
(۹۹۱) حَدَّثَنَا عَبِیدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنِ الرُّکَیْنِ ، عَنْ حُصَیْنِ بْنِ قَبِیصَۃَ ، عَنْ عَلِیٍّ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ بِمِثْلِہِ۔ (ابوداؤد ۲۰۸۔ ابن حبان ۱۱۰۷)
( 991 )
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۲) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنِ أَبِی حَصِینٍ ، عَنْ أَبِی عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؛ بِمِثْلِہِ۔ (بخاری ۲۶۹۔ احمد ۱/۱۲۵)
থেকে বর্ণিতঃ
(992 ) এটি এ.কে. থেকেও বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۳) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا إسْمَاعِیلُ بْنُ أَبِی خَالِدٍ ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ شُبَیْلٍ ، قَالَ : قَالَ عَلِیٌّ : کُنْتُ رَجُلاً مَذَّائً فَکُنْت إذَا رَأَیْتُ شَیْئًا مِنْ ذَلِکَ اغْتَسَلْت ، فَبَلَغَ ذَلِکَ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَنِی أَنْ أَتَوَضَّأَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৯৩) হযরত আলী ( রাঃ ) বলেন , মিরি খুব নোংরা বের হতো যার কারণে তিনি ঘন ঘন গোসল করতেন । বিষয়টি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌঁছলে তিনি আমাকে ওযু করার নির্দেশ দেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۴) حَدَّثَنَا عِیسَی بْنُ یُونُسَ ، عَنِ الأَوْزَاعِیِّ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِیمَا یُصِیبُ الْمَرْأَۃَ مِنْ مَائِ زَوْجِہَا تَغْسِلُہُ ، وَلاَ تَغْسِلُ إِلاَّ أَنْ یَدْخُلَ الْمَائُ فَرْجَہَا ، فَإِنْ دَخَلَ فَلْتَغْتَسِلْ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৯৪) হজরত উযায়ী বলেন , স্বামীর পানি নারীর শরীরে পড়লে তার গোসল করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۵) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الزُّبَیْرِ بْنِ عَدِیٍّ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الرَّجُلِ یُجَامِعُ امْرَأَتَہُ دُونَ فَرْجِہَا ، قَالَ : یَغْتَسِلُ وَتَغْسِلُ فَرْجَہَا ، إِلاَّ أَنْ تُنْزِلَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৯৫) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) বলেন , যদি কোন পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে গোপনাঙ্গ ব্যতীত অন্য কোন স্থানে সহবাস করে তবে পুরুষের গোসল করা উচিত এবং যদি মহিলার বীর্যপাত না হয় তবে তার কেবল গোপনাঙ্গ ধৌত করা উচিত।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۶) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ؛ فِی الرَّجُلِ یَحْتَلِمُ وَامْرَأَتُہُ إلَی جَنْبِہِ فَیُصِیبُہَا مِنْ مَائِہِ ، إِنَّہُ لَیْسَ عَلَیْہَا غُسْلٌ ، وَتَغْسِلُ حَیْثُ أَصَابَہَا ، إِلاَّ أَنْ یُصِیبَ فَرْجَہَا ، فَتَغْتَسِلَ ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৯৬) হজরত মাখুল বলেন , যদি কোনো পুরুষ তার স্ত্রীর পাশে শুয়ে বীর্যপাত করে এবং তার বীর্য নারীকে স্পর্শ করে , তবে সে নারীর ওপর গোসল ওয়াজিব হবে না , তবে বীর্য যে স্থানে লাগানো হয়েছে তাকে ধৌত করতে হবে যদি তার গোপনাঙ্গে লাগানো হয় তাহলে গোসল ওয়াজিব হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۷) حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَیْرٍ ، عَنْ زَکَرِیَّا ، عَنْ فِرَاسٍ ، قَالَ : اشْتَرَیْت جَارِیَۃً صَغِیرَۃً فَکُنْت أُصِیبُ مِنْہَا مِنْ غَیْرِ أَنْ أُخَالِطَہَا ، فَسَأَلْت الشَّعْبِیَّ ؟ فَقَالَ : أَمَّا أَنْتَ فَاغْتَسِلْ ، وَأَمَّا ہِیَ فَیَکْفِیہَا الْوُضُوئُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৯৯৭ ) হজরত ফিরাস বলেন , আমি একটি ছোট ব্যান্ড কিনেছিলাম , তার কাছ থেকে কিছু না নিয়েই তার সাথে সহবাস করতাম । হযরত শাবি রা.-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন , তুমি গোসল করে নাও , কেননা ওযু হলো । যথেষ্ট
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ؛ فِی الرَّجُلِ یُصِیبُ مِنَ الْمَرْأَۃِ فِی غَیْرِ فَرْجِہَا ، قَالَ : إِنْ ہِیَ أَنْزَلَتِ اغْتَسَلَتْ ، وَإِنْ ہِیَ لَمْ تُنْزِلْ تَوَضَّأَتْ وَغَسَلَتْ مَا أَصَابَ مِنْ جَسَدِہَا مِنْ مَائِ الرَّجُلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(৯৯৮) হযরত হাসানকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তার স্ত্রীর সাথে গোপনাঙ্গ ব্যতীত অন্য কোন স্থানে সহবাস করে , তখন তিনি বললেন , মহিলার বীর্যপাত হলে তাকে গোসল করতে হবে এবং যদি সে বীর্যপাত না করে তবে সে যেন গোসল করে অযু করবে এবং লোকটির পানি যেখানে লেগেছে সেখানে ধৌত করবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۹۹۹) حَدَّثَنَا أَبُو بَکْرِ بْنُ عَیَّاشٍ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : تَنْضَحُ فَرْجَہَا وَتَتَوَضَّأُ ، فَإِنْ کَانَ دَمًا عَبیطاً عَلَیْہَا اغْتَسَلَتْ وَاحْتَشَتْ ، فَإِنَّمَا ہِیَ رَکْضَۃٌ مِنَ الشَّیْطَانِ ، فَإِذَا فَعَلَتْ ذَلِکَ مَرَّۃً ، أَوْ مَرَّتَیْنِ ذَہَبَ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(999) হযরত আলী বলেন , সে যেন তার গোপনাঙ্গ পরিষ্কার করে ওযু করে। ঘন রক্ত হলে তাকে গোসল করতে হবে কারণ এটা শয়তানের আলামত । যখন সে অথবা এটি দুবার করুন এবং এটি চলে যাবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৯৯৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۰) حَدَّثَنَا حُمَیْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنِ الْحَارِثِ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : إذَا رَأَتِ الْمَرْأَۃُ بَعْدَ مَا تَطْہُرُ مِنَ الْحَیْضِ مِثْلَ غُسَالَۃِ اللَّحْمِ ، أَوْ قَطْرَۃِ الرُّعَافِ ، أَوْ فَوْقَ ذَلِکَ ، أَوْ دُونَ ذَلِکَ فَلْتَنْضَحْ بِالْمَائِ ، ثُمَّ لِتَتَوَضَّأْ وَلْتُصَلِّ ، وَلاَ تَغْتَسِلْ ، إِلاَّ أَنْ تَرَی دَمًا عَبیطاً ، فَإِنَّمَا ہِیَ رَکْضَۃٌ مِنَ الشَّیْطَانِ فِی الرَّحِمِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1000) হযরত আলী (রাঃ) বলেন , ঋতুস্রাব মুক্ত হওয়ার পর যদি কোন মহিলার রক্তপাত হয় । নাক্সির ফোঁটা বা তার কম বা তার বেশি কিছু থাকলে তা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ওযু করে সালাত আদায় করতে হবে । তার গোসল করা উচিত নয়, তবে ঘন রক্ত থাকলে তাকেও গোসল করতে হবে । এটি শয়তানের রহমতের একটি রূপ [ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۱) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَیَّۃَ ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، عَنْ عَمْرَۃَ ، قَالَتْ : کَانَتْ عَائِشَۃُ تَنْہَی النِّسَائَ أَنْ یَنْظُرْنَ إلَی أَنْفُسِہِنَّ فِی الْمَحِیضِ لَیْلاً ، وَتَقُولُ : إِنَّہُ قَدْ تَکُونُ الصُّفْرَۃُ وَالْکُدْرَۃُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০০১ ) হজরত ওমরা বলেন , হজরত আয়েশা ( রা . ) নারীদেরকে রাতে নিজেদের দেখতে নিষেধ করতেন এবং বলতেন তারা হলুদ ও কর্দমাক্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا بْنِ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَکَمِ وَحَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الْمَرْأَۃِ تَغْتَسِلُ ، ثُمَّ تَرَی الصُّفْرَۃَ ، قَالَ : تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1002) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যদি কোনো মহিলা ঋতুস্রাবের গোসলের পর হলুদ পানি পান করে তাহলে তাকে গোসল করে সালাত আদায় করতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۳) حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ إسْرَائِیلَ ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنِ ابْنِ الْحَنَفِیَّۃِ ، قَالَ : لَیْسَ بِشَیْئٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1003 ) হজরত ইবনে হানাফিয়া বলেন , এটা কিছুই নয়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۴) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا بْنِ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، عَنْ حَفْصَۃَ ، عَنْ أُمِّ عَطِیَّۃَ ، قَالَتْ : کُنَّا لاَ نَرَی التَّرِیَّۃَ شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
(১০০৪) হজরত উমাতিয়া (রা. ) বলেন , মাসিকের পর যে হলুদ পানি আসে তা আমরা বিশুদ্ধ মনে করতাম না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۵) حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنِ ابْنِ سِیرِینَ ، قَالَ : کَانُوا لاَ یَرَوْنَ بِالصُّفْرَۃِ وَالْکُدْرَۃِ بَأْسًا ، یَعْنِی : بَعْدَ الْغُسْلِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1005) হজরত ইবনে সীরীন বলেন , বাপ - দাদারা হলুদ ও মাটির পানি দিয়ে গোসল ফরজ করেননি ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنِ الْقَعْقَاعِ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ؛ فِی الْمَرْأَۃِ تَرَی الصُّفْرَۃَ بَعْدَ الْغُسْلِ ، قَالَ : تَوَضَّأُ وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1006) হজরত ইব্রাহিম বলেন , যে মহিলা ঋতুস্রাবের গোসলের পর হলুদ পানি পান করে , সে যেন ওযু করে নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ شَرِیکٍ ، عَنْ عَبْدِ الْکَرِیمِ ، عَنْ عَطَائٍ ؛ فِی الْمَرْأَۃِ تَرَی الصُّفْرَۃَ بَعْدَ الْغُسْلِ ، قَالَ : تَوَضَّأُ وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1007) হযরত আত্তা বলেন , যে মহিলা তার হায়েযের গোসলের পর হলুদ পানি পান করে সে যেন ওযু করে নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۸) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ رَبِیعٍ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : إذَا رَأَتْہَا بَعْدَ الْغُسْلِ ، فَإِنَّہَا تَسْتَثْفِرُ وَتَوَضَّأُ وَتُصَلِّی۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1008) হজরত হাসান বলেন , কোনো মহিলা যদি মাসিকের গোসলের পর হলুদ পানি পান করে , তাহলে সে যেন তা পরিষ্কার করে ওযু করে নামায পড়ে।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۰۹) حَدَّثَنَا عَبْد الأَعْلَی بْنُ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : لاَ تَغْتَسِلْ حَتَّی تَرَی طُہْرًا أَبْیَضَ کَالْقَصَّۃ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1009 ) হজরত মুহকুল বলেন, একজন মহিলার তার হায়েযের গোসল করা উচিত নয় যতক্ষণ না সে পেয়ালার মতো সাদা পবিত্রতা দেখতে পায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০০৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۰) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ، عَنِ ابْنِ جُرَیْجٍ ، عَنْ عَطَائٍ ، قَالَ : قُلْتُ لَہُ : الطُّہْرُ مَا ہُوَ؟ قَالَ: الأَبْیَضُ الْجُفُوفُ، الَّذِی لَیْسَ مَعَہُ صُفْرَۃٌ ، وَلاَ مَائٌ ۔ الْجُفُوفُ : الأَبْیَضُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1010) হজরত ইবনে জারিজ বলেন , আমি হযরত আতা (রা.) - কে জিজ্ঞেস করলাম তাহার কী ? এটি কুসুম বা জল ছাড়াই অত্যন্ত সাদা রাজ্য
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۱) حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَہَّابِ الثَّقَفِیُّ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ سَعِیدٍ ، قَالَ : أَرْسَلْتُ إلَی رَائطَۃَ مَوْلاَۃِ عَمْرَۃَ ، فَأَخْبَرَنِی الرَّسُولُ أَنَّہَا قَالَتْ : کَانَتْ عَمْرَۃُ تَقُولُ لِلنِّسَائِ : إذَا إحْدَاکُنَّ أَدْخَلَتِ الْکُرْسُفَۃَ فَخَرَجَتْ مُتَغَیِّرَۃً فَلاَ تُصَلِّیَنَّ حَتَّی لاَ تَرَی شَیْئًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০১১ ) হজরত ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বলেন , আমি রাইতার কাছে একজন দূত পাঠালাম এবং তিনি এসে আমাকে বললেন , ওমরা নারীদের বলতেন যে , যখন তোমাদের কেউ তার গোপনাঙ্গে এক টুকরো কাপড় ঢুকিয়ে দেখে যে তার রং বদলে গেছে । তারপর তাকে কিছু দেখানো না হওয়া পর্যন্ত তার সালাত আদায় করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۲) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَکْرٍ ، عَنْ یُونُسَ بْنِ یَزِیدَ الأَیْلِیِّ ، عَنِ الزُّہْرِیِّ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ عَمَّا یَتْبَعُ الْحَیْضَۃَ مِنَ الصُّفْرَۃِ وَالْکُدْرَۃِ ؟ قَالَ : ہُوَ مِنَ الْحَیْضَۃِ ، وَتُمْسِکُ عَنِ الصَّلاَۃِ حَتَّی تَنْقَی۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০১২ ) হজরত ইউনুস বিন ইয়াযিদ বলেন , আমি হজরত যুহরীকে ঋতুস্রাবের পর হলুদ ও ঘোলা পানি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন : সে ঋতুমতী এবং নারীর শুদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করা উচিত নয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی بْنُ عَبْدِ الأَعْلَی ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ ، عَنْ فَاطِمَۃَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ ، عَنْ أَسْمَائَ بِنْتِ أَبِی بَکْرٍ ، قَالَتْ : کُنَّا فِی حِجْرِہَا مَعَ بَنَاتِ ابْنَتِہَا فَکَانَتْ إحْدَانَا تَطْہُرُ ، ثُمَّ تُصَلِّی ، ثُمَّ تُنَکَّسُ بِالصُّفْرَۃِ الْیَسِیرَۃِ ، فَنسْأَلُہَا ؟ فَتَقُولُ : اعْتَزِلْنَ الصَّلاَۃَ مَا رَأَیْتُنَّ ذَلِکَ ، حَتَّی لاَ تَرَیْنَ إِلاَّ الْبَیَاضَ خَالِصًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০১৩) হজরত ফাতিমা বিনতে আল - মুনজার এখানে বলেন যে, আমরা হজরত আসমা বিনতে আবী বকর (রা.)- এর শিক্ষার সময় নাতি - নাতনিদের সঙ্গে ছিলাম । মাঝে মাঝে আমাদের মধ্যে কোন মেয়ে শুদ্ধ হয়ে নামায পড়তো এবং সে একটু হলুদ পানি অনুভব করতো , তাই আমরা হযরত আসমা (রাঃ) কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম । তিনি বললেন, তুমি নামায ছেড়ে দাও যতক্ষণ না তোমার শুভ্রতা নষ্ট হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۴) حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِیسَی، عَنْ مَالِکِ بْنِ أَنَسٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ أَبِی بَکْرٍ ، عَنْ عَمَّتِہِ ، عَنِ ابْنَۃِ زَیْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّہُ بَلَغَہَا أَنَّ نِسَائً کُنَّ یَدْعُونَ بِالْمَصَابِیحِ فِی جَوْفِ اللَّیْلِ یَنْظُرْنَ إلَی الطُّہْرِ ، فَکَانَتْ تَعِیبُ عَلَیْہِنَّ وَتَقُولُ : مَا کُنَّ النِّسَائُ یَصْنَعْنَ ہَذَا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1014 ) হজরত যায়েদ বিন সাবিতকে জানানো হয়েছিল যে মহিলারা রাতে নিজেদেরকে পবিত্র করার জন্য প্রদীপের জন্য ডাকছিল । তিনি এই প্রক্রিয়াটিকে ত্রুটিপূর্ণ আখ্যায়িত করে বলেন , তাদের এটা করার কোনো প্রয়োজন নেই
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ ہِشَامِ بْنِ عُرْوَۃَ ، عَنْ فَاطِمَۃَ ، عَنْ أَسْمَائَ ، قَالَتْ : سُئِلَ النَّبِیُّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنْ دَمِ الْحَیْضَۃِ یَکُونُ فِی الثَّوْبِ ؟ فَقَالَ : اقْرُصِیہِ بِالْمَائِ ، وَاغْسِلِیہِ وَصَلِّی فِیہِ۔ (بخاری ۳۰۷۔ نسائی ۲۸۵)
থেকে বর্ণিতঃ
( ১০১৫) হজরত আসমা (রাঃ) বলেন , রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে নারীর কাপড়ে মাসিকের রক্ত পড়লে তার কী করা উচিত ? তিনি বললেন , সে যেন তা পানি দিয়ে ধুয়ে নেয় , ধুলা দেয় এবং কাপড় পরে নামায পড়ে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۶) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ عَدِیِّ بْنِ دِینَارٍ ؛ أَنَّ أُمَّ حُصَیْنٍ سَأَلَتِ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، عَنْ دَمِ الْحَیْضِ یَکُونُ فِی الثَّوْبِ ؟ فَقَالَ : حُکِّیہِ بِضِلَعٍ ، وَاغْسِلِیہِ بِمَائٍ وَسِدْرٍ ، وَصَلِّی فِیہِ۔ (احمد ۳۵۵۔ ابن ماجہ ۶۲۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(1016) হজরত উদী বিন হাতেম বলেন , উম্মে হুসাইন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন , মাসিকের রক্ত কাপড়ে পড়লে কী করতে হবে ? তুমি বললে , আঁচড়াও , তারপর পানি ও বেরি দিয়ে ধুয়ে এই কাপড়ে নামাজ পড়ো ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۷) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ أُمِّہِ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَۃَ ؛ أَنَّ امْرَأَۃً سَأَلَتْہَا عَنِ الْحَائِضِ تَلْبَسُ الثَّوْبَ تُصَلِّی فِیہِ ؟ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَۃَ : إِنْ کَانَ فِیہِ دَمٌ غَسَلَتْ مَوْضِعَ الدَّمِ ، وَإِلا صَلَّتْ فِیہِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1017) জনৈক মহিলা হজরত উম্মে সালামা ( রা.)- কে জিজ্ঞেস করলেন , ঋতুস্রাবের সময় যদি তিনি কোনো পোশাক পরে থাকেন, তাহলে কি পবিত্র হওয়ার পর সে কাপড়ে নামায পড়তে পারবে ? বলুন , যদি তাদের গায়ে রক্ত লেগে থাকে, তাহলে ধুয়ে ফেল, অন্যথায় সেগুলো পড়ো না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۸) حَدَّثَنَا الثَّقَفِیُّ ، عَنْ عُبَیْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ؛ أَنَّ نِسَائَ عَبْدِ اللہِ بْنِ عُمَرَ وَأُمَّہَاتِ أَوْلاَدِہِ کُنَّ یَحِضْنَ ، فَإِذَا طَہُرْنَ لَمْ یَغْسِلْنَ ثِیَابَہُنَّ الَّتِی کُنَّ یَلْبَسْنَ فِی حَیْضَتِہِنَّ ، وَکَانَ ابْنُ عُمَرَ یَقُول : إِنْ رَأَیْتُنَّ دَمًا فَاغْسِلْنَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 1018 ) হজরত নাফি বলেন , হজরত ইবনে ওমর ( রা . ) ও তার ছেলে - মেয়েদের স্ত্রীরা ঋতুবতী হওয়ার পর কাপড় ধোয়া উচিত নয় । হজরত ইবনে উমর (রা.) তাদের বলতেন, যদি তোমরা তাদের গায়ে রক্ত ছিটিয়ে দাও , তাহলে ধুয়ে দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۱۹) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ حَجَّاجٍ ، عَنْ حَمَّادٍ ، عَنْ إبْرَاہِیمَ ، قَالَ : سَأَلْتُہُ عَنْ دَمِ الْحَیْضَۃِ یَکُونُ فِی الثَّوْبِ ؟ فَقَالَ : قَالَتْ عَائِشَۃُ : إنَّمَا یَکْفِی إحْدَاکُنَّ أَنْ تَغْسِلَہُ بِالْمَائِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1019) হজরত হাম্মাদ হজরত ইব্রাহীম (রা.)-কে তার কাপড়ে ঋতুস্রাবের রক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন , হজরত আয়েশা (রা. ) বলেছেন , নারীদের জন্য তা পানি দিয়ে ধৌত করাই যথেষ্ট
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০১৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۱۰۲۰) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَی ، عَنْ بُرْدٍ ، عَنْ مَکْحُولٍ ، قَالَ : لاَ تَغْسِلُ الْمَرْأَۃُ ثِیَابَ حَیْضَتِہَا إِنْ شَائَتْ إِلاَّ أَنْ تَرَی دَمًا فَتَغْسِلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(1020) হযরত মাখুল বলেন , কোন মহিলা তার হায়েযের সময় যে কাপড় পরিধান করে তা না ধুলে কোন ক্ষতি নেই , তবে রক্ত থাকলে তা ধুয়ে ফেলতে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ১০২০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস