিসওয়াকের নির্দেশ দেওয়া হতো । হযরত যায়েদ বিন খালিদ তার কানে একটি মাসওয়াক রাখতেন যেখানে একজন লেখক তার কলম রাখতেন। যখন তিনি নামাযের জন্য উঠতেন , তখন তিনি দাঁত মাজতেন এবং তারপর সেখানে রেখে দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، وَابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَی أُمَّتِی لأَمَرْتُہُمْ بِالسِّوَاکِ عِنْدَ کُلِّ وُضُوئٍ۔ (احمد ۲/۴۳۳۔ نسائی ۳۰۳۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(1798) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , আমি যদি আমার উম্মতের ওপর কষ্টের আশঙ্কা না করতাম , তাহলে তারা প্রত্যেকটি অজু করতে যেত তার দাঁত ব্রাশ .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ حَرَامِ بْنِ عُثْمَانَ ، عَنْ أَبِی عَتِیقٍ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : کَانَ یَسْتَاکُ إذَا أَخَذَ مَضْجَعَہُ ، وَإِذَا قَامَ مِنَ اللَّیْلِ ، وَإِذَا خَرَجَ إلَی الصُّبْحِ ، قَالَ : فَقُلْتُ لَہُ : قَدْ شَقَقْتَ عَلَی نَفْسِکَ بِہَذَا السِّوَاکِ ؟ فَقَالَ : إنَّ أُسَامَۃَ أَخْبَرَنِی أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَسْتَاکُ ہَذَا السِّوَاکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৯৯) হজরত আবু আতিক বলেন , আমি হজরত জাবির (রা.) - কে দেখেছি যে, তিনি ঘুমানোর আগে, ঘুম থেকে ওঠার পর এবং ফজরের সালাতে যাওয়ার সময় মুখ ঘষতেন । আমি তাদের বলেছিলাম যে আপনি নিজেকে এত কষ্টের মধ্যে দিয়েছিলেন ! তিনি বলেন , হজরত ওসামা ( রা . ) আমাকে বলেছেন যে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও একইভাবে দাঁত মাজতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۸۰۰) حَدَّثَنَا عَثَّامُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُصَلِّی رَکْعَتَیْنِ ، ثُمَّ یَسْتَاکُ۔ (احمد ۱/۲۱۸۔ نسائی ۴۰۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(1800) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , রাসূলুল্লাহ (সা. ) দুই রাকাত নামাজ পড়তেন এবং তারপর দাঁত মাজতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৮০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস