
(۱۴۴۱) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ؛ أَنَّ أَبَا صَالِحٍ انْتَشَدَ شِعْرًا فِیہِ ہِجَائٌ ، فَدَعَا بِمَائٍ فَتَمَضْمَضَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1441) হজরত আবু ইসহাক বলেন , একবার হজরত আবু সালেহ (রা.)-এর মুখ থেকে একটি কবিতা বের হলো , যাতে তিনি পানি চেয়ে তা ধুয়ে নেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۲) حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَیُّوبَ ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الزُّہْرِیَّ فِی شَیْئٍ مِنَ الْکَلاَمِ وُضُوئٌ ؛ شِعْرٌ وَ غَیْرُہُ ؟ قَالَ : لاَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৪৪২ ) হজরত জাফর ইবনে বারকান বলেন , আমি হজরত যুহরী (রা.) -কে জিজ্ঞেস করলাম , অযু ভঙ্গকারী কোনো শব্দ বা কবিতা আছে কি না , তিনি বললেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۳) حَدَّثَنَا الْفَضْلُ ، عَنْ أَبِی خَلْدَۃَ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : لَیْسَ فِی الْکَلاَمِ وَالسِّبَابِ وَالصَّخَبِ وُضُوئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1443) হযরত আবুল আলিয়া (রাঃ) বলেন , কোন কথা , কসম বা অনর্থক কথা বলে ওযু ভেঙ্গে যায় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۴) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی الْکَسْرِ إذْ جُبِرَ عَلَی طَہَارَۃٍ : یمسح بَعْدَ ذَلِکَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1444 ) ওযু অবস্থায় যে বেল্ট বাঁধা হয় সে সম্পর্কে হজরত হাসান বলেন যে , তা মুছে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۵) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ فِی الْکَسْرِ إذَا جُبِرَ : یَمسح عَلَی الْجَبَائِرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1445 ) ওযু অবস্থায় যে বেল্ট বাঁধা হয় সে সম্পর্কে হজরত আত্তা বলেন যে , তা মুছে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۶) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ التَّیْمِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُ طَاوُوسًا عَنِ الْجُرْحِ یَکُون بِوَجْہِ الرَّجُلِ ، أَوْ بِبَعْضِ جَسَدِہِ عَلَیْہِ الدَّوَائُ أَوِ الْخِرْقَۃُ ؟ قَالَ : إِنْ خَشِیَ مَسَحَ عَلَی الْخِرْقَۃِ ، وَإِنْ لَمْ یَخْشَ نَزَعَ الْخِرْقَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৪৪৬ ) হজরত তাইমি বলেন , আমি হজরত তাউসকে কোনো ব্যক্তির মুখমণ্ডল বা অন্য কোনো অঙ্গে যে ক্ষত হয় এবং তার ওষুধ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম । আপনি কি জানেন ওযুর হুকুম কি ? বলুন , যদি কোন ক্ষতির ভয় থাকে তবে তা মুছে ফেল এবং যদি ক্ষতির ভয় না থাকে তবে তা খুলুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۷) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ وَدَاوُد ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ؛ أَنَّہُ اشْتَکَی رِجْلَہُ فَعَصَبَہَا وَتَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَیْہَا وَقَالَ : إِنَّہَا مَرِیضَۃٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1447) একবার হযরত আবুল আলিয়া ( রাঃ ) পায়ে আঘাত পেলে তিনি তার উপর একটি ব্যান্ডেজ বেঁধে তাতে ওযু করলেন এবং বললেনঃ এটি একটি হিট .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۸) حَدَّثَنَا مُعَاذٌ ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُدَیْرٍ ، قَالَ : کَانَ بِی جُرْحٌ مِنَ الطَّاعُونِ ، فَسَأَلْت أَبَا مِجْلَزٍ ، فَقَالَ : امْسَحْ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1448) হজরত ইমরান বিন হুদাইর বলেন , আমি যখন প্লেগ রোগে ক্ষত পেলাম , তখন আমি আবু মাজাল (রা.) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম । মুছতে বললেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۴۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ مَاہَکَ ، عَنْ عُبَیْدِ بْنِ عُمَیْرٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَکُونُ بِہِ الْجُرْحُ ، قَالَ : یَغْتَسِلُ وَیَغْسِلُ مَا حَوْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৪৪৯) হজরত উবাইদ বিন উমাইর ( রা. ) ক্ষত সম্পর্কে বলেন , আশেপাশের এলাকা ধুয়ে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ سُوَیْد بْنِ غَفَلَۃَ ، قَالَ : یَمْسَحُ مَا حَوْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1450) হজরত সুওয়ায়েদ বিন গাফলা ক্ষত সম্পর্কে বলেন যে , আশেপাশের এলাকা ধুয়ে ফেলা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، وَالْحَسَنِ أَنَّہُمَا کَانَا یَقُولاَنِ : یَمْسَحُ عَلَی الْجَبَائِرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1451) হযরত শাবি ও হযরত হাসান বলেন , ফালাটি মুছে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، قَالَ : أَصَابَنِی مَحْمَلٌ ہَاہُنَا ، وَوَضَعَ شُعْبَۃُ إصْبَعَہُ فِی أَصْلِ حَاجِبِہِ ، فَعَصَبْتُ عَلَیْہِ عِصَابًا ، فَسَأَلْت سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ أَمْسَحُ عَلَیْہِ ؟ فَقَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৪৫২) হযরত সালমা বিন কাহেল ( রাঃ ) বলেন , আমি ( ভ্রুর নিচে ) আহত হয়েছিলাম এবং তাতে ব্যান্ডেজ বেঁধেছিলাম । আর এ বিষয়ে আমি হযরত সাঈদ বিন জুবের (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম , আমি এটাকে মুছব কি না ? হ্যাঁ বলো .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ یُوسُفَ بْنِ مَاہَکَ ، قَالَ : نَزَلَ بِنَا ضَیْفٌ فَاحْتَلَمَ وَبِہِ جُرْحٌ ، فَأَتَیْنَا عُبَیْدَ بْنَ عُمَیْرٍ فَذَکَرنَا ذَلِکَ لَہُ ، فَقَالَ : یَغْسِلُ مَا حَوْلَہُ ، وَلاَ یُمِسَّہُ الْمَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1453) হজরত আমর ইবনে মুরাহ বলেন , একবার হজরত ওয়াসিফ ইবনে মাহীক আমাদের কাছে মেহমান হিসেবে এলেন । আহত অবস্থায় তারা আহত হয়েছেন আমরা উবাইদ বিন উমায়ের ( রাঃ ) -এর কাছে এলাম এবং তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম , তখন তিনি বললেন, ক্ষতস্থানের আশেপাশের স্থান ধুয়ে ফেলতে এবং ক্ষতস্থানে পানি না লাগাতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۴) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی غَنِیَّۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، قَالَ : إذَا کَانَ فِی الْیَدِ ، أَوِ الرِّجْلِ الْجُرْحُ فَخَشِیَ عَلَیْہِ صَاحِبُہُ إِنْ أَصَابَہُ الْمَائُ ، مَسَحَ عَلَی الْخِرْقَۃِ إذَا تَوَضَّأَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1454) হযরত হুকুম দেন যে, যখন কোন ব্যক্তির হাতে বা পায়ে ক্ষত হয় এবং পানির সংস্পর্শে সে ক্ষতির জন্য চিন্তিত হয়, তখন সে যেন তার উপর ব্যান্ডেজ করে তাতে ঘষে দেয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِی الشَّعْثَائِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یَمْسَحُ عَلَیْہِ ، فَإِنَّ اللَّہَ یَعْذِرُ بِالْعُذْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1455) হযরত ইব্রাহীম ( আঃ ) বলেন বেল্টের উপর মুছে দিতে এবং আল্লাহ ক্ষমা করে দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۶) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : یَمْسَحُ الرَّجُلُ إذَا خَشِیَ عَلَی نَفْسِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1456) হজরত মুজাহিদ বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি ক্ষতির ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হয় , তখন তার উচিত বেল্টের উপর দিয়ে মুছে ফেলা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۷) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ عِمْرَانَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، أَنَّہُ قَالَ : یَمْسَحُ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1457) হজরত আবু মাজালজ বলেন, তাকে বেল্টটি মুছে দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۸) حَدَّثَنَا شَبَابَۃُ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہِشَامُ بْنُ الْغَازِ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : مَنْ کَانَ بِہِ جُرْحٌ مَعْصُوبٌ فَخَشِیَ عَلَیْہِ الْعَنَتَ ، فَلْیَمْسَحْ مَا حَوْلَہُ ، وَلاَ یَغْسِلْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1458) হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন, ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ বাঁধা ব্যক্তি যদি পানির ক্ষতির বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয় , তাহলে তার চারপাশের জায়গাটি মুছে ফেলতে হবে এবং ধোয়া থেকে বিরত থাকতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۵۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنِ ابْنِ أَبْجَرَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : یَمْسَحُ عَلَی الْعِرْقِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1459) হযরত শাবি বলেন , তিনি বেল্টটি মুছে দেবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۰) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ الْعَیْزَارِ ، عَنْ طَلْقِ بْنِ حَبِیبٍ ، قَالَ : رَأَی عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَجُلاً حَکَّ إبْطَہُ ، أَوْ مَسَّہُ ، فَقَالَ لَہُ : قمْ فَاغْسِلْ یَدَک ، أَوْ تَطَہَّرْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1460) একবার হজরত ওমর (রা.) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে তার বগলে চুলকাচ্ছে , তিনি তাকে বললেন , উঠে হাত ধুয়ে ওযু করতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : مَنْ نَقَّی أَنْفَہُ ، أَوْ مَسَّ إبْطَہُ تَوَضَّأَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1461) হজরত উমর (রা) বলেন , যে ব্যক্তি নাক পরিষ্কার করে বা বগলে চুলকায় সে যেন ওযু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۲) حَدَّثَنَا خَلفُ بْنُ خَلِیفَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : لَیْسَ فِی نَتْفِ الإِبْطِ وُضُوئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1462) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , বগলের লোম উপড়ে দিলে ওযু ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ یَمَسُّ أَنْفَہُ وَیَنْتِفُ إبْطَہُ ؟ فَلَمْ یَرَ بِہِ بَأْسًا ، إِلاَّ أَنْ یُدْمِیَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1463) হজরত হাসানকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তার বগল স্পর্শ করেছে বা তার চুল ছিঁড়েছে , তখন তিনি বললেন , এতে কোনো দোষ নেই , তবে রক্ত বের হলে অবশ্যই অযু করে ফেলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۴) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : ہَؤُلاَئِ یَقُولُونَ : مَنْ مَسَّ إبْطَہُ أَعَادَ الْوُضُوئَ ، وَأَنَا أَقُولُ ذَلِکَ ، وَلاَ أَدْرِی مَا ہَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1464) হজরত মুহাম্মদ বলেন , লোকেরা বলে যে বগল স্পর্শ করবে সে আবার ওযু করবে, আমি এটা বলি না এবং আমি এটা জানি না।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاہِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ؛ أَنَّہُ کَانَ یَغْتَسِلُ مِنْ نَتْفِ الإِبْطِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1465) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর বগলের চুল উপড়ে গোসল করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ ، وَلَیْسَ بِالأَحْمَرِ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُتْبَۃَ، وَالزُّہْرِیِّ قَالاَ : إذَا مَسَّ الرَّجُلُ إبْطَہُ أَعَادَ الْوُضُوئَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1466) হজরত আউন ইবনে আবদুল্লাহ ও হজরত জাহরি বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি তার বগল স্পর্শ করবে , তখন তাকে আবার ওযু করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ أَخْبَرَنَا الْمُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا سَالَ الدَّمُ نُقِضَ الْوُضُوئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1467) হজরত ইব্রাহিম বলেন , রক্ত প্রবাহিত হলে অযু ভেঙ্গে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۸) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی الْوُضُوئَ مِنَ الدَّمِ إِلاَّ مَا کَانَ سَائِلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1468) হজরত হাসান বিশ্বাস করতেন যে, যে রক্ত প্রবাহিত হতে চলেছে তা দিয়েই অযু ভাঙতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۶۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَعْلَی التَّیْمِیُّ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ یَخْرُجُ مِنْ یَدِہِ الدَّمُ ، وَلاَ یُجَاوِزُ الدَّمُ مَکَانَہُ ؟ قَالَ : یَتَوَضَّأُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1469) হযরত মুজাহিদকে এমন ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যার ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বের হয় এবং ক্ষতস্থান অতিক্রম করা উচিত নয় , তিনি বললেন , সে অযু করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۴۷۰) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ یَعْلَی التَّیْمِیُّ ، عَنْ مَنْصُورٍ ؛ أَنَّہُ سَأَلَ إبْرَاہِیمَ عَنْ ذَلِکَ ؟ فَقَالَ : لاَ یَتَوَضَّأُ حَتَّی یَخْرُجَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1470) হযরত ইব্রাহীম (আঃ)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , রক্ত বের না হওয়া পর্যন্ত অযু ভাঙ্গে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস