
(۱۰۲۱) حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِیُّ ، عَنْ أَفْلَحَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : کَانَتِ الْحَائِضُ تَلْبَسُ ثِیَابَہَا ، ثُمَّ تَطْہُرُ ، فَإِنْ لَمْ تَرَ فِی ثَوْبِہَا نَضَحَتْہُ ، ثُمَّ صَلَّتْ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1021) হজরত ইব্রাহীম (রা.) বলেন , ঋতুমতী মহিলার ঋতুস্রাবের সময় পরা কাপড়ে রক্তের কোনো চিহ্ন না থাকলে , সে পবিত্র হওয়ার পর সেগুলিতে সালাত আদায় করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بنْ بکر ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، قَالَ : قَالَ إنْسَانٌ لِعَطَائٍ : الْحَائِضُ تَطْہُرُ وَفِی ثَوْبِہَا الدَّمُ ، وَلَیْسَ یَکْفِیہَا أَنْ تَغْسِلَ الدَّمَ قَطُّ وَتَدَعَ ثَوْبَہَا بَعْدُ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1022) জনৈক ব্যক্তি হযরত আত্তা (রাঃ)-কে বললেন, মাসিক শুদ্ধ হওয়ার পর যদি তার কাপড়ে রক্তের দাগ থাকে তাহলে কি তার জন্য রক্ত ধুয়ে কাপড় ছেড়ে দেওয়াই যথেষ্ট হবে না ? যথেষ্ট বলেছেন .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۳) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ؛ فِی الْحَائِضِ یُصِیبُ ثَوْبَہَا مِنْ دَمِہَا ، قَالَ : تَغْسِلُہُ ، ثُمَّ یُلَطَّخُ مَکَانُہُ بِالْوَرْسِ وَالزَّعْفَرَانِ ، أَوِ الْعَنْبَرِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1023) হজরত সাঈদ বিন জুবের ( রা . ) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কাপড়ে ঋতুস্রাবের রক্ত পড়লে কি করতে হবে ? মহিলারা এটি ধুয়ে ফেলুন এবং এটিকে ভারুস , জাফরান বা অ্যাম্বার দিয়ে প্রতিস্থাপন করুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۴) حَدَّثَنَا أَبُوبَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : تَغْسِلُ الْمَرْأَۃُ مَا أَصَابَ ثِیَابَہَا مِنْ دَمِ الْحَیْضِ، وَلَیْسَ النَّضْحُ بِشَیْئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০২৪) হজরত ইব্রাহীম বলেন , যদি কোনো নারীর কাপড় মাসিকের রক্তে ঢেকে যায় , তাহলে সে তা ধুয়ে ফেলবে , পানি ছিটাবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۵) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ أَیُّوبَ ، عَنْ أَبِی قِلاَبَۃَ ، عَنْ مُعَاذٍ ؛ أَنَّ امْرَأَۃً سَأَلَتْ عَائِشَۃَ عَنْ نَضْحِ الدَّمِ فِی الثَّوْبِ ؟ فَقَالَتْ : اغْسِلِیہِ بِالْمَائِ ، فَإِنَّ الْمَائَ لَہُ طَہُورٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1025) হজরত মুআয (রা.) বলেন , জনৈক মহিলা হজরত আয়েশা ( রা .)-কে তার কাপড়ের রক্তের দাগের ওপর পানি ছিটানো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, পানি দিয়ে ধুয়ে ফেল , পানি দ্বারা পবিত্র হয়ে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۶) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَبِیبٍ ، عَن عَمْرِو بْنِ ہَرِمٍ ، قَالَ : سُئِلَ جَابِرُ بْنُ زَیْدٍ عَنِ الْمَرْأَۃِ الْحَائِضِ ، یُصِیبُ ثَوْبَہَا الدَّمُ ، فَتَغْسِلُہُ فَیَبْقَی فِیہِ مِثَالُ الدَّمِ ، أَتُصَلِّی فِیہِ ؟ قَالَ : نَعَمْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1026) হজরত জাবির ইবনে যায়েদ (রা.) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে , যদি কোন ব্যক্তি তার কাপড় ধোয়ার পর তার কাপড়ে রক্তের দাগ পড়ে যায় , তাহলে কি সে কাপড় ধুতে পারবে ? এটা পড়া যায় .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۷) حَدَّثَنَا عُبَیْدُ اللہِ بْنُ مُوسَی ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، قَالَ : الْمَرْأَۃُ تُصَلِّی فِی ثِیَابِہَا الَّتِی تَحِیضُ فِیہَا ، إِلاَّ أَنْ یُصِیبَ مِنْہَا شَیْئًا ، فَتَغْسِلَ مَوْضِعَ الدَّمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1027) হজরত মুজাহিদ বলেন , ঋতুস্রাবের সময় নারী যে পোশাক পরে নামায পড়তে পারে , তবে রক্ত থাকলে তা ধুয়ে ফেলতে হবে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الرَّبِیعِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ عَنِ الْمَرْأَۃِ تَحِیضُ فِی الثَّوْبِ ؟ قَالَ : لاَ بَأْسَ بِہِ ، إِلاَّ أَنْ تَرَی شَیْئًا فَتَغْسِلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1028) হজরত রাবিয়া (রা.) বলেন , আমি হজরত হাসান (রা.) -কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, একজন মহিলা ঋতুস্রাবের সময় যে পোশাক পরেন সে পোশাকেই সালাত আদায় করা যাবে । তিনি বললেন , এতে দোষের কিছু নেই , তবে তাতে কিছু থাকলে তা ধুয়ে ফেলুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۹) حَدَّثَنَا سَہْلُ بْنُ یُوسُفَ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنِ الْحَکَمِ ؛ فِی ثَوْبِ الْحَائِضِ ، قَالَ : تَغْسِلُ مَکَانَ الدَّمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1029) হজরত হাকাম ঋতুস্রাবের কাপড় সম্পর্কে বলেন , রক্তের স্থান ধৌত করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ مُغِیرَۃَ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : إذَا طَہُرَتِ الْحَائِضُ لَمْ یَقْرَبْہَا زَوْجُہَا حَتَّی تَغْتَسِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1030) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যখন কোনো নারী ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হয় , তখন তার স্বামী পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে সহবাস করবে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۱) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ ، عَنْ عَطَائٍ ، مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1031) হযরত আতা থেকেও এটা হস্তান্তরযোগ্য নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۲) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، وَطَاوُوس ، قَالَ : إذَا طَہُرَتِ الْمَرْأَۃُ مِنَ الدَّمِ فَأَرَادَ الرَّجُلُ الشَّبِقُ أَنْ یَأْتِیَہَا ، فَلْیَأْمُرْہَا أَنْ تَوَضَّأَ ، ثُمَّ لِیُصِبْ مِنْہَا إِنْ شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৩২) হজরত আতা ও হযরত তাউস বলেন , যখন কোনো নারী ঋতুস্রাব থেকে মুক্ত হয় এবং তার স্বামীর সঙ্গে সহবাসের প্রবল ইচ্ছা থাকে , তখন তাকে অযু করার নির্দেশ দিন এবং তারপর তার সঙ্গে যা ইচ্ছা করেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۳) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الأَسْوَدِ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ؛ فِی الْحَائِضِ یَنْقَطِعُ عَنْہَا الدَّمُ ، قَالَ : لاَ یَأْتِیہَا حَتَّی تَحِلَّ لَہَا الصَّلاَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1033) হজরত মুজাহিদ বলেন , যখন কোনো নারী ঋতুস্রাবমুক্ত থাকে , তখন তার স্বামী তার জন্য নামায হালাল না হওয়া পর্যন্ত সহবাস করতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۴) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا انْقَطَعَ الدَّمُ فَأَصَابَ زَوْجَہَا شَبَقٌ ، یَخَافُ فِیہِ عَلَی نَفْسِہِ فَلْیَأْمُرْہَا بِغَسْلِ فَرْجِہَا ، ثُمَّ یُصِیبُ مِنْہَا إِنْ شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1034) হযরত আত্তা বলেন , যখন ঋতুমতী মহিলার রক্ত বন্ধ হয়ে যায় এবং তার স্বামীর সহবাসের প্রবল ইচ্ছা থাকে এবং সে কোন পাপ করার জন্য চিন্তিত থাকে , তখন মহিলার উচিত তার গোপনাঙ্গ ধৌত করা এবং তার স্বামীকে সহবাস করা .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ رَبِیعٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ أَنَّہُ کَرِہَ أَنْ یَأْتِیَ الرَّجُلُ امْرَأَتَہُ وَقَدْ طَہُرَتْ ، قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1035) হজরত হাসান মনে করতেন, কোনো পুরুষ কোনো নারীর কাছে আসার পর গোসল করার আগে তার সঙ্গে সহবাস করাকে জঘন্য মনে করতেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۶) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ أَبِی سَلَمَۃَ ، وَسُلَیْمَانَ بْنِ یَسَارٍ قَالاَ : لاَ یَأْتِیہَا زَوْجُہَا حَتَّی تَغْتَسِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1036) হজরত আবু সালামা ও হজরত সুলাইমান ইবনে ইয়াসার বলেন , তার স্বামী যেন গোসল না করা পর্যন্ত তার কাছে না আসে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۷) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : لاَ یَغْشَی الرَّجُلُ الْمَرْأَۃَ إذَا طَہُرَتْ مِنَ الْحَیْضَۃِ حَتَّی تَغْتَسِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1037) হযরত মাখুল বলতেন, ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হওয়ার পর গোসল না করা পর্যন্ত স্বামী যেন তার কাছাকাছি না আসে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۸) حَدَّثَنَا زَیْدُ بْنُ الْحُبَابِ ، عَنْ أَبِی الْمُنِیبِ ، عَنْ عِکْرِمَۃَ ، قَالَ : إذَا انْقَطَعَ عَنْہَا الدَّمُ فَلاَ یَأْتِیہَا حَتَّی تَطْہُرَ ، فَإِذَا طَہُرَتْ فَلْیَأْتِہَا کَمَا أَمَرَہُ اللَّہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1038) হজরত ইকরামা বলেন , যখন নারীর রক্ত বন্ধ হয়ে যায়, তখন তার স্বামী পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত সহবাস করবে না। যখন সে পবিত্র হয়, তখন আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী তার কাছে যাওয়া উচিত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۳۹) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا بْنِ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : إذَا طَہُرَتِ الْحَائِضُ فَلَمْ تَجِدْ مَائً تَیَمَّمُ ، وَیَأْتِیہَا زَوْجُہَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1039) হযরত আত্তা বলেন , যখন ঋতুস্রাব শুদ্ধ হয়ে যায় এবং তার মধ্যে পানি না থাকে, তখন তার স্বামী সহবাস করতে পারবে তখন তাকে তায়াম করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۰) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إِنْ کَانَتِ الْمَرْأَۃُ حَائِضًا فَرَأَتِ الطُّہْرَ فِی سَفَرٍ ، تَیَمَّمَتِ الصَّعِیدَ لِطُہْرِہَا ، ثُمَّ أَصَابَ مِنْہَا إِنْ شَائَ
থেকে বর্ণিতঃ
(1040) হজরত হাসান বলেন , কোনো নারী যদি ঋতুমতী হয় এবং সফরে তাহর দেখতে পায় , তাহলে তাকে মাটি দিয়ে তায়াম করতে হবে । এরপর তার স্বামী চাইলে তার সাথে সহবাস করতে পারে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سَعِیدٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ بَقِیُّ بْنُ مَخْلَدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرٍ عَبْدُ اللہِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِی شَیْبَۃَ ، قَالَ : (۱۰۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ مُعَاوِیَۃَ بْنِ قُرَّۃَ ، قَالَ : قَدِمَ عَلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ نَفَرٌ مِنْ بَنِی قُشَیْرٍ فَقَالُوا: إنَّا نَعْزُبُ عَنِ الْمَائِ ، وَمَعَنَا أَہْلُونَا وَلَیْسَ مَعَنَا مِنَ الْمَائِ إِلاَّ لِشِفَاہِنَا ، قَالَ: نَعَمْ ، وَإِنْ کَانَ ذَلِکَ سَنَۃً ، أَوْ سَنَتَیْنِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1041 ) হজরত মুয়াবিয়া ইবনে কুরা বলেন , বনু কাশিরের একটি প্রতিনিধিদল আল্লাহর রাসূলের কাছে এসে বলল , আমরা পানি থেকে দূরে থাকি এবং আমাদের স্ত্রীরাও এখানে রয়েছে । এটা নিভানোর জন্য আমাদের কাছে শুধু পানি আছে . রাসুল ( সাঃ ) বললেন , তুমি চাইলে কর । আমি দুই বছর ধরে এই অবস্থায় ছিলাম না .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۲) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ جَعْفَرٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ جُبَیْرٍ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ فِی سَفَرٍ مَعَ أُنَاسٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فِیہِمْ عَمَّارُ بْنُ یَاسِرٍ ، فَکَانُوا یُقَدِّمُونَہُ یُصَلِّی بِہِمْ لِقَرَابَتِہِ مِنْ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، فَصَلَّی بِہِمْ ذَاتَ یَوْمٍ ، ثُمَّ الْتَفَتَ إلَیْہِمْ فَضَحِکَ فَأَخْبَرَہُمْ أَنَّہُ أَصَابَ مِنْ جَارِیَۃٍ لَہُ رُومِیَّۃٍ ، وَصَلَّی بِہِمْ وَہُوَ جُنُبٌ مُتَیَمِّمٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৪২) হজরত সাঈদ ইবনে জাবির বলেন , হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রা . ) একদল সাহাবীর সঙ্গে সফর করছিলেন এবং হজরত আম্মার ইবনে আসও তার সঙ্গে ছিলেন । রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সান্নিধ্যের কারণে লোকেরা হযরত ইবনে আব্বাসকে নামাযের ইমামতি করত । একদিন হজরত ইবনে আব্বাস (রা. ) তাদের নামাজে ইমামতি করলেন , তারপর তাদের দিকে ফিরে হাসিমুখে বললেন : আমি একজন রোমান ক্রীতদাসের সাথে সহবাস করেছি এবং তারপরে তোমাদের অবস্থা । জানাবাতে মিনতিমাম করা হয় এবং নামাজ পড়া হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۳) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرٍو ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَیْدٍ ، سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ یَعْزُبُ وَمَعَہُ أَہْلُہُ ؟ قَالَ : یَأْتِی أَہْلَہُ وَیَتَیَمَّمُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1043) হজরত জাবির বিন যায়েদ (রা.) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, একজন পুরুষ যদি তার স্ত্রীর সাথে থাকে এবং পানি থেকে দূরে থাকে তবে তার কী করা উচিত ? তাকে বউয়ের সাথে কথা বলতে বলুন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۴) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ ، عَنْ أَبِی الْعَوَّامِ ، قَالَ : کُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ فَجَائَ أَعْرَابِیٌّ ، فَقَالَ لَہُ : إنَّا نَعْزُبُ فِی الْمَاشِیَۃِ عَنِ الْمَائِ ، فَیَحْتَاجُ أَحَدُنَا إلَی أَنْ یُصِیبَ أَہْلَہُ ، قَالَ : أَمَّا ابْنُ عُمَرَ فَلَمْ یَکُنْ لِیَفْعَلَہُ ، وَأَمَّا أَنْتَ فَإِذَا وَجَدْت الْمَائَ فَاغْتَسِلْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৪৪) হজরত আবু আল-আওয়াম বলেন , একবার আমি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা . ) - এর পাশে বসে ছিলাম এবং তাকে জিজ্ঞেস করলাম , তিনি তার বাড়িতে এসে বললেন , আমরা কাফেলা আকারে পানি থেকে চলে যাই । অতঃপর আমাদের কেউ যদি স্ত্রীর সাথে সহবাসের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তাহলে আমাদের কি করা উচিত ? বলুন ইবনে উমর তা করবেন না , তবে পানি পেলে গোসল করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ صَالِحٍ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ اللہِ الْمَوْصِلِیِّ ، قَالَ : کَانَ ابْنُ عَوْفٍ ، وَابْنُ عَبَّاسٍ ، وَابْنُ عُمَرَ فِی سَفَرٍ لاَ یَجِدُونَ الْمَائَ ، فَوَاقَعَ ابْنُ عَبَّاسٍ ، فَعَابُوا ذَلِکَ عَلَیْہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1045 ) হজরত আবু আবদুল্লাহ মুসুলি বলেন , হজরত ইবনে আওফ, ইবনে আব্বাস ও ইবনে উমর ( রা . ) সফরে ছিলেন এবং তাঁরা পানি পাননি । ইবনে আব্বাস তার রীতি অনুযায়ী সহবাস করেছিলেন এবং লোকেরা তাকে দোষারোপ করেছিল ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۶) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ سَعِیدٍ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، وَالْحَسَنِ ؛ أَنَّہُمَا کَانَا لاَ یَرَیَانِ بَأْسًا إذَا کَانَ الرَّجُلُ فِی سَفَرٍ وَلَیْسَ مَعَہُ مَائٌ ، أَنْ یُصِیبَ مِنْ أَہْلِہِ ، ثُمَّ یَتَیَمَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1046) হজরত সাঈদ বিন মুসাইয়্যিব ও হজরত হাসান (রা.) মনে করেননি এতে কোনো ভুল আছে যে , কোনো ব্যক্তি সফরে আছে এবং তার সঙ্গে পানি নেই , তাহলে সে তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করে তিম্মুম করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۷) حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ ہِشَامِ ، عَنِ الْحَسَنِ ، أَنَّہُ کَانَ یَقُولُ : إذَا کَانَ الرَّجُلُ فِی سَفَرٍ ، وَبَیْنَہُ وَبَیْنَ الْمَائِ لَیْلَتَانِ ، أَوْ ثَلاَثٌ فَلاَ بَأْسَ أَنْ یُصِیبَ مِنْ أَہْلِہِ ، ثُمَّ یَتَیَمَّمَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০৪৭ ) হজরত হাসান বসরী বলতেন , কোনো ব্যক্তি যদি সফরে থাকে এবং তার ও পানির মধ্যে দু - তিন রাত থাকে , তাহলে তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসে কোনো দোষ নেই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۸) حَدَّثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ شَیْخٍ ، قَالَ : کَانَ سَالِمٌ یُجَامِعُ عَلَی غَیْرِ مَائٍ وَیَتَیَمَّمُ ، إذَا کَانَ الْمَائُ جَامِدًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৪৮) হযরত সেলিম ( রাঃ ) সহবাসের পর পানি জমে গেলে তা করতেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۴۹) حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَیْلٍ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : إذَا کَانَ بِأَرْضٍ فَلاَۃٍ ، فَأَصَابَہُ شَبَقٌ یَخَافُ فِیہِ عَلَی نَفْسِہِ ، وَمَعَہُ امْرَأَتُہُ ، فَلْیَقَعْ عَلَیْہَا إِنْ شَائَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০৪৯) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন , যখন কোনো ব্যক্তি এমন স্থানে থাকে যেখানে জনশূন্য থাকে এবং সেখানে পানি থাকে না , তখন সে এতটাই লোভ অনুভব করবে যে তা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং যদি তার বান্ধবী তার সাথে থাকে সে চায়, সে যৌন মিলন করুক ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۵۰) حَدَّثَنَا ہُشَیْمٌ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ کَانَ فِی سَفَرٍ ، فَوَطِیئَ أَہْلَہُ وَلَیْسَ عِنْدَہُ مَائٌ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1050) হজরত আত্তা বলেন , হজরত আবু যর (রা.) সফরে তার পরিবারের সঙ্গে সহবাস করেছিলেন , যদিও তাদের কাছে পানি ছিল না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস