
(۱۳۵۱) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : الرَّشُّ بِالرَّشِّ ، وَالصَّبُّ بِالصَّبِّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1351) হজরত সাঈদ বিন আল-মুসাইব বলেন , ছিটানোর পরিবর্তে ছিটানো হচ্ছে প্রবাহিত হওয়ার পরিবর্তে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : مَسْحَۃً ، أَوْ مَسْحَتَیْنِ فِی الْبَوْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৫২ ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , পিশাব দুবার পরিষ্কার করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : جَائَتْ فَاطِمَۃُ ابْنَۃُ أَبِی حُبَیْشٍ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنِّی امْرَأَۃٌ أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْہُرُ ، أَفَأَدَعُ الصَّلاَۃَ ؟ قَالَ : لاَ ، إنَّمَا ذَلِکَ عِرْقٌ وَلَیْسَ بِالْحَیْضَۃِ ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَیْضَۃُ فَدَعِی الصَّلاَۃَ ، فَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِی عَنْک الدَّمَ وَصَلِّی۔ (بخاری ۲۲۸۔ ابوداؤد ۲۸۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৫৩ ) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , ফাতিমা বিনতে আবি হাবি শানবী ( রাঃ ) আমার খেদমতে এসে জিজ্ঞাসা করলেন যে , আমি একজন মুস্তাহাজা মহিলা এবং আমি পবিত্র নই , তাহলে আমি কেন নামায ত্যাগ করব ? ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , এটা শিরার রক্ত , ঋতুস্রাব নয় । যদি তা চলে যায় তবে রক্ত ধুয়ে নামায পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ حَبِیبِ بْنِ أَبِی ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَۃَ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : جَائَتْ فَاطِمَۃُ ابْنَۃُ أَبِی حُبَیْشٍ إلَی النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنِّی امْرَأَۃٌ أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْہُرُ ، أَفَادَعُ الصَّلاَۃَ ؟ قَالَ : لاَ ، إنَّمَا ذَلِکَ عِرْقٌ وَلَیْسَ بِالْحَیْضَۃِ ، اجْتَنِبِی الصَّلاَۃَ أَیَّامَ حَیْضَتک ، ثُمَّ اغْتَسِلِی ، وَتَوَضَّئِی لِکُلِّ صَلاَۃٍ ، ثُمَّ صَلِّی ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَی الْحَصِیرِ۔ (ابوداؤد ۳۰۲۔ ابن ماجہ ۶۲۴)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৫৪ ) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বলেন , ফাতিমা বিনতে আবি হাবি শানবী ( রাঃ ) আমার খেদমতে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে , আমি যদি একজন মুস্তাহাজা মহিলা হই এবং আমি পবিত্র না হই , তাহলে আমি কেন নামায ত্যাগ করব ? ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , এটি শিরার রক্ত । এটা ঋতুস্রাব নয় । ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে নামায ছেড়ে দাও , তারপর গোসল কর এবং প্রতিবারে । নামাযের জন্য অযু কর । , অতঃপর মাদুরে রক্ত পড়লেও নামায পড়তে থাকুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۵) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، وَأَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : سَأَلَتِ امْرَأَۃٌ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : إنِّی أُسْتَحَاضُ فَلاَ أَطْہُرُ ، أَفَأَدَعُ الصَّلاَۃَ ؟ قَالَ : لاَ، وَلَکِنْ دَعِی قَدْرَ الأَیَّامِ وَاللَّیَالِی الَّتِی کُنْت تَحِیضِینَ وَقَدْرَہُنَّ ، ثُمَّ اغْتَسِلِی وَاسْتَثْفِرِی وَصَلِّی ۔ إِلاَّ أَنَّ ابْنَ نُمَیْرٍ قَالَ : أُمُّ سَلَمَۃَ اسْتَفْتَتِ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتِ : امْرَأَۃٌ تُہْرَاقُ الدَّمَ ؟ فَقَالَ : تَنْتَظِرُ قَدْرَ الأَیَّامِ وَاللَّیَالِی الَّتِی کَانَتْ تَحِیض ، أَوْ قَدْرَہُنَّ مِنَ الشَّہْرِ ، ثُمَّ ذَکَرَ مِثْلَ حَدِیثِ أَبِی أُسَامَۃَ۔ (ابوداؤد ۲۷۸۔ ابن ماجہ ۶۲۳)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1355 ) হজরত উম্মে সালামা ( রা . ) বলেন , এক মহিলা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন যে , আমি একজন মুস্তাহাহা নারী , তাহলে আমি কেন সকালের নামায ছেড়ে দেব ? এর জন্য কাপড় বেঁধে দোয়া করতে বলেননি । এ বিষয়ে ইবনে নিমিরের রেওয়ায়েত ভিন্ন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۶) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ أَبِی بِشْرٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ؛ أَنَّ أُمَّ حَبِیبَۃَ ابْنَۃَ جَحْشٍ اُسْتُحِیضَتْ ، فَسَأَلَتِ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَوْ سُئِلَ لَہَا ؟ فَأَمَرَہَا أَنْ تَنْظُرَ أَیَّامَ أَقْرَائِہَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلَ ، فَإِنْ رَأَتْ شَیْئًا بَعْدَ ذَلِکَ تَوَضَّأَتْ وَاحْتَشَتْ وَصَلَّتْ۔ (ابوداؤد ۳۰۹۔ البیہقی ۳۵۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1356) হজরত ইকরামা বলেন , হজরত উম্মে হাবীব বিনতে জাহশ যখন মুস্তাহাদা হয়ে গেলেন , তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেন , সে যেন তার ঋতুস্রাবের দিনগুলো চলে যায় এবং কিছু দেখলে সে যেন উযূ করে , কিছু কাপড় বেঁধে নামায পড়ে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۷) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ سُلَیْمَانَ بْنِ یَسَارٍ ؛ أَنَّ فَاطِمَۃَ ابْنَۃَ أَبِی حُبَیْشٍ اُسْتُحِیضَتْ، فَسَأَلَتِ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، أَوْ سُئِلَ لَہَا ؟ فَأَمَرَہَا أَنْ تَدَعَ الصَّلاَۃَ أَیَّامَ أَقْرَائِہَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلَ فِیمَا سِوَی ذَلِکَ ، ثُمَّ تَسْتَثْفِرَ بِثَوْبٍ وَتُصَلِّیَ۔ (دارقطنی ۱۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৫৭ ) হজরত সুলাইমান বিন ইয়াসার বলেন , হজরত ফাতিমা বিনতে আবি হাবিশ মুস্তাহাদাহ হয়েছেন । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন , ঋতুস্রাবের দিনগুলোতে নামায ছেড়ে দাও , তারপর গোসল কর , কিছু কাপড় বেঁধে নামায পড় । আমি
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۸) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الْعَلاَئِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَمَرَ الْمُسْتَحَاضَۃَ إذَا مَضَتْ أَیَّامُ أَقْرَائِہَا ، أَنْ تَغْتَسِلَ وَتَوَضَّأَ لِکُلِّ صَلاَۃٍ وَتُصَلِّیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1358) হজরত আবু জাফর (রা.) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) তার মাসিকের দিন শেষ হলে গোসল করার জন্য এবং প্রত্যেক সালাত আদায় করার জন্য মুস্তাহাদ করার নির্দেশ দিয়েছেন এর জন্য .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۵۹) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ؛ أَنَّ امْرَأَۃَ مَسْرُوقٍ سَأَلَتْ عَائِشَۃَ عَنِ الْمُسْتَحَاضَۃِ ؟ قَالَتْ : تَوَضَّأ لِکُلِّ صَلاَۃٍ وَتَحْتَشِی وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1359) জনৈক মহিলা হজরত আয়েশা (রা.)-কে মুস্তাহাজা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে , তিনি যেন প্রত্যেক নামাযের জন্য ওযু করেন এবং কাপড় বেঁধে নামায পড়েন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۰) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنِ الْمُجَالِدِ ، وَدَاوُد ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : أَرْسَلْتُ امْرَأَتِی إلَی امْرَأَۃِ مَسْرُوقٍ فَسَأَلَتْہَا عَنِ الْمُسْتَحَاضَۃِ ، فَذَکَرَتْ عَنْ عَائِشَۃَ أَنَّہَا قَالَتْ : تَجْلِسُ أَیَّامَ أَقْرَائِہَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتَوَضَّأ لِکُلِّ صَلاَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৬০ ) হজরত শাবি বলেন , আমি আমার স্ত্রীকে হযরত মাসরুকের স্ত্রীর কাছে মুস্তাহাদাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠালাম । হজরত মাসরুকের কেবিভি বলেন , হজরত আয়েশা বলেছেন , মাসিকের দিনগুলোতে মুস্তাযা নামায পড়া উচিত নয় , তারপর গোসল করা এবং প্রতিটি নামাজের আগে অজু করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۱) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، عَنِ الْقَعْقَاعِ بْنِ حَکِیمٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ الْمُسَیَّبِ عَنِ الْمُسْتَحَاضَۃِ ؟ فَقَالَ : مَا أَحَدٌ أَعْلَمُ بِہَذَا مِنِّی ، إذَا أَقْبَلَتِ الْحَیْضَۃُ فَلْتَدَعِ الصَّلاَۃَ ، وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَلْتَغْتَسِلْ، وَلْتَغْسِلْ عَنْہَا الدَّمَ ، وَلْتَوَضَّأْ لِکُلِّ صَلاَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৬১ ) হজরত কাকা ইবনে হাকিম বলেন , আমি হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যেব ( রা . ) - কে মুস্তাহাদা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম , তিনি বলেন , তিনি আমাকে এর বেশি জানেন না যখন তার ঋতুস্রাব হয় তখন তাকে সালাত পড়া বন্ধ করতে হবে এবং ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে তাকে গোসল করতে হবে এবং রক্ত ধৌত করতে হবে এবং প্রত্যেক সালাতের আগে অযু করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : الْمُسْتَحَاضَۃُ تَغْتَسِلُ وَتَوَضَّأُ لِکُلِّ صَلاَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1362) হজরত আরওয়া বলেন, একজন মুস্তাহাদকে প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল ও ওযু করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۳) حَدَّثَنَا حَاتِمُ، عَنْ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَۃَ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ؛ فِی الْمَرْأَۃِ الَّتِی تُسْتَحَاضُ، فَتُطَاوِلُہَا حَیْضَتُہَا ، تَغْتَسِلُ فَتَسْتَنْقِی ، ثُمَّ تَجْعَلُ کُرْسُفًا کَمَا یَجْعَلُ الرَّاعِفُ ، وَتَسْتَثْفِرُ بِثَوْبٍ ، ثُمَّ تُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৩৬৩) হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইব ( রা. ) মুস্তাহাদ সম্পর্কে বলেন , ঋতুস্রাবের দিন কাটানোর পর সে যেন গোসল করে, তার শরীর পরিষ্কার করে, তারপর তুলাকে এমনভাবে রাখে যাতে রক্ত না পড়ে , তারপর কাপড়টি ভালো করে বেঁধে রাখে , তারপর নামাজ পড়ে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِیزِ بْنِ رُفَیْعٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : تُؤَخِّرُ الظُّہْرَ وَتُعَجِّلُ الْعَصْرَ، وَتَغْتَسِلُ مَرَّۃً وَاحِدَۃً ، وَتُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلُ الْعِشَائَ ، وَتَغْتَسِلُ مَرَّۃً وَاحِدَۃً ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ لِلْفَجْرِ ، ثُمَّ تَقْرِنُ بَیْنَہُمَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1364) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , মুস্তাহাদা যোহর বিলম্বিত করবে এবং আসরের নামাজ তাড়াতাড়ি পড়বে । সে একবার গোসল করবে . অতঃপর মাগরিব বিলম্ব করে ইশার নামাজ তাড়াতাড়ি আদায় করবে । এবং সে একবার গোসল করবে । তারপর সে ফজরের জন্য গোসল করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۵) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : تَجْلِسُ أَیَّامَ حَیْضَتِہَا الَّتِی کَانَتْ تَحِیضُ فِیہَا ، فَإِذَا مَضَتْ تِلْکَ الأَیَّامُ اغْتَسَلَتْ ، ثُمَّ تُؤَخِّرُ مِنَ الظُّہْرِ وَتُعَجِّلُ مِنَ الْعَصْرِ ، ثُمَّ تُصَلِّیہِمَا بِغُسْلٍ وَاحِدٍ ، کُلَّ وَاحِدَۃٍ مِنْہُمَا فِی وَقْتٍ ، ثُمَّ لِتَغْسِلْ لِلْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ ، وَتُؤَخِّرُ مِنَ الْمَغْرِبِ وَتُعَجِّلُ مِنَ الْعِشَائِ ، ثُمَّ تُصَلِّی کُلَّ وَاحِدَۃٍ مِنْہُمَا فِی وَقْتٍ ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ لِلْفَجْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৬৫ ) হজরত ইব্রাহীম ( আ . ) বলেন , মাসাদাহ হিজের দিনগুলোতে নামাজ পড়বে না । ঋতুস্রাব শেষ হলে তাকে গোসল করতে হবে, যোহরের নামায স্থগিত করতে হবে এবং আসরের নামায তাড়াতাড়ি আদায় করতে হবে, তারপর এক গোসল দিয়ে উভয়ের সালাত আদায় করতে হবে এবং একই সাথে উভয় সালাত আদায় করতে হবে । তারপর তাকে মাগরিব ও এশার গোসল করতে হবে এবং মাগরিব বিলম্বিত করে দ্রুত এশার সালাত আদায় করতে হবে, তারপর উভয় নামায একই সময়ে আদায় করতে হবে , তারপর ফজরের জন্য গোসল করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّہْرِ إلَی الظُّہْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1366) হযরত সাঈদ বিন মুসাইব বলেন , তিনি দুপুর থেকে দুপুর পর্যন্ত গোসল করবেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ سُمَیٍّ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، مِثْلَہُ۔
( 1367 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ یَزِیدَ ، عَنْ أَبِی الْعَلاَئِ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، أَنَّ عَلِیًّا ، وَابْنَ عَبَّاسٍ قَالاَ فِی الْمُسْتَحَاضَۃِ : تَغْتَسِلُ لِکُلِّ صَلاَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1368) হজরত আলী ও হজরত ইবনে আব্বাস বলেন , প্রত্যেক নামাযের জন্য একজন মুস্তাযা গোসল করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۶۹) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَسَنٍ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، قَالَ : تَغْتَسِلُ لِلظُّہْرِ وَالْعَصْرِ غُسْلاً، وَلِلْمَغْرِبِ وَالْعِشَائِ غُسْلاً ، وَلِلْفَجْرِ غُسْلاً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1369 ) হজরত জাফরের পিতা বলেন , একজন মুস্তাযাহ যোহর ও আসরের জন্য গোসল করবে , সে মাগরিব ও এশার জন্য গোসল করবে এবং ফজরের জন্য গোসল করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنِ الْمِنْہَالِ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : کُنْتُ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ ، فَجَائَتِ امْرَأَۃٌ بِکِتَابٍ فَقَرَأَتْہُ ، فَإِذَا فِیہِ إنِّی امْرَأَۃٌ مُسْتَحَاضَۃٌ ، وَإِنَّ عَلِیًّا قَالَ : تَغْتَسِلُ لِکُلِّ صَلاَۃٍ ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: مَا أَجِدُ لَہَا إِلاَّ مَا قَالَ عَلِیٌّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৭০) হজরত সাঈদ ইবনে জুবের বলেন , এক মহিলা হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) - এর কাছে একটি চিঠি নিয়ে এলেন এবং আমি তা পড়লাম , তাতে লেখা ছিল যে, আমি একজন মুস্তাযা মহিলা এবং হজরত আলী বলেন , একজন মুসতাযা প্রত্যেক নামাযের জন্য গোসল করবে । হজরত ইবনে আব্বাস (রা) বলেন , মরিয়ম (রা .) ও এ বিষয়ে জানতেন এই মতামত .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۱) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ عَلِیٍّ ؛ فِی الْمُسْتَحَاضَۃِ تُؤَخِّرُ مِنَ الظُّہْرِ وَتُعَجِّلُ مِنَ الْعَصْرِ ، وَتُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلُ الْعِشَائَ ، قَالَ : وَأَظُنُّہُ ، قَالَ : وَتَغْتَسِلُ لِلْفَجْرِ ۔ قَالَ : فَذَکَرْت ذَلِکَ لاِبْنِ الزُّبَیْرِ ، وَابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالاَ : مَا نَجِدُ لَہَا إِلاَّ مَا قَالَ عَلِیٌّ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৭১) হযরত আলী মুস্তাহাদাহ সম্পর্কে বলেন যে, তিনি যোহর দেরিতে এবং আসর তাড়াতাড়ি পাঠ করবেন , একইভাবে মাগরিবের দেরিতে এবং এশার আগে । এবং সে ফজরের জন্য গোসল করবে । হজরত হাকাম বলেন , আমি এ কথা হজরত ইবনে যুবাইর ও হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) - এর কাছে উল্লেখ করেছিলাম এবং তারা বলেন , আমাদের এই মতামত .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۲) حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِیسَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ الْمَخْزُومِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَالِمًا وَالْقَاسِمَ عَنِ الْمُسْتَحَاضَۃِ ، فَقَالَ أَحَدُہُمَا : تَنْتَظِرُ أَیَّامَ أَقْرَائِہَا ، فَإِذَا مَضَتْ أَیَّامُ أَقْرَائِہَا اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ ، وَقَالَ الآخَرُ : تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّہْرِ إلَی الظُّہْرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৭২) হজরত মুহাম্মদ বিন উসমান বলেন , আমি হযরত সেলিম ও হযরত কাসিমকে মুস্তাহাদা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম । AIK তাদের বলেছিলেন যে তিনি মাসিকের দিনগুলিতে নামাজ পড়বেন না ঋতুস্রাবের দিন শেষ হলে তাকে গোসল করে সালাত আদায় করতে হবে । অপরজন বললেন দুপুর থেকে দুপুর পর্যন্ত গোসল করতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۳) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ : حدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَۃَ ، عَنْ عَمِّہِ عِمْرَانَ بْنِ طَلْحَۃَ ، عَنْ أُمِّہِ حَمْنَۃَ ابْنَۃِ جَحْشٍ ؛ أَنَّہَا اُسْتُحِیضَتْ عَلَی عَہْدِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَتَتْ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : یَا رَسُولَ اللہِ ، إنِّی اُسْتُحِضْت حَیْضَۃً مُنْکَرَۃً شَدِیدَۃً ، فَقَالَ لَہَا : احْتَشِی کُرْسُفًا ، قَالَتْ : إِنَّہُ أَشَدُّ مِنْ ذَلِکَ ، إنِّی أَثُجُّ ثَجًّا ، قَالَ : تَلَجَّمِی وَتَحَیَّضِی فِی کُلِّ شَہْرٍ فِی عِلْمِ اللہِ سِتَّۃَ أَیَّامٍ ، أَوْ سَبْعَۃً ، ثُمَّ اغْتَسِلِی غُسْلاً ، وَصَلِّی وَصُومِی ثَلاَثًا وَعِشْرِینَ ، أَوْ أَرْبَعًا وَعِشْرِینَ وَأَخِّرِی الظُّہْرَ وَقَدِّمِی الْعَصْرَ ، وَاغْتَسِلِی لَہُمَا غُسْلاً ، وَأَخِّرِی الْمَغْرِبَ وَقَدِّمِی الْعِشَائَ وَاغْتَسِلِی لَہُمَا غُسْلاً ، وَہَذَا أَحَبُّ الأَمْرَیْنِ إلَیَّ۔ (ابن ماجہ ۶۲۷۔ ابوداؤد ۲۹۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 1373 ) হজরত হামনা বিনতে জাহশ বলেন , তিনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সময়ে মুস্তাহাদ হয়েছিলেন এবং আমি খেদমতে এসে পেশ করলাম যে , আমি প্রচন্ড ইস্তিহাদে ভুগছি । তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ কাপড়ের সাথে তুলা ভালো করে বেঁধে রাখ । তিনি জমা দিয়েছেন যে এটি তার চেয়ে অনেক বেশি এবং প্রবাহিত হচ্ছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , কাপড়ের লাগাম লাগাও এবং প্রত্যেক মহিলাকে আল্লাহর জ্ঞান অনুসারে মাসিকের ছয় বা সাত দিন কাটাতে হবে , তারপর গোসল করবে । চব্বিশ দিন নামাজ ও রোজা । যোহর বিলম্ব করে আসর তাড়াতাড়ি পড়া এবং উভয়ের জন্য গোসল করা । অতঃপর মাগরিব বিলম্বিত করে এশা অগ্রসর করুন এবং উভয়ের জন্য গোসল করুন । এই দুটি জিনিসের মধ্যে , আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি আমাকে বেশি পছন্দ করে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۴) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی الْیَقْظَانِ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ ثَابِتٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ قَالَ : الْمُسْتَحَاضَۃُ تَدَعُ الصَّلاَۃَ أَیَّامَ أَقْرَائِہَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ ، وَتَوَضَّأُ لِکُلِّ صَلاَۃٍ ، وَتَصُومُ وَتُصَلِّی۔ (ابوداؤد ۳۰۱۔ ترمذی ۱۲۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(1374) নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন যে , ঋতুস্রাবের দিনে একটি মুস্তাহাযা নামায ত্যাগ করা , তারপর গোসল করা , প্রতিটি সালাতের জন্য অযু করা , রোযা রাখা এবং সালাত আদায় করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۵) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ أَبِی الْیَقْظَانِ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ ثَابِتٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১৩৭৫ ) হযরত আলীর সনদ সহ এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۶) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنِی إسْمَاعِیلُ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عَبْدِ اللہِ ؛ أَنَّہُ سَمِعَ أَبَا جَعْفَرٍ یَقُولُ فِی الْمُسْتَحَاضَۃِ : إنَّمَا ہِیَ رَکْضَۃٌ مِنَ الشَّیْطَانِ ، فَإِنْ غَلَبَہَا الدَّمُ اسْتَثْفَرَتْ وَتَغْتَسِلُ بَعْدَ قُرْئِہَا وَتَوَضَّأُ ، کَمَا قَالَتْ عَائِشَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১৩৭৬ ) হজরত আবু জাফর মুসতাজা সম্পর্কে বলেন , এটা শয়তানের চেহারা । রক্ত প্রবল হলে কাপড়টি মুড়ে রাখুন এবং ঋতুস্রাবের পর গোসল ও ওযু করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۷) حَدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : اسْتُحِیضَتِ امْرَأَۃٌ مِنْ آلِ أَنَسٍ ، فَأَمَرُونِی فَسَأَلْت ابْنَ عَبَّاسٍ ؟ فَقَالَ : أَمَّا مَا رَأَتِ الدَّمَ الْبَحْرَانِیَّ فَلاَ تُصَلِّی ، وَإِذَا رَأَتِ الطُّہْرَ وَلَوْ سَاعَۃً مِنَ النَّہَارِ فَلْتَغْتَسِلْ وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1377) হজরত আনাস বিন সিরীন বলেন , সকল আনাসের লোকেরা একজন মহিলা যিনি মুস্তাহাদা হয়েছিলেন , আমাকে তার তদন্ত করার নির্দেশ দেন । আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, যদি তার অবিরাম রক্তপাত হয় তবে তার সালাত আদায় করা উচিত নয় এবং যদি দিনের একটি অংশও পবিত্র থাকে তবে তাকে গোসল করে সালাত আদায় করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ زَیْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : رَأَیْت ابْنَۃَ جَحْشٍ ، وَکَانَتْ مُسْتَحَاضَۃً تَخْرُجُ مِنَ الْمِرْکَنِ وَالدَّمُ غَالِبُہُ ، ثُمَّ تُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1378) হযরত জয়নাব বিনতে উম্মে সালমা বলেন , আমি বিনতে জাহশকে খাবার দিয়েছিলাম । সে ছিল মুস্তাহাহা । এবং অনেক রক্ত ছিল , তবুও সে প্রার্থনা করছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۷۹) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : تَغْتَسِلُ مِنْ صَلاَۃِ الظُّہْرِ إلَی مِثْلِہَا مِنَ الْغَدِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1379) হজরত হাসান বলেন , একজন মুস্তাযা একদিন দুপুর থেকে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত গোসল করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۳۸۰) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّہُ صَنَعَ ہَذِہِ الْمَطْہَرَۃَ ، وَقَدْ عَلِمَ أَنَّہُ یَتَوَضَّأُ مِنْہَا الأَسْوَدُ وَالأَبْیَضُ ، قَالَ : وَکَانَ یَنْسَکِبُ مِنْ وُضُوئِ النَّاسِ فِی جَوْفِہَا ، فَسَأَلْت عَطَائً ؟ فَقَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1380) হজরত আত্তা বলেন যে, হজরত ইবনে আব্বাস মসজিদে ওযুর জন্য একটি বেসিন তৈরি করেছিলেন । যদিও তারা জানত যে এটা দিয়ে সবাই ওযু করবে । আমি এই পাত্রে লোকদের ওযুর পানি ঢেলে দিতাম । হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হজরত আতা (রা.) - কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , এতে কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস