
(۱۰۸۱) حَدَّثَنَا ابْنُ غَنِیَّۃَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ فِی الْمَرِیضِ یَجْنُبُ فَیُخَافُ عَلَیْہِ إنِ اغْتَسَلَ ، قَالَ : یَتَیَمَّمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮১ ) হজরত তাউস এমন রোগী সম্পর্কে বলেন যে গোসল করতে গিয়ে জিব হয়ে যায় এবং মৃত্যু নিয়ে চিন্তিত হয় , সে যেন তায়াম করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۲) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، أَنَّہُ قَالَ فِی الْمَجْدُورِ وَأَشْبَاہِہِ : إذَا خُشِیَ عَلَیْہِمْ ، فَہُمْ بِمَنْزِلَۃِ الْمُسَافِرِ یَتَیَمَّمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৮২ ) হজরত মুজাহিদ ( যারা ফোঁড়ায় ভুগছেন এবং অন্য যারা এতে অক্ষম হয়ে পড়েছেন তাদের মৃত্যু নিয়ে চিন্তিত হওয়া উচিত ) বলেন , তারা মুসাফিরদের মতো এবং তারাও তাই করেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ أَبِی فَرْوَۃَ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّ رَجُلاً احْتَلَمَ عَلَی عَہْدِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ وَہُوَ مَجْدُورٌ ، فَغَسَّلُوہُ ، فَمَاتَ ، فَبَلَغَ ذَلِکَ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : ضَیَّعُوہُ ضَیَّعَہُمُ اللَّہُ ، قَتَلُوہُ قَتَلَہُمُ اللَّہُ۔ (ابوداؤد ۳۴۰)
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৮৩) হযরত আতা (রাঃ) বলেন , রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সময় এক ব্যক্তি তার শরীরে ফোঁড়া রোগে আক্রান্ত হয়েছিল । লোকেরা তাকে গোসল করিয়ে দিল এবং তিনি মারা গেলেন যখন নবী করীম ( সা . ) এ কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এলে তিনি বললেনঃ এই লোকেরা এটিকে নষ্ট করেছে, আল্লাহ তাদের নষ্ট করুন , তারা তাকে হত্যা করেছে , আল্লাহ তাদের হত্যা করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۴) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلِمَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : کَانَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یُقْرِئُنَا الْقُرْآنَ عَلَی کُلِّ حَالٍ ، إِلاَّ الْجَنَابَۃَ۔ (ابوداؤد ۲۳۲۔ ترمذی ۱۴۶۔ احمد ۱/۱۳۴)
থেকে বর্ণিতঃ
(1084) হযরত আলী ( রাঃ ) বলেন যে , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাবাত ব্যতীত সর্বাবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۵) حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِیَاثٍ ، وَوَکِیعٌ ، عَنِ ابْنِ أَبِی لَیْلَی ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّۃَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ سَلِمَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ مِثْلَہُ۔
( 1085 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۶) حَدَّثَنَا حَفْصٌ، وَأَبُو مُعَاوِیَۃَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِیقٍ، عَنْ عَبِیْدَۃَ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ: لاَ یَقْرَأُ الْجُنُبُ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1086) হজরত উমর (রা.) বলতেন তিনি যেন কুরআন তিলাওয়াত না করেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ کَانَ یَمْشِی نَحْوَ الْفُرَاتِ ، وَہُوَ یُقْرِئُ رَجُلاً ، فَبَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ فَکَفَّ الرَّجُلُ عَنْہُ ، فَقَالَ : ابْنُ مَسْعُودٍ : مَا لَکَ ؟ قَالَ : إنَّک بُلْت ، فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ : إنِّی لَسْتُ بِجُنُبِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1087) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হজরত ইবনে মাসউদ (রা. ) ফোরাত নদীর দিকে যাচ্ছিলেন এবং এই ব্যক্তিকে কোরআন শিক্ষা দিচ্ছিলেন । হজরত ইবনে মাসউদ সালাত আদায় করলে তিনি আদম (আ.) পাঠ করা বন্ধ করে দেন হজরত ইবনে মাসউদ (রা.) এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , তিনি প্রস্রাব করেছেন । আমি আমার পাশে আছি তাই আমি নই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۸) حَدَّثَنَا ابْنُ مَہْدِیٍّ، عَنْ سُفْیَانَ، عَنْ إبْرَاہِیمَ بْنِ الْمُہَاجِرِ، عَنْ إبْرَاہِیمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ: لاَ یَقْرَأُ الْجُنُبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1088) হজরত আসওয়াদ বলেন, জুনবীর কুরআন তিলাওয়াত করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۸۹) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنِ ابْنِ أَبِی نَجِیحٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : لاَ یَقْرَأُ الْجُنُبُ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1089) হজরত মুজাহিদ বলেন, তার কুরআন তিলাওয়াত করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৮৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۰) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ فِرَاسٍ ، عَنْ عَامِرٍ ، قَالَ : الْجُنُبُ وَالْحَائِضُ لاَ یَقْرَآنِ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1090) হজরত আমীর বলেন , ঋতুমতী নারী - পুরুষের কোরআন তেলাওয়াত করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۱) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ سَیَّارٍ ، عَنْ أَبِی وَائِلٍ ، قَالَ : لاَ یَقْرَأُ الْجُنُبُ وَالْحَائِضُ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1091) হজরত আবু ওয়াইল বলেন, ঋতুমতী নারী এবং ঋতুমতী নারীরা যেন কুরআন তিলাওয়াত না করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۲) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ، عَنْ عَامِرِ بْنِ السِّمْطِ، عَنْ أَبِی الْغَرِیفِ، عَنْ عَلِیٍّ، قَالَ: لاَ یَقْرَأُ، وَلاَ حَرْفًا، یَعْنِی: الْجُنُبُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1092) হজরত আলী বলেন যে তিনি কুরআনের একটি অক্ষরও তেলাওয়াত করবেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۳) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : لاَ یَقْرَأُ الْجُنُبُ الْقُرْآنَ ، وَقَالَ : إِنَّہُ إذَا قَرَأَ صَلَّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1093) হজরত ইব্রাহীম বলেন , জুনবিকে কুরআন তিলাওয়াত করা উচিত নয় এবং তিনি বলেছেন যে তিনি যদি কুরআন তিলাওয়াত করেন তবে তারও সালাত আদায় করা উচিত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۴) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ أَبِیہِ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَقْرَأَ الْجُنُبُ وَالْحَائِضُ الشَّیئَ مِنَ الْقُرْآنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1094) হযরত জাফর বলেন , তার পিতা জুনবীকে খারাপ মনে করেননি মাসিকের সময় কোরআন তেলাওয়াত করা ...
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۵) أَخْبَرَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ خَالِدٍ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ؛ أَنَّہُ کَانَ لاَ یَرَی بَأْسًا أَنْ یَقْرَأَ الْجُنُبُ الآیَۃَ وَالآیَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৯৫ ) হজরত ইকরামা কুরআনকে মন্দ মনে করতেন না এই দুটি আয়াত পড়ুন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ۔ وَعَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، وَسَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ فِی الْحَائِضِ وَالْجُنُبِ یَسْتَفْتِحُونَ رَأْسَ الآیَۃِ ، وَلاَ یُتِمُّونَ آخِرَہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৯৬ ) হযরত ইব্রাহীম ও হযরত সাঈদ বিন জাবির জানবি ও হায়জা সম্পর্কে বলেন যে , তারা আয়াতের শুরু থেকে শুরু করবেন যাতে তা শেষ পর্যন্ত না পৌঁছায়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۷) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ عَامِرِ بْنِ السِّمْطِ ، عَنْ أَبِی الْغَرِیفِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : لاَ یَقْرَأُ ، وَلاَ حَرْفًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1097 ) হযরত আলী বলেন যে তিনি পড়বেন না এবং তিনি অক্ষরও পড়বেন না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۸) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : سَأَلْتُ سَعِیدَ بْنَ جُبَیْرٍ : تَقْرَأُ الْحَائِضُ وَالْجُنُبُ ؟ قَالَ : الآیَۃَ وَالآیَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1098) হজরত উমর ইবনে আবদুল্লাহ বলেন , আমি সাঈদ ইবনে জুবায়েরকে জিজ্ঞেস করলাম , তুমি কি ঋতুবতী অবস্থায় কোরআন তেলাওয়াত করতে পারবে ? বলেছেন আপনি দুটি আয়াত পড়তে পারেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۹۹) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللہِ ، عَنِ ابْنِ مَعْقِلٍ ، مِثْلَ ذَلِکَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1099) হযরত ইবনে মুআকাল থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، قَالَ : یَقْرَأُ الْجُنُبُ الْقُرْآنَ ، قَالَ : فَذَکَرْتُہُ لإِبْرَاہِیمَ ، فَکَرِہَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1100) হজরত হামাদ বলেন , হজরত সাঈদ ইবনে মুসাইব বলেন , জুনবী কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন । আমি হজরত ইব্রাহিমের কাছে এটি উল্লেখ করেছি এবং তিনি তা অপছন্দ করেছেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۱) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِی الْعَالِیَۃِ ، قَالَ : الْحَائِضُ لاَ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1101) হজরত আবুল আলিয়া বলেন , ঋতুমতী নারী কুরআন তিলাওয়াত করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۲) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : الْحَائِضُ لاَ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1102) হজরত মুহাম্মদ বলেন , ঋতুমতী নারী কুরআন তিলাওয়াত করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۳) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : تَقْرَأ مِمَّا دُونَ الآیَۃِ ، وَلاَ تَقْرَأُ آیَۃً تَامَّۃً۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1103 ) হজরত ইব্রাহিম বলেন , হাইজা এক আয়াতের কম তিলাওয়াত করতে পারে এবং সে একটি পূর্ণ আয়াতও পাঠ করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۴) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عُمَرَ ، قَالَ : لاَ تَقْرَأُ الْحَائِضُ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1104) হজরত উমর (রা.) বলেন , ঋতুমতী নারী কুরআন তিলাওয়াত করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۵) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ فِرَاسٍ ، عَنْ عَامِرٍ ؛ لاَ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1105) হজরত আমীর বলেন , ঋতুমতী নারী কুরআন তিলাওয়াত করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۶) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاہِیمَ ، عَن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : کُنَّا مَعَ سَلْمَانَ فِی حَاجَۃٍ ، فَذَہَبَ فَقَضَی حَاجَتَہُ ثُمَّ رَجَعَ ، فَقُلْنَا لَہُ : تَوَضَّأْ ، یَا أَبَا عَبْدِ اللہِ لَعَلَّنَا أَنْ نَسْأَلَک عَنْ آیٍ مِنَ الْقُرْآنِ ؟ قَالَ : قَالَ : فَاسْأَلُوا ، فَإِنِّی لاَ أَمَسُّہُ ، إِنَّہُ لاَ یَمَسُّہُ إِلاَّ الْمُطَہَّرُونَ ، قَالَ : فَسَأَلْنَاہُ ، فَقَرَأَ عَلَیْنَا قَبْلَ أَنْ یَتَوَضَّأَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1106) হজরত আবদ আল - রহমান বিন ইয়াযিদ বলেন , একবার আমরা হজরত সালমানের সঙ্গে ছিলাম, হজরত সালমান (রা.) তিশরীফে গেলেন এবং যখন তিনি ফিরে এলেন , তখন আমরা বললাম , অজু করুন , সম্ভবত আমরা আপনাকে জিজ্ঞেস করেছি । কোরানের একটি আয়াত সম্পর্কে তিনি বললেন , আপনি জিজ্ঞাসা করুন , আমি কুরআন স্পর্শ করব না কারণ কেবল পবিত্র লোকেরাই এটি স্পর্শ করতে পারে । অতঃপর আমরা তাকে কুরআন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তিনি ওযুর পূর্বে আমাদেরকে তা পাঠ করলেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ یَزِیدِ بْنِ مُعَاوِیَۃَ ، عَنْ عَلْقَمَۃَ وَالأَسْوَدِ ؛ أَنَّ سَلْمَانَ قَرَأَ عَلَیْہِمَا بَعْدَ الْحَدَثِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1107) হজরত আলকামা ও হাজরে আসওয়াদ বলেন যে, হজরত সালমান আমাদের সামনে অযু ছাড়াই কোরআন তেলাওয়াত করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۸) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِیَۃَ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ کُہَیْلٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، وَابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : کَانَا یَقْرَآنِ أَجْزَائَہُمَا مِنَ الْقُرْآنِ بَعْدَ مَا یَخْرُجَانِ مِنَ الْخَلاَئِ ، قَبْلَ أَنْ یَتَوَضَّأَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1108) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , হজরত ইবনে উমর ও হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বায়তুল খালা থেকে বের হওয়ার পর ওযু করার আগে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۰۹) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ؛ أَنَّ أَبَا ہُرَیْرَۃَ کَانَ یَخْرُجُ مِنَ الْمَخْرَجِ ، ثُمَّ یَحْدُرُ السُّورَۃَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1109 ) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়িব বলেন , হজরত আবু হারি রাহবাইতুল খালা থেকে বের হয়ে সূরা পাঠ করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۱۱۰) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ مُحَمَّدٍ ؛ أَنَّ عُمَرَ قَضَی حَاجَتَہُ ، ثُمَّ أَخَذَ یَقْرَأُ ، فَقَالَ لَہُ أَبُو مَرْیَمَ : لَوْ تَوَضَّأْت یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ ، فَقَالَ لَہُ عُمَرُ : أَمُسَیْلِمَۃُ أَفْتَاک ذَاکَ ؟!۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১১১০ ) হজরত মুহাম্মদ বলেন , একবার হজরত উমর (রা. ) মলত্যাগের পর কোরআন তেলাওয়াত শুরু করেন । তিনি বললেন , মুসলিম মহিলা কি তোমাকে এই ফতোয়া দিয়েছেন ? !
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১১১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস