
(۱۷۱۱) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : یَتَلَوَّمُ الْجُنُبُ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ آخِرِ الْوَقْتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1711) হযরত আলী বলেন , জানবি শেষ সময় পর্যন্ত পানি পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন এবং তিম্মুম স্থগিত করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِی عَدِیٍّ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ أَنَّہُمَا قَالاَ : لاَ یَتَیَمَّمُ مَا رَجَا أَنْ یَقْدِرَ عَلَی الْمَائِ فِی الْوَقْتِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭১২ ) হজরত হাসান ও হজরত ইবনে সীরীন বলেন , নামাযের সময় পানি পাওয়ার আশা থাকলে তায়াম করা ঠিক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۳) حَدَّثَنَا عُمَرُ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا کُنْتَ فِی الْحَضَرِ وَحَضَرَتِ الصَّلاَۃُ وَلَیْسَ عِنْدَکَ مَائٌ فَانْتَظِرِ الْمَائَ ، فَإِنْ خَشِیتَ فَوْتَ الصَّلاَۃِ فَتَیَمَّمْ وَصَلِّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1713) হজরত আত্তা বলেন , আপনি যদি উপস্থিত অবস্থায় থাকেন , এবং নামাজের সময় হয়ে যায় এবং আপনার কাছে পানি না থাকে, তাহলে পানির জন্য অপেক্ষা করুন । নামাযের মৃত্যুর ভয় থাকলে নামায আদায় করো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ قَابُوسَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ: أَطْیَبُ الصَّعِیدِ: الْحَرْثُ أَو: أَرْضُ الْحَرْثِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1714) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা ) বলেন , সবচেয়ে বিশুদ্ধ মাটি হল খিতার কাদামাটি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۵) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا أَدْرَکَتِ الرَّجُلَ الصَّلاَۃُ ، وَلَمْ یَجِدِ الْمَائَ ، وَلَمْ یَصِلْ إلَی الأَرْضِ ضَرَبَ بِیَدَیْہِ عَلَی سَرْجِہِ وَعَلَی لِبَدِہِ ، ثُمَّ تَیَمَّمَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭১৫ ) হজরত হাসান বলেন , যখন কোনো মানুষের নামায পড়ার সময় হয় এবং সে পানি পায় না এবং সে মাটিতে না থাকে , তখন তাকে পশুর মতো হাত স্পর্শ করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۶) حَدَّثَنَا رَوَّادُ بْنُ جَرَّاحٍ ، أَبُو عِصَامٍ ، عَنْ صَدَقَۃَ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : یُتَیَمَّمُ بِالصَّعِیدِ وَالْجِصِّ وَالْجَبَلِ وَالرَّمْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭১৬) হযরত হামদ বলেন , এটা মাটি , চুন , পাথর ও বালি দিয়ে করা যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : کُلُّ شَیْئٍ ضَرَبْتَ عَلَیْہِ بِیَدَیْکَ فَہُوَ صَعِیدٌ حَتَّی غُبَارُ لِبَدِک۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1717) হজরত হামদ বলেন , আপনি আপনার হাত দিয়ে যা স্পর্শ করেন তা আপনার জন্য সাঈদ , এমনকি আপনার পশুর গলার ধুলোও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إِسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ قَالَ : یُتَیَمَّم بِالْکلأِ وَالْجَبَلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭১৮) হজরত আমীর বলেন , পাহাড়ের ঘাস ও পাথর কাদামাটি দিয়ে তা করা যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَوْفٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ النَّہْدی ، قَالَ : بَلَغَنِی أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ: تَمَسَّحُوا بِہَا فَإِنَّہَا بِکُمْ بَرَّۃٌ ، یَعْنِی : الأَرْضَ۔ (طبرانی ۴۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(1719) হজরত আবু উসমান নাহদী ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , তোমাদের হাত মাটিতে রাখ , এটা তোমার জন্য পবিত্রতার উৎস । এটা আহ্ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۰) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنْ زَمْعَۃَ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ عِیسَی بْنِ أَزْدَادَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا بَالَ أَحَدُکُمْ فَلْیَنْترْ ذَکَرَہُ ثَلاَثَ نَتَرَاتٍ۔ (احمد ۴/۳۴۷۔ ابن ماجہ ۳۲۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1720) হজরত ঈসা ইবনে আজদাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যখন তোমাদের কেউ প্রস্রাব করে , তখন তোমরা তিনবার ঝাড়ু দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ أَبِی الشَّعْثَائِ ، قَالَ : إذَا بُلْتَ فَامْسَحْ ذَکَرَک مِنْ أَسْفَلَ ، فَإِنَّہُ یَنْقَطِعُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1721) হযরত আবু আল-শাআ বলেন, প্রস্রাব করা শেষ হলে নিচ থেকে হাত দিয়ে যৌনাঙ্গ স্পর্শ করুন , এতে প্রস্রাবের ফোঁটা বন্ধ হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ زَمْعَۃَ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ عِیسَی بْنِ یَزْدَادَ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّہُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا بَالَ أَحَدُکُمْ فَلْیَنْترْ ذَکَرَہُ ثَلاَثًا ، قَالَ زَمْعَۃُ : فَإِنَّ ذَلِکَ یُجْزِئُ عَنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭২২) হজরত ঈসা ইবনে আজদাদ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , যখন তোমাদের কেউ প্রস্রাব করে , তখন তোমার গোপনাঙ্গ তিনবার ঝাড়ু করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَمْزَۃَ الزَّیَّاتِ ، عَنْ عَطَائِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ زَاذَانَ ، عَنْ عَلِیٍّ : فِی الْفَأْرَۃِ تَقَعُ فِی الْبِئْرِ ، قَالَ: تُنزحُ إلَی أَنْ یَغْلِبَہُمُ الْمَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭২৩) হযরত আলী বলেন , পানিতে ইঁদুর গর্জন করলে এত পানি বের করতে হবে যে পানি মানুষকে কাবু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۴) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الْفَأْرَۃِ تَقَعُ فِی الْبِئْرِ ، قَالَ : یُسْتَقَی مِنْہَا أَرْبَعُونَ دَلْوًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭২৪) হজরত হাসান বলেন , ইঁদুর পানিতে হামাগুড়ি দিলে চল্লিশ বালতি পানি বের করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الْجُرَذِ ، أَوِ السِّنَّوْرِ یَقَعُ فِی الْبِئْرِ ، قَالَ : یَدْلُوا مِنْہَا أَرْبَعِینَ دَلْوًا ، قَالَ مُغِیرَۃُ : حتَّی یَتَغَیَّرَ الْمَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭২৫) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) বলেন , পানিতে ইঁদুর বা সাপ গর্জন করলে চল্লিশ বালতি পানি বের করতে হবে । হযরত মুগী বলেন , এত পানি বের করতে হবে যে পানির রং বদলে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیث ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا وَقَعَ الْجُرَذُ فِی الْبِئْرِ نُزِحَ مِنْہَا عِشْرُونَ دَلْوًا ، فَإِنْ تَفَسَّخَ فَأَرْبَعُونَ دَلْوًا ، فَإِذَا وَقَعَتِ الشَّاۃُ نُزِحَ مِنْہَا أَرْبَعُونَ دَلْوًا ، فَإِنْ تَفَسَّخَتْ نُزِحَتْ کُلُّہَا ، أَوْ مِئَۃ دَلْوٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭২৬ ) হযরত আতা বলেন , পানি ফুলে গেলে বিশ বালতি পানি বের করে নিতে হবে ; যদি ছাগল গর্জন করে , তাহলে চল্লিশটি বালতি বের করা হয় , এবং যদি এটি ফুলে যায় তবে সমস্ত জল ফেলে দেওয়া হয় । 4. ডলগুলি বের করা উচিত .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ عَبْدِاللہِ بْنِ سَبْرَۃَ، عَنِ الشَّعْبِیِّ؛ أَنَّہُ قَالَ: یُدْلَی مِنْہَا سَبْعُونَ دَلْوًا، یَعْنِی: فِی الدَّجَاجَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1727) হযরত শাবি বলেন , একটি মুরগি যদি একটি কূপে কাক দেয় , তাহলে সত্তর বালতি পানি বের করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۸) حَدَّثَنَا یَعْلَی بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الْبِئْرِ تَقَعُ فَتَمُوتُ فِیہَا الدَّجَاجَۃُ وَأَشْبَاہُہَا ، قَالَ : اسْتَقِ مِنْہَا دَلْوًا وَتَوَضَّأْ مِنْہَا ، فَإِنْ ہِیَ تَفَسَّخَتِ اسْتَقِ مِنْہَا أَرْبَعِینَ دَلْوًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1728) হযরত আতা বলেন , আমি যদি কূপ খনন করি তবে আমি মুরগি । এ জাতীয় কিছু পড়ে মারা গেলে তা থেকে এক বালতি পানি নিয়ে অযু করবে এবং যদি ফুলে যায় তাহলে তা থেকে চল্লিশ বালতি পানি নিবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۲۹) حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِیُّ ، عَنِ الشَّیْبَانِیِّ ، عَنْ حَمَّادٍ ؛ فِی الْبِئْرِ یَقَعُ فِیہَا الدَّجَاجَۃُ وَالْکَلْبُ وَالسِّنَّوْرُ فَیَمُوتُ ، قَالَ : یَنْزِحُ مِنْہَا ثَلاَثِینَ ، أَوْ أَرْبَعِینَ دَلْوًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭২৯ ) হজরত হামদ বলেন , একটি মুরগি , একটি কুকুর বা একটি পাখি কুয়ায় পড়ে মারা গেলে তা থেকে তেত্রিশ থেকে চল্লিশ বালতি পানি বের হয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۰) حَدَّثَنَا عُبَیْدُاللہِ بْنُ مُوسَی، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، عَنِ الزُّہْرِیِّ؛ فِی الدَّابَّۃِ تَقَعُ فِی الْبِئْرِ، قَالَ: إِنْ لَمْ یَتَغَیَّرْ طَعْمُ الْمَائِ وَلاَ رِیحُہُ ، فَلاَ أَرَی بِالْمَائِ بَأْسًا ، فَإِنْ تَغَیَّرَ طَعْمُ الْمَائِ وَرِیحُہُ نَزَحُوا مِنْہَا حَتَّی یَطِیبَ الْمَائُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৩০ ) হজরত জাহরি বলেন , কূপের মধ্যে কোনো প্রাণী গর্জন করলে পানির স্বাদ ও গন্ধের কোনো পরিবর্তন না হলে পানির কোনো ক্ষতি নেই এবং যদি পানির স্বাদ বা গন্ধের পরিবর্তন হয় তবে সবই জল বিশুদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত জল সরানো হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۱) حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ؛ فِی الدَّجَاجَۃِ تَقَعُ فِی الْبِئْرِ ، قَالَ : یُسْتَقَی مِنْہَا أَرْبَعُونَ دَلْوًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1731 ) হযরত সালামা বিন কাহেল বলেন , একটি মুরগি কুয়ায় ডাকলে চল্লিশটি ডিম বের করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۲) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ سَلَمَۃَ ؛ أَنَّ عَلِیًّا سُئِلَ عَنْ صَبِیٍّ بَالَ فِی الْبِئْرِ ؟ قَالَ : تُنْزَحُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৩২ ) হজরত আলী ( রা .) কে জিজ্ঞেস করা হলো , যদি কোনো শিশু কূপে প্রস্রাব করে তাহলে তার হুকুম কি ? বলুন , এর সব পানি মুছে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۳) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّ حَبَشِیًّا وَقَعَ فِی زَمْزَمَ فَمَاتَ ، قَالَ : فَأَمَرَ ابْنُ الزُّبَیْرِ أنْ یُنْزَفَ مَائُ زَمْزَمَ ، قَالَ : فَجَعَلَ الْمَائُ لاَ یَنْقَطِعُ ، قَالَ : فَنَظَرُوا فَإِذَا عَیْنٌ تَنْبُعُ مِنْ قِبَلِ الْحَجَرِ الأَسْوَدِ ، قَالَ : فَقَالَ ابْنُ الزُّبَیْرِ : حَسْبُکُمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৩৩ ) হজরত আতা বলেন , একবার এক আবিসিনিয়ান নিচে পড়ে মারা গেলেন । হজরত ইবনুল জুবায়ের (রা) নির্দেশ দিলেন , এখন বীর যমযমের সব পানি বের করে নিতে হবে । লোকজন পানি তুলতে শুরু করলেও পানি বন্ধ হয়নি । বলা হলো , কালো পাথর থেকে একটি ঝর্ণা বের হচ্ছে , যার কারণে জমজমের পানি বন্ধ হচ্ছে না । হজরত ইবনুল জুবায়ের ( রা . ) বললেন , এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۴) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّ زِنْجِیًّا وَقَعَ فِی زَمْزَمَ فَمَاتَ ، قَالَ : فَأَنْزَلَ إلَیْہِ رَجُلاً فَأَخْرَجَہُ ، ثُمَّ قَالَ : انْزِفُوا مَا فِیہَا مِنْ مَائٍ ، ثُمَّ قَالَ لِلَّذِی فِی الْبِئْرِ : ضَعْ دَلْوَک مِنْ قِبَلِ الْعَیْنِ الَّتِی تَلِی الْبَیْتَ ، أَوِ الرُّکْنَ فَإِنَّہَا مِنْ عُیُونِ الْجَنَّۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৩৪ ) হজরত কাতাদা বলেন , একবার এক আবিসিনিয়ান বিয়ার যমযমে পড়ে মারা গেল । হজরত ইবনে আব্বাস তাকে নামিয়ে আনলেন যে তাকে টেনে বের করেছিল । তারপর বললেন , এটা থেকে সব পানি বের করে নাও। অতঃপর তিনি কূপের মধ্যে থাকা ব্যক্তিকে বললেন , এই ঝর্ণা থেকে পানি নাও যা আল্লাহর ঘরের সদস্যের দিকে রয়েছে । এটি স্বর্গের ঝর্ণা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی بْنُ عَبْدَ الأَعْلَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُہَنِیِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ مَسَّ فَرْجَہُ فَلْیَتَوَضَّأْ۔ (احمد ۵/۱۹۴۔ طبرانی ۵۲۲۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(1735) হযরত যায়েদ বিন খালিদ ( রাঃ ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি তার গোপনাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন অজু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۶) حَدَّثَنَا مُعَلَّی بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ: حدَّثَنَا الْہَیْثُمُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، عَنْ عَنْبَسَۃَ بْنِ أَبِی سُفْیَانَ ، عَنْ أُمِّ حَبِیبَۃَ ، قَالَتْ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَنْ مَسَّ فَرْجَہُ فَلْیَتَوَضَّأْ۔ (ابن ماجہ ۴۸۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(1736) হজরত উম্মে হাবীবা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , যে ব্যক্তি তার গোপনাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন অজু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُرْوَۃَ بْنَ الزُّبَیْرِ یُحَدِّثُ أَبِی ، قَالَ : ذَاکَرَنِی مَرْوَانُ مَسَّ الذَّکَرِ ، فَقُلْتُ : لَیْسَ فِیہِ وُضُوئٌ ، قَالَ : فَإِنَّ بُسْرَۃَ ابْنَۃَ صَفْوَانَ تُحَدِّثُ فِیہِ ، فَبَعَثَ إلَیْہَا رَسُولاً فَذَکَرَ أَنَّہَا حَدَّثَتْ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَنْ مَسَّ ذَکَرَہُ فَلْیَتَوَضَّأْ۔ (ابوداؤد ۱۸۳۔ ترمذی ۸۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৩৭ ) হজরত উরওয়া বিন যুবায়ের বলেন , আমার পিতা আমাকে বলেছেন যে , মারওয়ান আমার কাছে মুসি যিকরের কথা উল্লেখ করেছেন , তাই আমি বললাম যে আমার কোনো অযু নেই । তারা বলেন , বসরা বিনতে সাফওয়ান তাদের এ বিষয়ে অবহিত করেছেন । অতঃপর তিনি বসরায় একজন দূত পাঠালেন , যিনি এসে তাদেরকে বললেন যে তারা এটা করছে , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি তার যৌনাঙ্গ স্পর্শ করে সে যেন অজু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ عَلْقَمَۃَ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَبِیْدَۃَ عَنْ قولہ تعالی : {أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَائَ} ؟ فَقَالَ : بِیَدِہِ ، فَظَنَنْت مَا عَنَی فَلَمْ أَسْأَلْہُ ، قَالَ : وَنُبِّئْتُ ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ کَانَ إذَا مَسَّ فَرْجَہُ تَوَضَّأَ ، قَالَ مُحَمَّدٌ : فَظَنَنْت أَنَّ قَوْلَ ابْنِ عُمَرَ وَقَوْلَ عَبِیْدَۃَ شَیْئٌ وَاحِدٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৭৩৮ ) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , আমি হজরত উবায়দা ( রা . ) - কে আল্লাহর বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম , তখন তিনি হাতের ইশারায় বললেন , তারা কী বলতে চায় , আমি বুঝতে পারলাম না তাদের প্রশ্ন করুন তিনি বলেন , আমাকে বলা হয়েছিল যে, হযরত ইবনে উমর ( রাঃ) তাঁর গোপনাঙ্গ স্পর্শ করে ওযু করতেন । হজরত মুহাম্মদ বলেন , মীরা রাহিল এটি হজরত ইবনে ওমর ও হজরত উবাইদা (রা . ) এর বক্তব্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۳۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَزِیدَ الرِّشْکِ ، قَالَ : سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ زَیْدٍ یَقُولُ : إذَا مَسَّہُ مُتَعَمِّدًا أَعَادَ الْوُضُوئَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1739) হজরত জাবির বিন যায়েদ বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গোপনাঙ্গ স্পর্শ করে, তখন তাকে আবার ওযু করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۷۴۰) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : إذَا أَمْسَکَ ذَکَرَہُ تَوَضَّأَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৭৪০) হজরত মাখুল বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে গোপনাঙ্গ স্পর্শ করে, তখন তাকে অজু করতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৭৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস