(১) ( 2130 ) আবূ উসামা থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন: ইবনু হাযিম , ইয়াসিব ইবন সা’দ থেকে, সাঈ ইবন জুব থেকে এবং মুজাহিদ আল ফি আল মার ই জি ত এর সূত্রে বর্ণিত ই বুহু আল জানাব উ ফি ই খাফ উ আল তিনি বললেন: তিনি প্রভুর বাসস্থানে আছেন [হাদিসের সীমা (১-২১৩০), সর্বমোট হাদিসঃ ২১৩০টি]

[মোট হাদিসঃ ৩০টি] [অবশিষ্ট হাদিসঃ ৯৯০টি]



1141 OK

(১১৪১)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ طَاوُوس ، قَالَ : أَمَرَنِی أَبِی إذَا دَخَلْتُ الْخَلاَئَ أَنْ أُقَنِّعَ رَأْسِی ، قُلْتُ : لِمَ أَمَرَک بِذَلِکَ ؟ قَالَ : لاَ أَدْرِی۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1141) হজরত ইবনে তাউস বলেন , আমার পিতা আমাকে আশ্রয় গৃহে প্রবেশ করার সময় আমার মাথা ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন । রবি জিজ্ঞেস করলো যে তোমাকে এই আদেশ কেন দিল , আমি জানি না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1142 OK

(১১৪২)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۲) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنِ الضَّحَّاکِ بْنِ عُثْمَانَ ، قَالَ : أَخْبَرَنِی زَیْدُ بْنُ أَسْلَمَ ، عْن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِی سَعِیدٍ الْخُدْرِیِّ ، عَنْ أَبِیہِ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : لاَ یَنْظُرُ الرَّجُلُ إلَی عَوْرَۃِ الرَّجُلِ ، وَلاَ الْمَرْأَۃُ إلَی عَوْرَۃِ الْمَرْأَۃِ۔ (ابوداؤد ۴۰۱۴۔ نسائی ۹۲۲۹)q


থেকে বর্ণিতঃ

(1142) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা. ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , কোনো পুরুষ অন্য পুরুষকে সত্তরটি দেননি এবং কোনো নারীকে তিনি কোনো নারীকে সত্তরটি দেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1143 OK

(১১৪৩)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۳) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ أَبِی الضُّحَی ، عَنْ مَسْرُوقٍ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ بْنِ شُعْبَۃَ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی سَفَرٍ ، فَقَالَ : یَا مُغِیرَۃُ ، خُذِ الإِدَاوَۃَ ، قَالَ : فَأَخَذْتُہَا ، ثُمَّ خَرَجْت مَعَہُ ، فَانْطَلَقَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ حَتَّی تَوَارَی عَنِّی ، فَقَضَی حَاجَتَہُ۔ (بخاری ۳۶۳۔ نسائی ۹۶۶۳)


থেকে বর্ণিতঃ

( 1143 ) হজরত মুগীরা ইবনে শুবা বলেন , আমি এক সফরে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -এর সাথে ছিলাম , পাত্রটি ধরো । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার থেকে এতদূর এগিয়ে গেলেন যে, তাঁকে দেখা যাচ্ছিল না , তারপর তিনি স্বস্তি পেলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1144 OK

(১১৪৪)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۴) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، قَالَ : أَخْبَرَنِی إسْمَاعِیلُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنِ أَبِی الزُّبَیْرِ ، عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : خَرَجْت مَعَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِی سَفَرٍ ، وَکَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ لاَ یَأْتِی الْبَرَازَ حَتَّی یَتَغَیَّبَ ، فَلاَ یُرَی۔ (ابوداؤد ۲۔ ابن ماجہ ۳۳۵)


থেকে বর্ণিতঃ

(1144) হজরত জাবির (রাঃ ) বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সাথে সফরে ছিলাম । যখন আপনার মলত্যাগের প্রয়োজন হতো , তখন আপনি এটিকে এতদূর নিয়ে যেতেন যে আপনি এটি দেখাতে পারবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1145 OK

(১১৪৫)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ بْنُ عُمَرَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ إذَا أَرَادَ الْحَاجَۃَ بَرَزَ حَتَّی لاَ یَرَی أَحَدًا ، وَکَانَ لاَ یَرْفَعُ ثَوْبَہُ حَتَّی یَدْنُوَ مِنَ الأَرْضِ۔ (ترمذی ۱۴)


থেকে বর্ণিতঃ

(1145) হজরত ইবনে উমর ( রা . ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর যখন স্বস্তির প্রয়োজন হতো , তখন তিনি এত দূরে যেতেন যে , মাটি ও মাটির খুব কাছে থাকা অবস্থায় কাউকে দেখাতেন না , তুমি কাপড় তুলতে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1146 OK

(১১৪৬)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۶) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : قَالَ أَبُو مُوسَی : مَا أَقَمْتُ صُلْبِی فِی غُسْلِی مُنْذُ أَسْلَمْت۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১১৪৬ ) হজরত আবু মূসা (রা. ) বলেন , ইসলাম গ্রহণের পর ওযু করার সময় আমি কখনো কোমর সোজা করিনি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1147 OK

(১১৪৭)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۷) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، قَالَ : قُلْتُ لإِبْرَاہِیمَ : أَغْتَسِلُ مِنْ مَائِ الْحَمَّامِ ؟ قَالَ : إذَا أَخَذْتہ مِنْ حَجْرۃٍ أَجْزَأَک۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1147) হজরত মনসুর বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিম ( আ . ) -কে জিজ্ঞেস করলাম , আমি গোসলের পানি দিয়ে গোসল করতে পারব কি না ? তিনি বললেন , হ্যাঁ , প্রান্ত থেকে নিলে তোমার জন্য জায়েজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1148 OK

(১১৪৮)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۸) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : لَوِ اغْتَسَلْتُ مِنْہُ مَا اغْتَسَلْت بِہِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1148) হজরত শাবি বলেন , এটা দিয়ে গোসল করলে আমি আর গোসল করব না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1149 OK

(১১৪৯)

সহিহ হাদিস

(۱۱۴۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حُصَیْنٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : الْحَمَّامُ یَدْخُلُہُ الْمَجُوسُ وَالْجُنُبُ ؟ فَقَالَ : الْمَائُ طَہُورٌ ، لاَ یُنَجِّسُہُ شَیْئٌ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1149 ) হজরত হুসাইন বলেন , আমি হজরত ইকরামা ( রা . ) - কে গোসল করার সময় জিজ্ঞেস করলাম , তিনি বললেন , পানি পবিত্র হয় , অপবিত্র কাজ করো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৪৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1150 OK

(১১৫০)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۰) حَدَّثَنَا ابْنُ إدْرِیسَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، قَالَ : یُجْزِئُ الْجُنُبَ مَائُ الْحَمَّامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1150 ) হজরত হিশাম বলেন , গোসলের পানিই জুনবীর জন্য যথেষ্ট ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1151 OK

(১১৫১)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَدْخُلُہُ ، وَإِذَا کَانَ عِنْدَ خُرُوجِہِ اسْتَقْبَلَ الْمِیزَابَ ، فَاغْتَسَلَ ، ثُمَّ خَرَجَ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1151) হজরত মুগীরাহ বলেন , হজরত ইবরাহীম গোসলখানায় প্রবেশ করতেন এবং যখন বের হতেন তখন নালার নিচে গোসল করতেন এবং তারপর বেরিয়ে আসতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1152 OK

(১১৫২)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ؛ أَنَّہُ کَانَ یَدْخُلُ وَیَغْتَسِلُ فِیہِ وَیَقُولُ: لَوِ اغْتَسَلْتُ مِنْہُ مَا دَخَلتُہ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1152) হযরত শাবী (রাঃ) গোসলখানায় প্রবেশ করতেন এবং অজু করতেন, অতঃপর বলতেন, আমি যদি ওই মুখ দিয়ে গোসল করতাম তাহলে তিনি তাতে প্রবেশ করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1153 OK

(১১৫৩)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۳) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا ہُرَیْمٌ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ أَبِی زِیَادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَ عَلْقَمَۃُ وَالأَسْوَدُ یَغْتَسِلاَنِ مِنْ مَائِ الْحَمَّامِ ، وَلاَ یَغْلِیَانِہِ بِغُسْلٍ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1153) হযরত আল-কামাহ ও হাজরে আসওয়াদ গোসলের পানিতে গোসল করতেন , এরপর আর গোসল করতেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1154 OK

(১১৫৪)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ فَیَّاضٍ ، عَنِ الْہَزْہَازِ ، عَنِ ابْنِ أَبْزَی ، قَالَ : إنَّمَا جُعِلَ الْحَمَّامُ لِیُتَطَہَّرَ بِہِ ، وَلاَ یُتَطَہَّرَ مِنْہُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1154) হজরত ইবনে আবিজা বলেন , গোসলটি এ জন্য করা হয় যাতে তা থেকে পবিত্রতা লাভ করা যায় , এজন্য নয় যে এটি ব্যবহার করে পবিত্র হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1155 OK

(১১৫৫)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ زِیَادِ بْنِ فَیَّاضٍ ، عَنِ ابْنِ أَبْزَی ، مِثْلَہُ۔


( 1155 )


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1156 OK

(১১৫৬)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ عُبَیْدٍ الْبَہْرَانِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ مَائِ الْحَمَّامِ ؟ فَقَالَ : الْمَائُ لاَ یَجْنُبُ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( ১১৫৬) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে উবাইদ বলেন , আমি হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) - কে গোসলের পানি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , পানি কাউকে নাপাক করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1157 OK

(১১৫৭)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۷) حَدَّثَنَا عَبِیْدَۃَ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنْ أَبِی فَرْوَۃَ الْہَمْدَانِیِّ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ أَتَغْتَسِلُ مِنْ مَائِ الْحَمَّامِ إذَا کُنْتَ جُنُبًا ؟ قَالَ : نَعَمْ ، ثُمَّ أَعُدُّہُ أَبْلَغَ الْغُسْلِ ، قَالَ : فَقُلْتُ لَہُ : أَتَغْتَسِلُ إذَا خَرَجْت مِنْہُ ؟ قَالَ : لِمَ أَدْخُلُہُ إذن؟


থেকে বর্ণিতঃ

(1157) হজরত আবু ফারুহা বলেন , আমি হজরত শাবি (রা. ) - কে জিজ্ঞেস করলাম , আপনি কি জানাবাতে গোসলের পানি দিয়ে গোসল করবেন ? হ্যাঁ বলুন তাহলে আমি এটাকে আমার সেরা অযু হিসেবে গণ্য করব । আমি বললাম , গোসল সেরে আবার গোসল করবেন ? তিনি বললেনঃ তাহলে কেন প্রবেশ করলেন ?
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1158 OK

(১১৫৮)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۸) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ أَبِی رَجَائٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَانَ یَکْرَہُ أَنْ یَغْتَسِلَ مِنْ مَائِ الْحَمَّامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1158) হযরত হাসান হাম্মামের পানি দিয়ে গোসল করাকে মাকরূহ মনে করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1159 OK

(১১৫৯)

সহিহ হাদিস

(۱۱۵۹) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ سَیَّارٍ ، قَالَ : رَأَیْتُ الشَّعْبِیَّ خَرَجَ مِنَ الْحَمَّامِ فَجَعَلَ یَخُوضُ مَائَ الْحَمَّامِ ، وَلَمْ یَغْسِلْ قَدَمَیْہِ ، قَالَ : فَقُلْتُ لَہُ فِی ذَلِکَ ؟ فَقَالَ : إنِّی رَجُلٌ یُنْظَرُ إلَیَّ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1159) হজরত সাইর বলেন , আমি হযরত শাবি (রা.) - কে গোসল থেকে বের হয়ে গোসলের পানি দিয়ে শরীর ধৌত করতে দেখেছি কিন্তু পা ধুতেন না । আমি তাকে কারণ জিজ্ঞাসা করলাম , এবং তিনি বললেন , আমি এমন একজন ব্যক্তি যার দিকে দিন খাওয়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৫৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1160 OK

(১১৬০)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۰) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنِ الْمُغِیرَۃِ ، عَنِ الْمُسَیَّبِ بْنِ رَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: الغُسْلُ مِن مَاء الْحَمَّامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1160) হজরত ইবনে আব্বাস বলেন, গোসলের পানি দিয়ে গোসল করা জায়েজ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1161 OK

(১১৬১)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۱) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ؛ أَنَّہُ کَانَ یَغْتَسِلُ مِنَ الْحَمَّامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(১১৬১) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) জলাশয়ের পানি দিয়ে গোসল করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬১]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1162 OK

(১১৬২)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۲) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ الدَّسْتَوَائِیِّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : مَائَانِ لاَ یُجْزِیَانِ : مَائُ الْبَحْرِ ، وَمَائُ الْحَمَّامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1162) হজরত আবু হারি রাহ . বলেন , ওযুর জন্য দুটি পানিই যথেষ্ট নয় , একটি সমুদ্রের পানি এবং অন্যটি একটি জলাশয়ের পানি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬২]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1163 OK

(১১৬৩)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ رَبِیعَۃَ بْنِ کُلْثُومٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْحَسَنَ یَقُولُ : إذَا خَرَجْتَ مِنَ الْحَمَّامِ ، فَاغْتَسِلْ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1163) হযরত হাসান বলেনঃ গোসল ত্যাগ করে গোসল কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬৩]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1164 OK

(১১৬৪)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۴) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنِ الشَّعْبِیِّ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِنَخرِ الدَّابَّۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1164 ) হযরত শাবী বলেন , পশুর মুখে ফেনা পড়ায় কোন ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬৪]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1165 OK

(১১৬৫)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۵) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِلُعَابِ الْحِمَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1165) হযরত হাসান বলেন , গাধার লালায় কোন ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬৫]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1166 OK

(১১৬৬)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۶) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِی سِنَانٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، قَالَ : أَتَّقِی مَا یَسِیلُ مِنْ فَمِ الدَّابَّۃِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1166) হযরত হামদ বলেন , আমি পশুর মুখ থেকে ফেনা বের হওয়া পরিহার করি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬৬]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1167 OK

(১১৬৭)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ یُونُسَ عَنْ عَرَقِ الْحِمَار وَلُعَابِہِ یُصِیبُ الثَّوْبَ ؟ فَقَالَ : لاَ أَعْلَمُ بِہِ بَأْسًا إِلاَّ أَنْ یَقْذَرَہُمَا۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1167 ) হজরত ইবনে আলিয়া বলেন , আমি হজরত ইউনুস (রা.) - কে গাধার ঘাম ও তার লালা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম , যদি তা কাপড়ে লেগে যায় ? তিনি বললেনঃ এটা অপবিত্র নয় , তবে কাপড় নোংরা করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬৭]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1168 OK

(১১৬৮)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۸) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، قَالَ : سَأَلْتُ إِبْرَاہِیمَ عَن کَلْبٍ أَصَابَ ثَوْبِی ؟فَقَالَ : أَلَطَّخَک بِشَیْئٍ؟ فَقُلْتُ : لا، فَقَالَ : لاَ یَضُرُّک۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1168 ) হজরত মুগীরা বলেন , আমি হজরত ইব্রাহিম (আ.) -কে জিজ্ঞেস করলাম যে , একটি কুকুর আমার কাপড় কামড়েছে । আমার এখন কি করা উচিত ? তিনি বললেনঃ তার থুথু কি তোমার কাপড় স্পর্শ করেছে ? আমি সাবমিট করলাম না , বললাম : তাহলে কোন ক্ষতির কথা বলবেন না
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬৮]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1169 OK

(১১৬৯)

সহিহ হাদিস

(۱۱۶۹) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عبیدَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ بَأْسَ بِلُعَابِ الْحِمَارِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

( 1169 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , গাধার লালায় কোনো ক্ষতি নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৬৯]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস



1170 OK

(১১৭০)

সহিহ হাদিস

(۱۱۷۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ ، عَنِ الْحَسَنِ ، وَابْنِ سِیرِینَ : أَنَّہُمَا کَانَا یَکْرَہَانِ دُخُولَ الْحَمَّامِ۔


থেকে বর্ণিতঃ

(1170) হযরত হাসান ও হযরত ইবনে সীরীন হাম্মামে প্রবেশ করা অপছন্দ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১৭০]


হাদিসের মান : সহিহ হাদিস