
(۱۲۶۱) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : کُنَّا جُلُوسًا مَعَ عَبْدِ اللہِ إذْ وَقَعَ عَلَیْہِ خُرْئُ عُصْفُورٍ ، فَقَالَ لَہُ : ہَکَذَا بِیَدِہِ ، نَفَضَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1261) হজরত আবু উসমান বলেন , আমরা হজরত আবদুল্লাহ (রা.)- এর কাছে বসে ছিলাম , এমন সময় একটি পাখির বাদুড় তাঁর ওপর পড়লে তিনি তা সরিয়ে দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : رَأَیْتُہُ ، وَأُلْقِیَ عَلَیْہِ طَیْرٌ مِنْ طَیْرِ مَکَّۃَ ، فَجَعَلَ یَمْسَحُہُ بِیَدِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1262) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , হজরত আত্তাকে মক্কার একটি পাখি কামড় দিয়েছিল , তাই তিনি হাত দিয়ে তা পরিষ্কার করেছিলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۳) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: سَقَطَتْ ہَامَۃٌ عَلَی الْحَسَنِ فَذَرَقَتْ عَلَیْہِ ، فَقَالَ لَہُ بَعْضُ الْقَوْمِ : نَأْتِیک بِمَائٍ تَغْسِلُہُ ؟ فَقَالَ : لاَ ، وَجَعَلَ یَمْسَحُہُ عَنْہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1263 ) হজরত আশআত বলেন , একটি পেঁচা হজরত হাসানকে পিটিয়েছিল । একজন লোক বলল , আমরা যখন আপনার জন্য পানি নিয়ে আসছি , তখন আপনি তা ধুয়ে নিন তিনি বলেন , এটা প্রয়োজন নেই এবং তারপর এটি হাতে পরিষ্কার .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی الأَشْہَبِ السَّعْدِیِّ ، قَالَ : رَأَیْتُ یَزِیدَ بْنَ عَبْدِ اللہِ بْنِ الشِّخِّیرِ ، أَبَا الْعَلاَئِ ذَرَقَ عَلَیْہِ طَیْرٌ وَہُوَ یُصَلِّی ، فَمَسَحَہُ ثُمَّ مَضَی فِی صَلاَتِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1264) হযরত আশহাব সাদী বলেন , আমি হযরত ইয়াযীদ বিন আবদুল্লাহকে দেখেছি যে , নামাযের সময় একটি পাখি তাকে ঠেকিয়ে দিয়েছিল , তাই তিনি তার নামায চালিয়ে গেলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَنْظَلَۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ سَالِمًا سَلَحَ عَلَیْہِ طَیْرٌ فَمَسَحَہُ وَقَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৬৫ ) হজরত হানযালাহ বলেন , হজরত সেলিমকে একটি পাখি কামড় দিলে তিনি তা পরিষ্কার করে বললেন , এতে কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ الْحَکَمَ ، وَحَمَّادًا عَنْ خُرْئِ الطَّیْرِ ؟ فَقَالاَ : لاَ بَأْسَ بِہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1266 ) হজরত শুবা বলেন , আমি হজরত হামাদ ও হজরত হাকামকে পাখির বাদুড় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তারা উভয়েই বললেন এতে কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۷) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِی الذَّیَّالِ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی رَجُلٍ صَلَّی ، فَلَمَّا قَضَی صَلاَتَہُ أَبْصَرَ فِی ثَوْبِہِ خُرْئَ دَجَاجٍ ، فَقَالَ : إنَّمَا ہُوَ طَیْرٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1267 ) হজরত হাসানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে , এক ব্যক্তি সালাত আদায় করছিল , যখন সে তার কাপড়ে একটি মুরগির বাদুড় দেখতে পেল সে কি করবে ? একটি মুরগি একটি পাখি .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۸) حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّیَالِسِیُّ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ غَیْلاَنَ ، عَنْ حَمَّادٍ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ ذَرْقَ الدَّجَاجِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1268) হযরত হামদ ( রাঃ ) মনে করতেন মুরগীর পেটানো জঘন্য ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۶۹) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ مَعْمَرٍ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، عَنْ عُرْوَۃَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَحِبُّ أَنْ لاَ یَنَامَ إِلاَّ عَلَی طَہَارَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1269) হযরত উরওয়া (রাঃ) পছন্দ করতেন যে, যখনই মানুষ ঘুমায় তখনই যেন অজু করে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৬৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَسْتَحِبُّ أَنْ لاَ یَنَامَ إِلاَّ عَلَی طَہَارَۃٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1270) হযরত হাসান (রাঃ) পছন্দ করতেন যে , যখনই মানুষ ঘুমায় তখন সে অজু করে ঘুমায়।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : مَنْ بَاتَ طَاہِرًا عَلَی ذِکْرٍ ، کَانَ عَلَی فِرَاشِہِ مَسْجِدًا لَہُ حَتَّی یَقُومَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1271) হজরত ইকরামা বলেন , যে ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করে ওযু করে ঘুমায়, তার জন্য মসজিদে তার বিছানা ফরজ করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۲) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْکُمْ أَنْ یَبِیتَ طَاہِرًا عَلَی ذِکْرٍ ، مُسْتَغْفِرًا لِذُنُوبِہِ ، فَإِنَّہُ بَلَغَنَا أَنَّ الأَرْوَاحَ تُبْعَثُ عَلَی مَا قُبِضَتْ عَلَیْہِ۔ (بخاری ۱۲۶۵۔ مسلم ۹۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(1272) হযরত মুজাহিদ বলেন , পারলে ওযু করে ঘুমিয়ে পড়ুন এবং আল্লাহকে স্মরণ করে আপনার গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন , কারণ আমরা এটা এমন হয়েছে যে আত্মাগুলোকে যে অবস্থায় পাকড়াও করা হয়েছিল ঠিক সেই অবস্থায় উঠানো হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی سِنَانٍ ، عَنْ أَبِی صَالِحٍ الْحَنَفِیِّ ، قَالَ : إذَا آوَی الرَّجُلُ إلَی فِرَاشِہِ طَاہِرًا مَسَحَہُ الْمَلَکُ۔ (ترمذی ۳۵۲۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(1273) হজরত আবু সালেহ হানাফী বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি ওযু করার পর তার বিছানায় আসে , তখন ফেরেশতারা তার বিছানা স্পর্শ করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۴) حَدَّثَنَا ابْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ شَہْرٍ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ ، قَالَ : مَنْ بَاتَ ذَاکِرًا طَاہِرًا ، ثُمَّ تَعَارَّ مِنَ اللَّیْلِ ، لَمْ یَسْأَلِ اللَّہَ حَاجَۃً لِلدُّنْیَا وَالآخِرَۃِ إِلاَّ أَعْطَاہُ اللَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1274) হজরত আবু উমামা বলেন , যে ব্যক্তি ওযু করে ঘুমায় এবং রাতে তার চোখ খুলে যায়, সে এই দিনে ও আখিরাতে যা চাইবে , আল্লাহ তাকে দান করবেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۵) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، قَالَ : حُدِّثْت عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّہُ کَانَ إذَا قَامَ مِنَ اللَّیْلِ تَیَمَّم۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1275) হজরত ইবনে আব্বাস যখন রাতে জেগে থাকতেন , তখন তিনি তায়াম্মুম পড়তেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، قَالَ أخْبَرَنَا الْعَوَّامُ ، عَنْ شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَۃَ ، قَالَ : إذَا آوَی الرَّجُلُ إلَی فِرَاشِہِ عَلَی طُہْرٍ ، فَذَکَرَ اللَّہَ حَتَّی تَغْلِبَہُ عَیْنَاہُ ، وَکَانَ أَوَّلُ مَا یَقُولُ حِینَ یَسْتَیْقِظُ : سُبْحَانَک لاَ إلَہَ إِلاَّ أَنْتَ اغْفِرْ لِی ، انْسَلَخَ مِنْ ذُنُوبِہِ کَمَا تَنْسَلِخُ الْحَیَّۃُ مِنْ جِلْدِہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1276) হজরত আমর ইবনে আবসা (রা.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি ওযু করার পর বিছানায় শুয়ে থাকে এবং ঘুমিয়ে না পড়া পর্যন্ত আল্লাহকে স্মরণ করতে থাকে এবং যখন সে জেগে ওঠে , তখন সে সর্বপ্রথম যেটি বলে তা হলো, হে আল্লাহ! তুমি শুদ্ধ, তুমি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই , তাই আমাকে ক্ষমা করে দাও ” তাহলে সে পাপ থেকে এমনভাবে মুক্তি পায় যেভাবে তার চামড়া থেকে সাপ বের হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۷) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، قَالَ : سُئِلَ عَلِیٌّ عَنِ الرَّجُلِ یَمَسُّ اللَّحْمَ النِّیء ، فَیُصِیبُ یَدَہُ مِنْہُ شَیْئٌ ؟ قَالَ : لاَ عَلَیْہِ أَنْ لاَ یَتَوَضَّأَ إذَا مَسَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1277) হযরত আলী (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, যদি কোন ব্যক্তি তাজা গোশত স্পর্শ করে এবং তার হাতে কিছু লেগে যায় , তাহলে তার হুকুম কি ? তিনি বলেন , এর উপর অযু আবশ্যক নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۸) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لَیْسَ عَلَیْہِ وُضُوئٌ ، إِلاَّ أَنْ یَغْسِلَ یَدَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1278) হজরত হাসান বলেন, তার ওপর অযু আবশ্যক নয় , তবে তার হাত ধৌত করা উচিত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۷۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ أَبِی ہِلاَلٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : یَتَوَضَّأُ مِنَ اللَّحْمِ النِّیء ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1279) হযরত সাঈদ বিন মুসাইব বলেন , যে ব্যক্তি তাজা গোশত স্পর্শ করবে সে অযু করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৭৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۰) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی رَجُلٍ مَسَّ لَحْمًا نَیْئًا، قَالَ: لاَ بَأْسَ بِہِ، وَلَیْسَ عَلَیْہِ وُضُوئٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৮০ ) হজরত হাসানকে তাজা গোশত স্পর্শকারী ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন , এতে কোনো ক্ষতি নেই এবং তার অযু ভঙ্গ হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۱) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إِنْ کَانَ أَصَابَ یَدَہُ أَثَرٌ مِنْہُ فَلْیَغْسِلْ یَدَہُ ، وَإِلاَّ فَلاَ یَغْسِلْہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1281) হজরত আতা বলেন , যদি তার হাতে তার চিহ্ন থাকে তবে তাকে ধুয়ে ফেলতে হবে , অন্যথায় ধোয়ার দরকার নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ غَالِبٍ ، عَنْ أَبِی جَعْفَرٍ ۔ وَعَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یُصِیبُ ثَوْبَہُ الْبَوْلُ فَلاَ یُدْری أَیْنَ ہُوَ ، قَالاَ : یَغْسِلُ الثَّوْبَ کُلَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1282) হযরত আতা (রাঃ) বলেন , যদি প্রস্রাব কাপড়ে লেগে যায় এবং কোথায় তা জানা না থাকে তাহলে পুরো কাপড়টি ধুয়ে ফেলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۳) حَدَّثَنَا حُمَیْدٌ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : یَغْسِلُ الثَّوْبَ کُلَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1283) হজরত ইবনে ওমর বলেন, পুরো কাপড় ধৌত করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی بَکْرِ بْن حَفْصٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ ابْنَۃِ سَعْدٍ ، عَنْ عَائِشَۃَ زَوْجِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ فِی الْبَوْلِ یُصِیبُ الثَّوْبَ ، قَالَتْ : تَرُشُّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1284 ) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) যে কাপড়ে প্রস্রাব হয় সে সম্পর্কে বলেন , তাতে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ یُونُسَ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ سُئِلَ عَنِ الثَّوْبِ یُصِیبُہُ الْبَوْلُ ، فَلاَ یُدْری أَیْنَ مَکَانُہُ ؟ قَالَ : إذَا اسْتَیْقَنَ غَسَلَہُ کُلَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1285) হযরত হাসানকে কোন কাপড়ের উপর প্রস্রাব লেগেছে সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হল যে , এর স্থান জানা নেই , তিনি বললেন , পুরো কাপড়টি ধৌত করা হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۶) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ فِی رَجُلٍ أَصَابَ ثَوْبَہُ بَوْلٌ فَخَفِیَ عَلَیْہِ ، قَالَ : یَنْضَحُہُ ۔ قَالَ شُعْبَۃُ : وَأَخْبَرَنِی عَبْدُ الْخَالِقِ ، عَنْ حَمَّادٍ ، أَنَّہُ قَالَ : یَنْضَحُہُ ۔ وَسَأَلْت ابْنَ شُبْرُمَۃَ ، فَقَالَ : یَتَحَرَّی ذَلِکَ الْمَکَانَ وَیَغْسِلُہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1286) হযরত হুকামাইয়্যা (রাঃ) এমন একটি কাপড় সম্পর্কে বলেছেন যার গায়ে প্রস্রাব লেগেছে যেটি কোথায় আছে তা কেউ জানে না , তাতে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে । হজরত হামদ বলেন, এর ওপর পানি ছিটিয়ে দিতে এবং হজরত ইবনে শবরমাহ বলেন, এই স্থানটি খুঁজে বের করে ধুয়ে ফেলুন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۷) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الْمَرْأَۃِ تَخْضِبُ یَدَیْہَا عَلَی غَیْرِ وُضُوئٍ ، ثُمَّ تَحْضُرُہَا الصَّلاَۃُ ، قَالَ : تَنْزِعُ مَا عَلَی یَدَیْہَا إذَا أَرَادَتْ أَنْ تُصَلِّیَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1287) হজরত ইব্রাহিম (আ.) বলেন , যে মহিলা অযু না করে হাতে মেহেদি লাগায় এবং নামাজের সময় হয়ে যায় , সে যেন নামাজের জন্য হাত থেকে মেহেদি খুলে ফেলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۸) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : کَانَ یَسْتَحِبُّ أَنْ تَخْتَضِبَ الْمَرْأَۃُ إِذَا اخْتَضَبَتْ وَہِیَ حَائِضٌ، فَإِنِ اخْتَضَبَتْ وَہِیَ غَیْرُ حَائِضٍ فَلاَ بَأْسَ، غَیْرَ أَنَّہَا إذَا نَامَتْ، أَوْ أَحْدَثَتْ أَطْلَقَتْہُ وَتَوَضَّأَتْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১২৮৮ ) হজরত হাসান বলেন , কোনো নারী যখন মেহেদি লাগাতে চায় , তখন তার ঋতুস্রাব থাকা অবস্থায় মেহেদি লাগানো উত্তম । তার অযু ভেঙ্গে গেলে মেহেদি খুলে অযু করে ফেলবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۸۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، رَضِیعٍ کَانَ لِعَائِشَۃَ ، قَالَ : سَأَلَتِ امْرَأَۃٌ عَائِشَۃَ أمَّ الْمُؤْمِنِینَ ، أَأُصَلِّی فِی الْخِضَابِ ؟ قَالَتْ : اُسْلُتِیہِ وَارْغِمِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1289 ) হজরত আবু সাঈদ বলেন , জনৈক মহিলা হজরত আয়েশা (রা.)- কে জিজ্ঞেস করলেন যে, তিনি মেহেদি লাগিয়ে নামায পড়তে পারেন । বল , ভালো করে খুলে নামায পড় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۲۹۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْفَضْلِ ، عَنْ حَیَّۃَ بِنْتِ عَبْدِ اللہِ ، عَنْ عَائِشَۃَ ، أَنَّہَا قَالَتِ : اُمْرُطِیہِ عِنْدَ الصَّلاَۃِ مَرْطًا ، فَقَدْ کُنْتُ أَفْعَلُہُ ، وَکُنْتُ أَحْسَنَ الْجَوَارِی ، أَوْ أَخَوَاتِی ، خِضَابًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1290) হযরত আয়েশা ( রাঃ ) বললেনঃ নামাযের জন্য ভালোভাবে মেহেদি খুলে ফেল । আমি নামাজের সময় মেহেদি খুলে ফেলতাম , যদিও আমি সব মেয়ের মধ্যে সবচেয়ে ভালো মেহেদি লাগাতাম ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১২৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস