(১) ( 2130 ) আবূ উসামা থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন: ইবনু হাযিম , ইয়াসিব ইবন সা’দ থেকে, সাঈ ইবন জুব থেকে এবং মুজাহিদ আল ফি আল মার ই জি ত এর সূত্রে বর্ণিত ই বুহু আল জানাব উ ফি ই খাফ উ আল তিনি বললেন: তিনি প্রভুর বাসস্থানে আছেন [হাদিসের সীমা (১-২১৩০), সর্বমোট হাদিসঃ ২১৩০টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৮৪০টি]



1291 OK

(১২৯১)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی مِجْلَزٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : نِسَاؤُنَا یَخْتَضِبْنَ أَحْسَنَ خِضَابٍ ، یَخْتَضِبْنَ بَعْدَ الْعِشَائِ وَیَنْزِعْنَ قَبْلَ الْفَجْرِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1291 ) হজরত ইবনে আব্বাস ( রা . ) বলেন , আমাদের মহিলারা খুব ভালোভাবে মেহেদি লাগাতেন , তারা এশার পর মেহেদি লাগাতেন এবং ফজরের আগে খুলে ফেলতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1292 OK

(১২৯২)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، عَنْ عَلْقَمَۃَ ، أَنَّہُ کَانَ یَأْمُرُ نِسَائَہُ یَخْتَضِبْنَ فِی أَیَّامِ حَیْضِہِنَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1292 ) হজরত আল - কামাহ ঋতুস্রাবের দিন মহিলাদের মেহেদি লাগানোর নির্দেশ দিতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1293 OK

(১২৯৩)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۳) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنِ امْرَأَۃٍ مِنْہُمْ ؛ أَنَّہَا أَرْسَلَتْ إلَی سَالِمٍ تَسْأَلُہُ عَنِ الْخِضَابِ وَتَحْضُرُ الصَّلاَۃَ ؟ فَقَالَ : انْزِعِیہِ وَتَوَضَّئِی وَصَلِّی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1293) একবার এক মহিলা হযরত সেলিমের কাছে কাউকে পাঠিয়ে প্রশ্ন করলেন , মহিলাটি মেহেদি লাগালে এবং নামাজের সময় হয়ে গেলে তার কী করা উচিত ? তাকে মেহেদি খুলে ওযু করে নামাজ পড়তে বলুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1294 OK

(১২৯৪)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَمَّنْ سَمِعَ عَائِشَۃَ ، قَالَتْ : لأَنْ تُقْطَعَانِ أَحَبُّ إلَیَّ مِنْ أَنْ أَمْسَحَ عَلَی الْخِضَابِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1294 ) হযরত আয়েশা (রাঃ ) বললেন , আমার উভয় হাত কেটে ফেলতে হবে । এটা আমার কাছে মেহেদি মাখার চেয়েও প্রিয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1295 OK

(১২৯৫)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۵) حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِیُّ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : کَانَ یَسْتَحِبُّ أَنْ تَخْتَضِبَ الْمَرْأَۃُ وَہِیَ حَائِضٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1295) হযরত আতা ( রাঃ ) ঋতুস্রাবের সময় মহিলার মেহেদি লাগানোই উত্তম মনে করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1296 OK

(১২৯৬)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۶) حَدَّثَنَا سُفْیَانُ بْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ ، عَنْ أُمِّ قَیْسٍ ابْنَۃِ مِحْصَنٍ ، قَالَتْ : دَخَلْت بِابْنٍ لِی عَلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لَمْ یَأْکُلِ الطَّعَامَ ، فَبَالَ عَلَیْہِ ، فَدَعَا بِمَائٍ فَرَشَّہُ۔ (بخاری ۲۲۳۔ ابوداؤد ۳۷۷)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1296 ) হযরত উমকাইস বিনতে মোহসান বলেন , একবার আমি আমার একমাত্র সন্তানকে নিয়ে মহানবী ( সা . ) - এর খেদমতে হাজির হলাম । শিশুটি এখন খায় না । তিনি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর কাপড়ে পেশাব করলেন । আপনি জলের জন্য ডেকেছিলেন এবং ভেজা জায়গায় ছিটিয়ে দিয়েছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1297 OK

(১২৯৭)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ سِمَاکٍ ، عَنْ قَابُوسَ بْنِ الْمُخَارِقِ ، عَنْ لُبَابَۃَ ابْنَۃِ الْحَارِثِ ، قَالَتْ : بَالَ الْحُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ فِی حَجْرِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقُلْتُ : یَا رَسُولَ اللہِ ، أَعْطِنِی ثَوْبَک وَالْبَسْ ثَوْبًا غَیْرَہُ ، فَقَالَ : إنَّمَا یُنْضَحُ مِنْ بَوْلِ الذَّکَرِ ، وَیُغْسَلُ مِنْ بَوْلِ الأُنْثَی۔ (ابوداؤد ۳۷۸۔ ابن خزیمۃ ۲۸۲)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1297 ) হজরত লাবাবা বিনতে আল - হারিস বলেন , একবার হজরত হুসাইন বিন আলী রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর কাপড়ে প্রস্রাব করলেন , তিনি বললেন , আমাকে তোমার কাপড় দাও এবং অন্য কিছু পরিধান করো । তিনি বললেন : পানি ছেলের প্রস্রাব ছিটিয়ে মেয়ের প্রস্রাব ধুইয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1298 OK

(১২৯৮)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أُتِیَ بِصَبِیٍّ ، فَبَالَ عَلَیْہِ، فَأَتْبَعَہُ الْمَائَ وَلَمْ یَغْسِلْہُ۔ (مسلم ۱۰۲۔ ابن ماجہ ۵۲۳)


থেকে বর্ণিতঃ

(1298) হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , একবার এক শিশু রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - এর কাপড়ে প্রস্রাব করল । তুমি তাতে পানি ঢেলে দিলেও ধোওনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1299 OK

(১২৯৯)

সহিহ হাদিস

(۱۲۹۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ أَخِیہِ عِیسَی ، عَنْ أَبِیہِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ جَدِّہِ أَبِی لَیْلَی ، قَالَ : کُنَّا عِنْدَ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ جُلُوسًا ، فَجَائَ الْحُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ یَحْبُو حَتَّی جَلَسَ عَلَی صَدْرِہِ ، فَبَالَ عَلَیْہِ ، قَالَ : فَابْتَدَرْنَاہُ لِنَأْخُذَہُ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : ابْنِی ابْنِی ، ثُمَّ دَعَا بِمَائٍ ، فَصَبَّہُ عَلَیْہِ۔ (طحاوی ۹۴)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1299 ) হজরত আবুল লায়লা বলেন , একদা আমরা মহানবী ( সা . ) - এর কাছে বসা ছিলাম এবং হজরত হুসাইন বিন আলী হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন এবং তারা রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর বরকতময় বুকে আরোহণ করেন । এবং প্রার্থনা . আমরা দ্রুত তাদের ধরতে এগিয়ে গেলাম , তখন মহানবী ( সাঃ ) বললেনঃ “ আমার সন্তান , আমার সন্তান ” তারপর পানি ডেকে তার উপর ঢেলে দিলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1300 OK

(১৩০০)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۰) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ، قَالَ : دَخَلَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَلَی أُمِّ الْفَضْلِ ، وَمَعَہَا حُسَیْنٌ فَنَاوَلَتْہُ إیَّاہُ ، فَبَالَ عَلَی بَطْنِہِ ، أَوْ عَلَی صَدْرِہِ ، فَأَرَادَتْ أَنْ تَأْخُذہ مِنْہُ ، فَقَالَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ تُزْرِمِی ابْنِی ، لاَ تُزْرِمِی ابْنِی ، فَإِنَّ بَوْلَ الْغُلاَمِ یُرْشَحُ ، أَوْ یُنْضَحُ ، وَبَوْلَ الْجَارِیَۃِ یُغْسَلُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1300) হজরত আবু জাফর (রা.) বলেন , একদা মহানবী ( সা . ) হজরত উম্মুল ফজল ( রা. ) - এর কাছে গেলেন । উম্মে আল ফজলের হজরত হোসাইন ছিল , তিনি হজরত হুসাইনকে মহানবী ( সা . ) - এর কাছে দান করেছিলেন হজরত উম্মে ফজল ( রা .) যখন শিশুটিকে ধরে রাখতে লাগলেন, তখন মহানবী ( সা . ) বললেন , আমার সন্তানকে প্রস্রাব করা থেকে বিরত করো না , আমার সন্তানকে প্রস্রাব করা থেকে বিরত করো না এবং শিশুটির প্রস্রাবের ওপর পানি ছিটিয়ে দাও মেয়েটির প্রস্রাব ধুয়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1301 OK

(১৩০১)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۱) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ أَبِی حَرْبِ بْنِ أَبِی الأَسْوَدِ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : بَوْلُ الْغُلاَمِ یُنْضَحُ ، وَبَوْلُ الْجَارِیَۃِ یُغْسَلُ۔ (ابوداؤد ۳۸۰)


থেকে বর্ণিতঃ

(1301) হযরত আলী ( রাঃ ) বলেন , ছেলের প্রস্রাবের উপর পানি ছিটানো হয় এবং মেয়ের পেশাব ধৌত করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1302 OK

(১৩০২)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۲) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کِلاَہُمَا یُنْضَحَانِ مَا لَمْ یَأْکُلاَ الطَّعَامَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১৩০২) হজরত হাসান বলেন , ছেলে - মেয়েদের প্রস্রাব না করা পর্যন্ত পানি ছিটিয়ে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1303 OK

(১৩০৩)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ دَلْہَمٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أُمِّہِ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ، قَالَتْ : یُغْسَلُ بَوْلُ الْجَارِیَۃِ، وَیُنْضَحُ بَوْلُ الْغُلاَمِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1303) হজরত উম্মে সালামা (রা.) বলেন , একটি মেয়ের পেশাব ধৌত করা হবে এবং একটি ছেলের পেশাবের ওপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1304 OK

(১৩০৪)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : یُجْرَی عَلَی بَوْلِ الصَّبِیِّ الْمَائُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1304 ) হজরত ইব্রাহীম বলেন , শিশুর প্রস্রাবের উপর পানি ঢেলে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1305 OK

(১৩০৫)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مَعْنٍ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إِنْ کَانَ طَعِمَ غُسِلَ ، وَإِنْ لَمْ یَکُنْ طَعِمَ صُبَّ عَلَیْہِ الْمَائُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১৩০৫) হজরত ইব্রাহীম (আ.) বলেন , শিশুটি খায় তাহলে তার প্রস্রাব ধুয়ে যাবে এবং না খেলে তার প্রস্রাবের ওপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1306 OK

(১৩০৬)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ وَاقِدٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : قَالَ لَہُ رَجُلٌ : یَحْمِلُ أَحَدُنَا الصَّبِیَّ فَیُصِیبُہُ مِنْ أَذَاہُ ؟ قَالَ : إِنْ کَانَ طَعِمَ غُسِلَ ، وَإِنْ لَمْ یَکُنْ طَعِمَ صُبَّ عَلَیْہِ الْمَائُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১৩০৬) হজরত আতা বলেন, শিশু যদি খায় তবে তার প্রস্রাব ধুয়ে যাবে এবং না খেলে তার প্রস্রাবের ওপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1307 OK

(১৩০৭)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : یُصَبُّ الْمَائُ عَلَی بَوْلِ الصَّبِیِّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১৩০৭) হজরত আমীর বলেন , শিশুর প্রস্রাবের ওপর পানি ঢেলে দেওয়া হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1308 OK

(১৩০৮)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۸) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بُکَیْر ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : قُلْتُ لِعَطَائٍ : الصَّبِیُّ مَا لَمْ یَأْکُلِ الطَّعَامَ ، تَغْسِلُ ثَوْبَک مِنْ بَوْلِہِ وَسَلْحِہِ أَیْضًا ؟ قَالَ : اُرْشُشْ عَلَیْہِ الْمَائَ ، أَوِ اصْبُبْ عَلَیْہِ ۔ قُلْتُ : فَالصَّبِیُّ یُلْعَقُ قَبْلَ أَنْ یَأْکُلَ الطَّعَامَ مِنَ السَّمْنِ وَالْعَسَلِ ، وَذَلِکَ طَعَامٌ ؟ قَالَ : اُرْشُشْ عَلَیْہِ ، أَوِ اصْبُبْ عَلَیْہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1308) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হজরত আতা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম , শিশুটি যদি না খায়, তাহলে তার কী দোষ ? আপনি কি এই মল দিয়ে আপনার কাপড় ধুবেন ? তারপরে জল ছিটিয়ে দিন বা ধুয়ে ফেলুন । আমি বাচ্চাকে খাওয়া শুরু করার আগে খেতে বললাম মধু কি কাজে ব্যবহার করা হয় ? এটা কি খাবার ? এই ক্ষেত্রে , ধুয়ে ফেলুন বা জল ছিটিয়ে দিন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1309 OK

(১৩০৯)

সহিহ হাদিস

(۱۳۰۹) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بُکَیْر ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنِ ابْنِ شِہَابٍ ، قَالَ : مَضَتِ السُّنَّۃُ أَنَّہُ یُرَشُّ بَوْلُ مَنْ لَمْ یَأْکُلِ الطَّعَامَ ، وَمَضَتِ السُّنَّۃُ بِغَسْلِ بَوْلِ مَنْ أَکَلَ الطَّعَامَ مِنَ الصِّبْیَانِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১৩০৯) হজরত ইবনে শাহাব বলেন, শরীয়তের হুকুম হলো , যে শিশু খাবার খায় না তার প্রস্রাবের ওপর পানি ছিটিয়ে দেওয়া এবং যে শিশু খাবার খায় তার প্রস্রাব ধৌত করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩০৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1310 OK

(১৩১০)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : حَدَّثَنِی مَنْ رَأَی النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بَالَ قَاعِدًا ، فَتَفَاجَّ حَتَّی ظَنَنَّا أَنَّ وَرِکَہُ سَیَنْفَکُّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1310) হজরত হাসান বলেন যে , আমাদেরকে তিনি ( যিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বসিয়ে খেতে দিয়েছিলেন ) তিরস্কার করেছিলাম যেটি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুলতেন । উভয় পা এতটাই যে বরকতময় শরীরে ক্ষত না হওয়ার আশঙ্কা ছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1311 OK

(১৩১১)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی أَبُو حَرَّۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا بَالَ تَفَاجَّ حَتَّی یُرْثَی لَہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১৩১১) হজরত হাসান বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) প্রস্রাব করার জন্য এত বেশি পা খুলতেন যে , তাঁর বরকতময় শরীরে আঘাত না লাগানোর আশঙ্কা ছিল
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1312 OK

(১৩১২)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۲) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ وَہْبٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَسَنَۃَ ، قَالَ : خَرَجَ عَلَیْنَا النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَفِی یَدِہِ کَہَیْئَۃِ الدَّرَقَۃِ ، قَالَ : فَوَضَعَہَا ثُمَّ جَلَسَ فَبَالَ إلَیْہَا ، فَقَالَ بَعْضُہُمْ : اُنْظُرُوا إلَیْہِ ، یَبُولُ کَمَا تبُولُ الْمَرْأَۃُ ، فَسَمِعَہُ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : وَیْحَک مَا عَلِمْت مَا أَصَابَ صَاحِبَ بَنِی إسْرَائِیلَ ، کَانُوا إذَا أَصَابَہُمُ الْبَوْلُ قَرَضُوہُ بِالْمَقَارِیضِ ، فَنَہَاہُمْ فَعُذِّبَ فِی قَبْرِہِ۔ (ابوداؤد ۲۳۔ ابن ماجہ ۳۴۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1312 ) হজরত আবদ আল- রহমান বিন হাসনা বলেন , একদা মহানবী ( সা . ) সফরের জন্য বের হলে তাঁর হাতে একটি চামড়ার ঢাল ছিল এটি কী ? তুমি তার দিকে ভ্রুকুটি করেছ ... এই লোকটা বলতে শুরু করলো , ওদের ছেড়ে দাও ! তারা মহিলাদের মত প্রস্রাব করছে ! তুমি করেছ তিনি একথা শুনে বললেন , তুমি ধ্বংস হয়ে গেছ । তুমি এই ইস্রায়েলের লোকের কথা শোনোনি যে , প্রস্রাবের কারণে যখন মানুষের কাপড় নষ্ট হয়ে যায় । যার বিনিময়ে আল্লাহ তাকে কবরের আযাব ভোগ করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1313 OK

(১৩১৩)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ طَاوُوسٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : مَرَّ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِقَبْرَیْنِ ، فَقَالَ : إنَّہُمَا لَیُعَذَّبَانِ ، وَمَا یُعَذَّبَانِ فِی کَبِیرٍ ، أَمَّا أَحَدُہُمَا فَکَانَ لاَ یَسْتَترُ مِنْ بَوْلِہِ ، وَأَمَّا الأَخَرُ فَکَانَ یَمْشِی بِالنَّمِیمَۃِ۔ (بخاری ۶۰۵۲۔ ابن ماجہ ۳۴۷۔)


থেকে বর্ণিতঃ

(1313) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন যে , মহানবী ( সা . ) দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন যে, তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে এবং এ কারণে কত বড় শাস্তি হচ্ছে না । একজন যন্ত্রণা এড়াতে না পেরে অন্যজন কৌশল করত
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1314 OK

(১৩১৪)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۴) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ یُحَدِّثُ ، أَنَّ أَبَا مُوسَی کَانَ یُشَدِّدُ فِی الْبَوْلِ ، فَقَالَ : کَانَتْ بَنُو إسْرَائِیلَ إذَا أَصَابَ أَحَدَہُمُ الْبَوْلُ یُتْبِعُہُ بِالْمِقْرَاضَیْن۔ (بخاری ۲۲۶۔ مسلم ۲۲۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৩১৪ ) হজরত আবু মূসা প্রস্রাবের ব্যাপারে খুবই কঠোর হতেন এবং বলতেন , বনী ইসরাঈলের কোনো লোকের কাপড়ে প্রস্রাব পড়লে সে অংশটি নিচ থেকে কেটে পরিষ্কার করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1315 OK

(১৩১৫)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۵) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو عَوَانَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : أَکْثَرُ عَذَابِ الْقَبْرِ مِنَ الْبَوْلِ۔ (احمد ۲/۳۸۸۔ دارقطنی ۱۲۸)


থেকে বর্ণিতঃ

(1315) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , প্রস্রাবের কারণে কবরের আযাব হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1316 OK

(১৩১৬)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۶) حَدَّثَنَا یَعْلَی ، قَالَ : حدَّثَنَا قُدَامَۃُ بْنُ عَبْدِ اللہِ الْعَامِرِیُّ ، قَالَ حَدَّثَتْنِی جَسْرۃُ ، قَالَتْ حَدَّثَتْنِی عَائِشَۃُ ، قَالَتْ : دَخَلَتْ عَلَیَّ امْرَأَۃٌ مِنَ الْیَہُودِ ، فَقَالَتْ : إنَّ عَذَابَ الْقَبْرِ مِنَ الْبَوْلِ قُلْتُ : کَذَبْت ، قَالَتْ : بَلَی ، إِنَّہُ لَیُقْرَضُ مِنْہُ الْجِلْدُ وَالثَّوْبُ ، قَالَتْ : فَخَرَجَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إلَی الصَّلاَۃِ ، وَقَدِ ارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُنَا ، فَقَالَ : مَا ہَذَا ؟ فَأَخْبَرْتُہُ ، فَقَالَ : صَدَقَتْ۔ (احمد ۶/۶۱۔ نسائی ۹۹۶۶)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1316 ) হযরত আয়েশা (রা.) বলেন : একজন ইহুদী মহিলা আমার কাছে এসে বললেন , প্রস্রাবের কারণেও কবরের আযাব হয় । আমি যদি বলে থাকি তাহলে আপনি মিথ্যা বলছেন । তারা বলেন , ভাষা সঠিক , এ কারণে কাপড় - চোপড় কাটা হয় । হজরত আয়েশা ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) আমাদের এতগুলোকে নিয়ে আসেন , যখন আমাদের আওয়াজ উঠত । মহানবী ( সা . ) বলেন এটা কি ? আমি যখন তোমাকে সব বললাম , তুমি বললে যে এই মহিলার কথা ঠিক
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1317 OK

(১৩১৭)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ شَیْبَانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا بَحْرُ بْنُ مَرَّارٍ ، عَنْ جَدِّہِ أَبِی بَکْرَۃَ ، قَالَ : مَرَّ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِقَبْرَیْنِ ، فَقَالَ : إنَّہُمَا لَیُعَذَّبَانِ ، وَمَا یُعَذَّبَانِ فِی کَبِیرٍ ؛ أَمَّا أَحَدُہُمَا فَیُعَذَّبُ فِی الْبَوْلِ ، وَأَمَّا الآخَرُ فَفِی الْغِیبَۃِ۔ (احمد ۳۹۔ ابن ماجہ ۳۴۹)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1317) হজরত আবু বকরা ( রা . ) বলেন , একবার রাসূলুল্লাহ ( সা . ) দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন , তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং শাস্তি হচ্ছে কোনো বড় কাজের কারণে নয় , বরং পাপের কারণে । একটির এবং অন্যটি গীবতের কারণে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1318 OK

(১৩১৮)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، عَنْ حُذَیْفَۃَ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ أَتَی سُبَاطَۃَ قَوْمٍ ، فَبَالَ عَلَیْہَا قَائِمًا۔ (بخاری ۲۲۴۔ مسلم ۲۲۸)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1318) হজরত হুজাইফা ( রা . ) বলেন , একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের আবর্জনার স্তূপের কাছে একটি লিটারের বাক্স নিয়ে আসলেন এবং তিনি দাঁড়ালেন এবং প্রস্রাব করলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1319 OK

(১৩১৯)

সহিহ হাদিস

(۱۳۱۹) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ زَیْدٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ عُمَرَ بَالَ قَائِمًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৩১৯ ) হজরত যায়েদ বলেন , আমি হযরত ওমরকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩১৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1320 OK

(১৩২০)

সহিহ হাদিস

(۱۳۲۰) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنِ الأَعْمَشِ وَحُصَیْنٍ ، عَنْ أَبِی ظَبْیَانَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَلِیًّا بَالَ قَائِمًا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১৩২০ ) হজরত আবুধাবী বলেন , আমি হযরত আলীকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখেছি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১৩২০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস