(১) ( 2130 ) আবূ উসামা থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন: ইবনু হাযিম , ইয়াসিব ইবন সা’দ থেকে, সাঈ ইবন জুব থেকে এবং মুজাহিদ আল ফি আল মার ই জি ত এর সূত্রে বর্ণিত ই বুহু আল জানাব উ ফি ই খাফ উ আল তিনি বললেন: তিনি প্রভুর বাসস্থানে আছেন [হাদিসের সীমা (১-২১৩০), সর্বমোট হাদিসঃ ২১৩০টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৭২০টি]



1411 OK

(১৪১১)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَامَ فِی الْمَسْجِدِ حَتَّی نَفَخَ ، ثُمَّ قَامَ فَصَلَّی وَلَمْ یَتَوَضَّأْ ، وَقَالَ : النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تَنَامُ عَیْنَاہُ ، وَلاَ یَنَامُ قَلْبُہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1411) হজরত ইব্রাহীম ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) মসজিদে এমনভাবে ঘুমাতেন যে , নাক ডাকার শব্দ শোনা যেতে থাকে । অতঃপর তিনি উঠে সালাত আদায় করলেন এবং অযু করলেন না । তারপর বললেন , আমার চোখ ঘুমাচ্ছে কিন্তু আমার হৃদয় ঘুমাচ্ছে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1412 OK

(১৪১২)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی عَلَی مَنْ نَامَ قَاعِدًا وُضُوئًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1412) হজরত ইবনে উমর ( রা.) বলেন , যে ব্যক্তি বসে ঘুমায় তার অযু ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1413 OK

(১৪১৩)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۳) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ شُرَحْبِیلَ بْنِ مُسْلِمٍ ، وَمُحَمَّدِ بْنِ زِیَادٍ الأَلْہَانِیِّ قَالاَ : کَانَ أَبُو أُمَامَۃَ یَنَامُ وَہُوَ جَالِسٌ حَتَّی یَمْتَلِئَ نَوْمًا ، ثُمَّ یَقُومَ فَیُصَلِّیْ وَلاَ یَتَوَضَّأُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1413) হজরত শাহরাবিল ইবনে মুসলিম ও হজরত মুহাম্মদ ইবনে যায়েদ বলেন , হজরত আবু উমামা ( রা . ) বসা অবস্থায় খুব ভালো ঘুমাতেন , তারপর দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে অজু করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1414 OK

(১৪১৪)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۴) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مَالِکُ بْنُ أَنَسٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی زَیْدُ بْنُ أَسْلَمَ ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ، قَالَ : مَنْ وَضَع جَنْبَہُ فَلْیَتَوَضَّأْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1414) হজরত ওমর (রা) বলেন , যে ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নেয় সে যেন অজু করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1415 OK

(১৪১৫)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ۔ وَابْنِ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : سَأَلْتُ عَبِیدَۃَ عَنْہُ ؟ فَقَالَ : ہُوَ أَعْلَمُ بِنَفْسِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪১৫ ) হজরত ইবনে সিরীন বলেন , আমি হজরত উবাইদাহ (রা.) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , তিনি নিজেই ভালো জানেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1416 OK

(১৪১৬)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، أَنَّہُ قَالَ : مَنْ نَامَ سَاجِدًا ، أَوْ قَائِمًا ، أَوْ جَالِسًا فَلاَ وُضُوئَ عَلَیْہِ ، فَإِنْ نَامَ مُضْطَجِعًا فَعَلَیْہِ الْوُضُوئُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1416) হযরত আতা বলেন , যে ব্যক্তি সিজদা অবস্থায় থাকে দাঁড়ালে বা শুয়ে থাকলে তার অযু ভঙ্গ হয় না এবং যে তার পাশে ঘুমায় তার অযু ভেঙ্গে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1417 OK

(১৪১৭)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ أَخْبَرَنَا مُغِیرَۃُ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، مِثْلَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1417 ) হজরত ইব্রাহিম থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1418 OK

(১৪১৮)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا بِالنَّوْمِ فِی الْقُعُودِ ، وَیَکْرَہُہُ فِی الاضْطِجَاعِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1418) হজরত ইকরামা (রা.) উঠে বসে ঘুমানোতে কোনো ক্ষতি মনে করতেন না , বরং পাশ কাটিয়ে ঘুমানোকে ভুল মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1419 OK

(১৪১৯)

সহিহ হাদিস

(۱۴۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ ابْنَ سِیرِینَ یَخْفِقُ بِرَأْسِہِ ، ثُمَّ یَقُومُ فَیُصَلِّی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1419) হজরত হিশাম বলেন , আমি হজরত ইবনে সিরীনকে মাথা নত করে ঘুমাতে দেখেছি , তারপর তিনি উঠে নামাজ আদায় করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1420 OK

(১৪২০)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، عَنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَنَامُ حَتَّی یَنْفُخَ ، ثُمَّ یَقُومَ فَیُصَلِّیَ وَلاَ یَتَوَضَّأُ۔ (ابن ماجہ ۴۷۴۔ ابن راھویہ ۱۴۹۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(1420) হজরত আয়েশা (রা. ) বলেন , রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমাতেন যতক্ষণ না নাক ডাকার আওয়াজ শোনা যেত , অতঃপর ওযু না করেই নামায পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1421 OK

(১৪২১)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : ذَاکَرَتْہُ الْحَکَمَ وَحَمَّادًا فَقَالاَ : لَیْسَ عَلَیْہِ الْوُضُوئُ حَتَّی یَضَعَ جَنْبَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1421) হযরত হাকাম ও হজরত হামদ বলেন, পাশ মাটি স্পর্শ না করা পর্যন্ত অযু ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1422 OK

(১৪২২)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۲) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی حَمْزَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا نَامَ الرَّجُلُ قَائِمًا ، أَوْ قَاعِدًا لَمْ یَجِبْ عَلَیْہِ الْوُضُوئُ ، فَإِذَا وَضَع جَنْبَہُ وَجَبَ عَلَیْہِ الْوُضُوئُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪২২ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , একপাশে শুয়ে দাঁড়িয়ে বা ঘুমালে ওযু ভাঙে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1423 OK

(১৪২৩)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ یَزِیدَ ، عَنْ مِقْسَمٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : وَجَبَ الْوُضُوئُ عَلَی کُلِّ نَائِمٍ إِلاَّ مَنْ خَفَقَ بِرَأْسِہِ خَفْقَۃً ، أَوْ خَفْقَتَیْنِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1423) হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , প্রত্যেক ঘুমন্ত ব্যক্তির ওযু ভেঙ্গে যায় , তবে যে ব্যক্তি একবার বা দুইবার মাথা নত করে তার ওযু ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1424 OK

(১৪২৪)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۴) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ یَزِیدَ ، عَنْ أَبِی نَضْرَۃَ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : زُرْت خَالَتِی مَیْمُونَۃَ فَوَافَقْت لَیْلَۃَ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَامَ مِنَ اللَّیْلِ یُصَلِّی ، ثُمَّ نَامَ فَلَقَدْ سَمِعْت صَفِیرَہُ ، قَالَ : ثُمَّ جَائَ بِلاَلٌ یُؤْذِنُہُ بِالصَّلاَۃِ فَخَرَجَ إلَی الصَّلاَۃِ وَلَمْ یَتَوَضَّأْ ، وَلَمْ یَمَسَّ مَائً۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪২৪ ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , একদা তিনি তাঁর খালা হযরত মায়মুনা উম্মুল মুমিনীনের কাছে গেলেন । সেই রাতে মহানবী ( সা . ) ও সেখানে ছিলেন । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) রাতে নামাযের জন্য উঠলেন , তারপর এমনভাবে ঘুমালেন যে আমিও বাঁশির আওয়াজ শুনতে পেলাম । অতঃপর হযরত বিলাল ( রাঃ ) এসে নামাযের কথা জানালেন , তাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের জন্য তিশরীফে গেলেন , যদিও তিনি অজু করেননি বা পানি স্পর্শ করেননি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1425 OK

(১৪২৫)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۵) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ أَبِی الأَسْوَدِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَنَامُ وَہُوَ سَاجِدٌ ، فَمَا یُعْرَفُ نَوْمُہُ إِلاَّ بِنَفْخِہِ ، ثُمَّ یَقُومُ فَیَمْضِی فِی صَلاَتِہِ۔ (احمد ۱/۴۲۶۔ ابن ماجہ ۴۷۵)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1425) আবদুল্লাহ বলেন যে , কখনও কখনও নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) সিজদা অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়তেন যাতে আমরা মনে করতাম যে আমরা শ্বাস - প্রশ্বাসের শব্দ শুনেছি যার দ্বারা আমরা আপনার স্বপ্ন সম্পর্কে জানতে পারব তারপর তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) নামায পড়তে থাকলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1426 OK

(১৪২৬)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۶) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ سَعِیدٍ ، عَنْ طَارِقٍ بَیَّاعِ النَّوَی ، قَالَ : حدَّثَتْنِی مَنِیعَۃُ ابْنَۃُ وَقَّاصٍ ، عَنْ أَبِیہَا ؛ أَنَّ أَبَا مُوسَی کَانَ یَنَامُ بَیْنَہُنَّ حَتَّی یَغُطَّ ، فَنُنَبِّہُہُ ، فَیَقُولُ : ہَلْ سَمِعْتُمُونِی أَحْدَثْتُ ؟ فَنَقُولُ : لاَ، فَیَقُومُ فَیُصَلِّی۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1426) হজরত আবু মূসা এমনভাবে মানুষের মাঝে ঘুমাতেন যাতে নাক ডাকার শব্দ শোনা যেত । ঘুম থেকে উঠলে বলতেন , তুমি কি আমার ওযু ভাঙ্গার আওয়াজ শুনেছ ? লোকেরা যদি না বলে , তবে তারা উঠে নামাজ শুরু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1427 OK

(১৪২৭)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۷) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، وَابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ الْجُرَیرِیِّ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ غَلَّاقٍ العیشیِّ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : مَنِ اسْتَحَقَّ نَوْمًا فَقَدْ وَجَبَ عَلَیْہِ الْوُضُوئُ ۔ زَادَ ابْنُ عُلَیَّۃَ : قَالَ الْجُرَیرِیُّ : فَسَأَلْنَا عَنِ اسْتِحْقَاقِ النَّوْمِ ؟ فَقَالوا: إذَا وَضَع جَنْبَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1427) হজরত আবু হারি রহঃ বলেনঃ যার ঘুমের ফজিলত আছে তার ওযু ভেঙ্গে গেছে । জ্যারি বলেছেন যে আমরা যখন ইস্তিক নুম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি , তখন আমাদের বলা হয়েছিল যে এর অর্থ হল পাশ মাটিতে রাখা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1428 OK

(১৪২৮)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ اللہِ بْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ؛ أَنَّہُ سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ یَنَامُ وَہُوَ جَالِسٌ ؟ قَالَ : إنَّمَا ہُوَ وِکَائٌ ، فَإِذَا ضَیَّعْتُہُ ۔ أَیْ : یَقُولُ : یَتَوَضَّأُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1428 ) হযরত তাউসকে বসা অবস্থায় ঘুমানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন : এটা টুপি দিয়ে ঘুমানোর মতই , এতে ওযু ভেঙ্গে যাবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1429 OK

(১৪২৯)

সহিহ হাদিস

(۱۴۲۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْوَلِیدِ الشَّنِّیِّ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : إنَّمَا ہُوَ وِکَائٌ فَإِذَا نَامَ تَوَضَّأَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১৪২৯) হজরত ইকরামা বলেন , বসে থাকা অবস্থায় টিক দিয়ে ঘুমানো , এভাবে ঘুমালে ওযু ভেঙ্গে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪২৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1430 OK

(১৪৩০)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۰) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ یَرَی عَلَی مَنْ نَامَ جَالِسًا وُضُوئً ا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪৩০) হজরত হাসানের কাছে ঘুমালে ওযু ভেঙে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1431 OK

(১৪৩১)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، وَعَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : مَنْ دَخَلَہُ النَّوْمُ فَلْیَتَوَضَّأْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪৩১ ) হযরত হাসান ( রাঃ ) বলতেন, যার ঘুমে প্রবেশ করেছে তার অযু ভেঙ্গে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1432 OK

(১৪৩২)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، وَالْحَسَنِ قَالاَ : إذَا خَالَطَ النَّوْمُ قَلْبَہُ قَائِمًا ، أَوْ جَالِسًا تَوَضَّأَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪৩২ ) হজরত হাসান ও হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়িব বলেন , যে ব্যক্তি অন্তরে ঘুমায় , সে বসে থাকুক বা দাঁড়িয়ে থাকুক , তার অযু ভেঙ্গে যাবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1433 OK

(১৪৩৩)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۳) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی مَالِکُ بْنُ أَنَسٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی زَیْدُ بْنُ أَسْلَمَ ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ، قَالَ : مَنْ وَضَع جَنْبَہُ فَلْیَتَوَضَّأْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1433) হজরত ওমর (রা) বলেন , যে ব্যক্তি মুখ ফিরিয়ে নেয় সে যেন অজু করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1434 OK

(১৪৩৪)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۴) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبَانُ الْعَطَّارُ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : إذَا اسْتَثْقَلَ نَوْمًا وَہُوَ قَاعِدٌ تَوَضَّأَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪৩৪ ) হজরত আরওয়া বলেন , বসা ও ঘুমানোর সময় ঘুম প্রবল হয়ে পড়লে ওযু ভেঙে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1435 OK

(১৪৩৫)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۵) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ التَّیْمِیِّ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَیْد ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : لأَنْ أَتَوَضَّأَ مِنْ کَلِمَۃٍ خَبِیثَۃٍ ، أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَتَوَضَّأَ مِنْ طَعَامٍ طَیِّبٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1435) হজরত আবদুল্লাহ বলেন, ভালো খাবারের পর ওযু করার চেয়ে খারাপ কথার পর ওযু করা আমার কাছে বেশি পছন্দনীয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1436 OK

(১৪৩৬)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ أَبِی النَّجُودِ ، عَنْ ذَکْوَانَ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : یَتَوَضَّأُ أَحَدُکُمْ مِنَ الطَّعَامِ الطَّیِّبِ ، وَلاَ یَتَوَضَّأُ مِنَ الْکَلِمَۃِ الْخَبِیثَۃِ ، یَقُولُہَا لِأَخِیہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪৩৬ ) হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, এটা আশ্চর্যের বিষয় যে , মানুষ ভালো খাবার খেয়ে ওযু করে কিন্তু খারাপ কথা বলে অজু করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1437 OK

(১৪৩৭)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۷) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : نُبِّئْت أَنَّ شَیْخًا مِنَ الأَنْصَارِ کَانَ یَمُرُّ بِمَجْلِسٍ لَہُمْ فَیَقُولُ : أَعِیدُوا الْوُضُوئَ ، فَإِنَّ بَعْضَ مَا تَقُولُونَ أَشَرُّ مِنَ الْحَدَثِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1437) একবার এক আনসারী বুজুর্গ কিছু লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তাদেরকে বললেন, আবার ওযু করে নাও , কারণ তোমরা যা করেছ তা হাদীসের চেয়েও নিকৃষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1438 OK

(১৪৩৮)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۸) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ مُحَمَّدٍ قُلْتُ لِعَبِیدَۃَ : مِمَّا یُعَادُ الْوُضُوئُ ؟ قَالَ : مِنَ الْحَدَثِ ، وَأَذَی الْمُسْلِمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৪৩৮) হজরত মুহাম্মদ বলেন , আমি হজরত উবাইদা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, কোন আমলের মাধ্যমে আবার ওযু করা হবে , তিনি বললেন : হাদিস ও মুসলিমের রেওয়ায়েত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1439 OK

(১৪৩৯)

সহিহ হাদিস

(۱۴۳۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، قَالَ : کُنْتُ آخذًا بِیَدِ إبْرَاہِیمَ فَذَکَرْت رَجُلاً فَاغْتَبْتُہُ ، قَالَ : فَقَالَ لِی : ارْجِعْ فَتَوَضَّأْ ، کَانُوا یَعُدُّونَ ہَذَا ہُجْرًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1439 ) হজরত হারিস বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিমের হাত ধরে ছিলাম যে আমি এই লোকটির কথা বললাম এবং তার কথা বললাম । তিনি আমাকে আবার অযু করতে বললেন , কারণ বাপ - দাদারা এটাকে খারাপ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৩৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1440 OK

(১৪৪০)

সহিহ হাদিস

(۱۴۴۰) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ مُوسَی بْنِ أَبِی الْفُرَاتِ ، قَالَ : سَأَلَ رَجُلاَنِ عَطَائً فَقَالَ : مَرَّ بِنَا رَجُلٌ فَقُلْنَا : الْمُخَنَّثُ ، قَالَ : قُلْتُمَا لَہُ قَبْلَ أَنْ تُصَلَّیَا ، أَوْ بَعْدَ مَا صَلَّیْتُمَا ؟ فَقَالاَ : قَبْلَ أَنْ نُصَلِّیَ ، فَقَالَ : تَوَضَّآ ، وَعُودَا لِصَلاَتِکُمَا ، فَإِنَّکُمَا لَمْ تَکُنْ لَکُمَا صَلاَۃٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1440) একবার দুজন ব্যক্তি হযরত আত্তা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন যে, একজন লোক আমাদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, আমরা তাকে বেশ্যা বলেছিলাম । হযরত আতা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি নামায পড়ার আগে বলেছিলে নাকি পরে বলেছিলে ? তিনি উত্তর দিলেন যে, তিনি নামাযের পূর্বে এটি বলেছেন। তিনি বললেন , তোমরা উভয়ে ওযু কর এবং দুবার সালাত আদায় কর কারণ তোমাদের সালাত আদায় হয়নি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৪৪০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস