
(۳۱) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی عُبَیْدَۃَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : لاَ تُقْبَلُ صَلاَۃٌ إِلاَّ بِطُہُورٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩১ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা .) থেকে বর্ণিত যে , অযু ছাড়া কোনো নামাজ কবুল হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۲) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا مُجَمِّعُ بْنُ یَحْیَی ، عَنْ خَالِدِ بْنِ زَیْدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : لاَ تُقْبَلُ صَلاَۃٌ بِغَیْرِ طُہُورٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩২ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) বলেন , অজু ছাড়া কোনো নামাজ কবুল হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۳) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی حَصِینٍ ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ الأَحْنَفِ ، قَالَ : قَالَ عُمَرُ : لاَ تُقْبَلُ صَلاَۃٌ بِغَیْرِ طُہُورٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৩ ) হজরত উমর (রা.) বলেন , অজু ছাড়া কোনো নামাজ কবুল হয় না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۴) حَدَّثَنَا عَبِیدَۃُ بْنُ حُمَیْدٍ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِکِ بْنِ عُمَیْرٍ ، عَنْ أَبِی رَوْحٍ ، قَالَ : صَلَّی رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ بِأَصْحَابِہِ ، فَقَرَأَ بِسُورَۃِ الرُّومِ ، فَتَرَدَّدَ فِیہَا ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ : إنَّمَا یُلَبِّسُ عَلَیْنَا صَلاَتَنَا قَوْمٌ یَحْضُرُونَ الصَّلاَۃَ بِغَیْرِ طُہُورٍ ، مَنْ شَہِدَ الصَّلاَۃَ فَلْیُحْسِنِ الطُّہُورَ۔ (احمد ۳/۴۷۱۔ نسائی ۱۰۱۹)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৪ ) হজরত আবু রূহ ( রা . ) বলেন , একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের ইমামতি করার সময় তাতে সূরা রূম পাঠ করলেন , যখন রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সালাত ( নামায / নামায / নামাজ ) শেষ করে তিনি বললেন , ওইসব লোকের কারণে আমরা ওযু না করে নামাজ পড়তে ভুলে যাই , যখন তোমাদের কেউ জামাতে শরীক হতে চায় , সে যেন ভালোভাবে ওযু করে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۵) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِی الْجَعْدِ ، عَنْ ثَوْبَانَ مَوْلَی رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لاَ یُحَافِظُ عَلَی الطُّہُورِ إِلاَّ مُؤْمِنٌ۔ (ابن ماجہ۲۲۷۔ احمد ۵/۲۷۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৫ ) হজরত সাওবান ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , ওযু ফরজ একমাত্র মুমিন ব্যক্তিই করতে পারে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۶) حَدَّثَنَا حُسَیْنُ بْنُ عَلِیٍّ ، عَنْ زَائِدَۃَ ، عَنْ لَیْثٍ ، عَنْ مُجَاہِدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : لَنْ یُحَافِظَ عَلَی الْوُضُوئِ إِلاَّ مُؤْمِنٌ۔ (ابن ماجہ ۲۷۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৬ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , মুমিন ব্যতীত কেউ অযু করে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۷) حَدَّثَنَا عَفَّانُ ، قَالَ : حدَّثَنَا أَبَانُ الْعَطَّارُ ، عَنْ یَحْیَی بْنِ أَبِی کَثِیرٍ ، عَنْ زَیْدِ بْنِ سَلاَّم ، عَنْ أَبِی سَلاَّمٍ ، عَنْ أبِی مَالِکٍ الأَشْعَرِیِّ ، أَنَّ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ کَانَ یَقُولُ : الطُّہُورُ شَطْرُ الإِیمَانِ۔ (احمد ۵/۳۴۲۔ بیہقی ۱/۴۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৭ ) হজরত আবু মালিক আশআরী ( রা . ) বলেন , রাসুলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , পবিত্র জীবন ঈমানের অঙ্গ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۸) حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَہْدِیٍّ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی لَیْلَی الْکِنْدِیِّ ، عَنْ حِجْرِ بْنِ عَدِیٍّ ، قَالَ : حدَّثَنَا عَلِیٌّ أَنَّ الطُّہُورَ شَطْرُ الإِیمَانِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৩৮ ) হযরত আলী বলেন , পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۳۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ شِمْرٍ ، عَنْ شَہْرِ بْنِ حَوْشَبٍ ، عَنْ أَبِی أُمَامَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : إذَا تَوَضَّأَ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ خَرَجَتْ ذُنُوبُہُ مِنْ سَمْعِہِ وَبَصَرِہِ وَیَدَیْہِ وَرِجْلَیْہِ ، فَإِنْ جَلَسَ جَلَسَ مَغْفُورًا لَہُ۔ (احمد ۵/۲۵۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৩৯) হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , “ কোন মুসলিম ব্যক্তি যখন অজু করে , তখন তার কান , চোখ , হাত ও পা থেকে তার গুনাহ দূর হয়ে যায় । আর যখন সে নামাযের জন্য বসে তখন এমন অবস্থায় বসে যে তার গুনাহ মাফ হয়ে গেছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৩৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۰) حَدَّثَنَا یَزِیدُ بْنُ ہَارُونَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرٍّ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ ، قَالَ : قُلْتُ یَا رَسُولَ اللہِ ، کَیْفَ تَعْرِفُ مَنْ لَمْ تَرَ مِنْ أُمَّتِکَ ؟ قَالَ : ہُمْ غُرٌّ مُحَجَّلُونَ ، بُلْقٌ مِنْ آثَارِ الْوُضُوئِ۔ (احمد ۱/۴۵۲)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪০) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা ) বলেন , আমি বললাম , ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আপনি আপনার উম্মতের লোকদের কিভাবে চিনবেন যাদেরকে আপনি উম্মতের দিনে খাননি ? তিনি ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , ওযু করার পর তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উজ্জ্বল ও চকচকে হবে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۱) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ ہِشَامٍ ، قَالَ : کَانَ أَبِی یَقُولُ : الْوُضُوئُ شَطْرُ الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 41) হজরত হিশাম বর্ণনা করেন যে , আমার পিতা বলতেন , নামাযের জন্য ওযু শর্ত ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۲) حَدَّثَنَا یَحْیَی بْنُ زَکَرِیَّا بْنِ أَبِی زَائِدَۃَ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ الأَشْجَعِیِّ ، عَنْ أَبِی حَازِمٍ ، عَنْ أَبِی ہُرَیْرَۃَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : تَرِدُونَ عَلَیَّ غُرًّا مُحَجَّلِینَ مِنَ الْوُضُوئِ ، سِیمَائُ أُمَّتِی لَیْسَتْ لأَحَدٍ غَیْرِہَا۔ (ابن ماجہ ۴۲۸۲۔ ابو یعلی ۶۱۸۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪২ ) হজরত আবু হুরায়রা ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন , কিয়ামতের দিন মরিয়মের উম্মতের লোকেরা তাদের সাথে আমার কাছে আসবে ওযুতে অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ উজ্জ্বল , এটাই হবে আমার উম্মতের বৈশিষ্ট্য এই গৌরব আর কেউ অর্জন করতে পারে না ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۳) حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ ، عَنْ شُعْبَۃَ ، عَنْ یَعْلَی بْنِ عَطَائٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ طَلْقٍ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَیْلَمَانِیِّ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبسَۃَ ، عَنِ النَّبِیِّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : إنَّ الْعَبْدَ إذَا تَوَضَّأَ فَغَسَلَ یَدَیْہِ ، خَرَّتْ خَطَایَاہُ مِنْ یَدَیْہِ ، وَإِذَا غَسَلَ وَجْہَہُ خَرَّتْ خَطَایَاہُ مِنْ وَجْہِہِ ، وَإِذَا غَسَلَ ذِرَاعَیْہِ وَمَسَحَ بِرَأْسِہِ خَرَّتْ خَطَایَاہُ مِنْ ذِرَاعَیْہِ وَرَأْسِہِ ، وَإِذَا غَسَلَ رِجْلَیْہِ خَرَّتْ خَطَایَاہُ مِنْ رِجْلَیْہِ۔ (ابن ماجہ ۲۸۳)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৩) হজরত আমর ইবনে আবসা ( রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা . ) বলেছেন , ‘ যে ব্যক্তি অযু করার সময় হাত ধৌত করে , তার গুনাহও মাফ হয়ে যায়। ’ হাত যা আছে তা ধৌত করার সময় । করা হয়েছে , যখন সে তার মুখ ধৌত করে তখন তার মুখের গুনাহ ধুয়ে যায় , যখন সে তার বাহু ধৌত করে এবং তার মাথা মুছে যায়, তখন তার বাহু ও মাথার গুনাহগুলি ধুয়ে যায় এবং যখন সে তার পা ধোয় তখন সমস্ত গুনাহসমূহ ধুয়ে যায় তার পায়ের দ্বারা ক্ষমা করা হয় .
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۴) حَدَّثنَاَ یَحْیَی بْنُ أَبِی بُکَیْر ، قَالَ : حدَّثَنَا زُہَیْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنْ سَعِیدِ بْنِ الْمُسَیَّبِ ، عَنْ أَبِی سَعِیدٍ ، أَنَّہُ سَمِعَ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : أَلاَ أَدُلُّکُمْ عَلَی شَیْئٍ یُکَفِّرُ اللَّہُ بِہِ الْخَطَایَا وَیَزِیدُ بِہِ فِی الْحَسَنَاتِ ؟ قَالُوا : بَلَی ، یَا رَسُولَ اللہِ ، قَالَ : إسْبَاغُ الْوُضُوئِ عِنْدَ الْمَکَارِہِ ، وَکَثْرَۃُ الْخُطَی إلَی ہَذِہِ الْمَسَاجِدِ۔ (ابن ماجہ ۴۲۷۔ ابو یعلی ۱۳۵۰)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৪ ) হজরত আবু সাঈদ আল - খুদরি ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , একবার রাসূলুল্লাহ ( সা . ) সাহাবীদের জিজ্ঞেস করলেন , ‘ আমি এমন কিছু বলবেন না , যার দ্বারা আল্লাহ পাপ ক্ষমা করেন এবং নেক আমল বৃদ্ধি করেন ৷ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন , কঠিন সময়ে সঠিকভাবে ওযু কর এবং মসজিদের দিকে বেশি করে পা বাড়াও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۵) حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرِِِ ، عَنْ أَبِی مَالِکٍ الأَشْجَعِیِّ ، عَنْ کَثِیرِ بْنِ مُدْرِکٍ ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ یَزِیدَ ، قَالَ : قَالَ عَبْدُ اللہِ : الْکَفَّارَاتُ إسْبَاغُ الْوُضُوئِ بِالسَّبَرَاتِ ، وَنَقْلُ الأَقْدَامِ إلَی الْجُمُعَاتِ ، وَانْتِظَارُ الصَّلاَۃِ بَعْدَ الصَّلاَۃِ۔
থেকে বর্ণিতঃ
( ৪৫ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রা . ) বলেন , এমন কিছু জিনিস রয়েছে যা একজন ব্যক্তির গুনাহ মাফ করে দিতে পারে , যেমন প্রচণ্ড ঠান্ডায় সম্পূর্ণ অজু করা , নামাজের জন্য হাঁটা এবং তৃতীয় নামাজের পর দ্বিতীয় নামাজের জন্য অপেক্ষা করা ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۶) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ مِسْعَرٍ ، عَنْ أَبِی صَخْرَۃَ ، قَالَ : سَمِعْتُ حُمْرَانَ یَقُولُ : کُنْتُ أَضَعُ لِعُثْمَانَ طَہُورَہُ ، فَقَالَ : حَدَّثَنَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ : مَا مِنْ رَجُلٍ یَتَوَضَّأُ فَیُحْسِنُ الْوُضُوئَ ، إِلاَّ غُفِرَ لَہُ مَا بَیْنَہُ وَبَیْنَ الصَّلاَۃِ الأُخْرَی۔ (مسلم ۱/۲۰۷)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৬) হজরত উসমান ( রা . ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , যখনই কোনো ব্যক্তি ভালোভাবে ওযু করে , তখন তার এ সালাতের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায় এবং পূর্বের নামাযগুলো মাফ হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۷) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، قَالَ : حدَّثَنَا الأَعْمَشُ ، عَنْ سَالِمٍ ، عَنْ یَزِیدَ بْنِ بِشْرٍ ، قَالَ : إنَّ اللَّہَ أَوْحَی إلَی مُوسَی أَنْ تَوَضَّہُ ، فَإِنْ لَمْ تَفْعَلْ فَأَصَابَتْک مُصِیبَۃٌ ، فَلاَ تَلُومَنَّ إِلاَّ نَفْسَک۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 47 ) হজরত ইয়াজিদ বিন বিশর বলেন , আল্লাহ তায়ালা হজরত মুসা (আ.) -কে ওযূ করার জন্য ওহী পাঠিয়েছিলেন । যদি মূর্তি তোমার কাছে আসে , তবে শুধু নিজেকে অভিশাপ দাও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۸) حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَیْمَانَ الرَّازِیّ ، عَنْ أَبِی سِنَانٍ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنِ الضَّحَّاکِ ؛ فِی قَوْلِہِ تَعَالَی : (وَقُومُوا لِلَّہِ قَانِتِینَ) ، قَالَ : مُطِیعِینَ لِلَّہِ فِی الْوُضُوئِ۔ (بقرہ آیت ۲۳۸)
থেকে বর্ণিতঃ
(48) হযরত দাহহাক আল্লাহ তায়ালার এই ফরমান { ওয়া কুমওয়া লিল্লাহ কানিত ইয়ি না }। এর ব্যাখ্যা করে অজু করার সময় আল্লাহ তায়ালার সামনে দাঁড়াও ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۴۹) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ حَکِیمٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْکَدِرِ ، عَنْ حُمْرَانَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُثْمَانَ یَقُولُ : مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوئَ وَأَسْبَغَہُ وَأَتَمَّہُ ، خَرَجَتْ خَطَایَاہُ مِنْ جَسَدِہِ حَتَّی تَخْرُجَ مِنْ تَحْتِ أَظْفَارِہِ۔ (مسلم ۱/۲۱۶)
থেকে বর্ণিতঃ
(৪৯) হজরত উসমান (রা.) বলেন , যে ব্যক্তি উত্তম আচার - অনুষ্ঠান পালন করে ওযু করে , তার নখের নিচ থেকেও তার শরীর থেকে গুনাহগুলো বের হয়ে যায় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৪৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنِ الأَعْمَشِ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ سَبْرَۃَ ، عَنْ سَلْمَانَ ، قَالَ : إذَا تَوَضَّأَ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ ، وُضِعَتْ خَطَایَاہُ عَلَی رَأْسِہِ فَتَحَاتَتْ ، کَمَا یَتَحَاتُّ عِذْقُ النَّخْلَۃِ۔ (ابن حبان ۴/۳۱۷)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫০ ) হজরত সালমান (রা. ) বলেন , কোনো মুসলিম ব্যক্তি যখন অজু করে , তখন তার গুনাহগুলো তার মাথায় চাপিয়ে দেওয়া হয় , তারপর সেখান থেকে বজ্রপাত করা হয় ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۱) حَدَّثَنَا جَرِیرٌ ، عَنْ مَنْصُورٍ ، عَنْ شَقِیقٍ ، عَنْ سَلَمَۃَ بْنِ سَبْرَۃَ ، عَنْ سَلْمَانَ مِثْلَہُ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(51) অন্য দলীলে হযরত সালমান ( রাঃ ) থেকেও একই কথা বর্ণিত হয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫১]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۲) حَدَّثَنَا قَبِیصَۃُ بْنُ عُقْبَۃَ ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَۃَ ، عَنْ عَلِیِّ بْنِ زَیْدٍ ، عَنْ أَبِی عُثْمَانَ ، قَالَ : کُنْتُ مَعَ سَلْمَانَ فَأَخَذَ غُصْنًا مِنْ شَجَرَۃٍ یَابِسَۃٍ فَحَتَّہُ ، ثُمَّ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوئَ ، تَحَاتَّتْ خَطَایَاہُ کَمَا یَتَحَاتُّ الْوَرَقُ۔ (احمد۴۳۷، جلد۵ ۔ طبرانی ۶۱۵۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( 52 ) হজরত আবু উসমান বলেন , একবার আমি হজরত সালমানের কাছে ছিলাম , তিনি একটি গাছের একটি শুকনো ডাল ধরলেন , তার পাতা ঝরে পড়ল , তারপর তিনি বললেন : আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . )- কে বলতে শুনেছি । বলেছেন , যখন কোনো ব্যক্তি ভালোভাবে ওযু করে , তখন তার গুনাহগুলো ডাল থেকে ঝরে যায়
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫২]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۳) حَدَّثَنَا عَبْدَۃُ بْنُ سُلَیْمَانَ ، عَنِ الإِفْرِیقِیِّ ، عَنْ أَبِی غُطَیْفٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ یَقُولُ : مَنْ تَوَضَّأَ عَلَی طُہْرٍ کُتِبَ لَہُ عَشْرُ حَسَنَاتٍ۔
থেকে বর্ণিতঃ
(53) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) বলেছেন , যে ব্যক্তি পবিত্র হওয়া সত্ত্বেও ওযু করে , তার জন্য এখানে দশটি লেখা রয়েছে ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৩]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۴) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ أَبِی إِسْحَاقَ ، عَنْ أَبِی حَیَّۃَ ، قَالَ : رَأَیْتُ عَلِیًّا تَوَضَّأَ فَأَنْقَی کَفَّیْہِ ، ثُمَّ غَسَلَ وَجْہَہُ ثَلاَثًا وَذِرَاعَیْہِ ثَلاَثًا ، وَمَسَحَ بِرَأْسِہِ ، ثُمَّ غَسَلَ قَدَمَیْہِ إلَی الْکَعْبَیْنِ ، ثُمَّ قَامَ فَشَرِبَ فَضْلَ وَضُوئِہِ ، ثُمَّ قَالَ : إنَّمَا أَرَدْتُ أَنْ أُرِیَکُمْ طُہُورَ رَسُولِ اللّٰہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ۔ (ابوداؤد ۱۱۷۔ ترمذی ۴۸)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৪ ) হজরত আবু হাইয়া বলেন , আমি হজরত আলী ( রা .) - কে দেখেছি যে , তিনি ওযু করার সময় প্রথমে নিজের হাত পরিষ্কার করেন , তারপর তিনবার মুখ ধুতেন , তারপর নয়বার বাহু ধুতেন, তারপর মাথা মুছতেন , তারপর গোড়ালিসহ উভয় পা ধুতেন , অতঃপর উঠে দাঁড়িয়ে অযুর অবশিষ্ট পানি পান করুন । লিয়া অতঃপর তিনি বললেন , আমি তোমাদের সকলকে রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর ওযূ করার পদ্ধতি শেখাতে চাই ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৪]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۵) حَدَّثَنَا شَرِیکٌ ، عَنْ خَالِدِ بْنِ عَلْقَمَۃَ ، عَنْ عَبْدِ خَیْرٍ ، عَنْ عَلِیٍّ ، قَالَ : تَوَضَّأَ فَمَضْمَضَ ثَلاَثًا وَاسْتَنْشَقَ ثَلاَثًا مِنْ کَفٍّ وَاحِدٍ وَغَسَلَ وَجْہَہُ ثَلاَثًا ، ثُمَّ أَدْخَلَ یَدَہُ فِی الرَّکْوَۃِ فَمَسَحَ رَأْسَہُ وَغَسَلَ رِجْلَیْہِ ، ثُمَّ قَالَ : ہَذَا وُضُوئُ نَبِیِّکُمْ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ۔ (ابن خزیمۃ ۱۴۷۔ ابن حبان ۱۰۵۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৫ ) হজরত আবদে খায়ের বলেন যে , হজরত আলী নয়বার ওযু করেছেন , অর্থাৎ তিনবার হাতের তালু দিয়ে নাক পরিষ্কার করেছেন । একবার মুখ ধুলেন , তারপর পাত্রে হাত ঢুকিয়ে মাথা মুছলেন । অতঃপর তার পা ধৌত করলেন , অতঃপর তিনি বললেনঃ ইনি আপনার নবী ( সা . ) । রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) ওযু করেছেন।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৫]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۶) حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ ، قَالَ : حدَّثَنَا سَعِیدُ بْنُ أَبِی عَرُوبَۃَ ، عَنْ قَتَادَۃَ ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ یَسَارٍ ، عَنْ حُمْرَانَ ، قَالَ : دَعَا عُثْمَانُ بِمَائٍ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ ضَحِکَ ، فَقَالَ : أَلاَ تَسْأَلُونِی مِمَّا أَضْحَکُ ؟ قَالُوا : یَا أَمِیرَ الْمُؤْمِنِینَ مَا أَضْحَکَک ؟ قَالَ : رَأَیْتُ رَسُولَ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ کَمَا تَوَضَّأْتُ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْہَہُ ثَلاَثًا وَیَدَیْہِ ثَلاَثًا ، وَمَسَحَ بِرَأْسِہِ وَظَہْرِ قَدَمَیْہِ۔ (احمد ۲۵۸، جلد۱)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৬ ) হজরত হামরান বলেন , একবার হজরত উসমান (রা.) পানি চাইলেন এবং ওযু করলেন , তারপর তিনি হাসলেন । তারপর বলল , আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না আমি কেন হাসছি ? লোকেরা জিজ্ঞেস করল , হে আমীরুল মুমিনীন , আপনি হাসছেন কেন ? তিনি বলেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) -কে সেই ব্যক্তির সাথে উযূ করতে দেখেছি যার সাথে আমি উযূ করেছি । তুমি তিনবার হাততালি দাও , তিনবার নাক মুছবে , তিনবার মুখ ধুবে , তিনবার হাত ধুবে , তারপর মাথা ও পায়ের বাইরের অংশ মুছে দেবে
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৬]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۷) حَدَّثَنَا ابْنُ عُیَیْنَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ یَحْیَی ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ زَیْدٍ ؛ أَنَّ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ فَغَسَلَ وَجْہَہُ ثَلاَثًا وَیَدَیْہِ مَرَّتَیْنِ ، وَمَسَحَ بِرَأْسِہِ وَرِجْلَیْہِ مَرَّتَیْنِ۔ (بخاری ۱۸۵۔ مسلم ۲۱۱)
থেকে বর্ণিতঃ
(57) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , রাসূলুল্লাহ ( সা . ) ওযুর সময় তার মুখমণ্ডল তিনবার , বাহু দুইবার , মাথা দুইবার ধৌত করেছেন ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৭]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۸) حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَۃَ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ مُوسَی بْنِ أَبِی عَائِشَۃَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَیْبٍ ، عَنْ أَبِیہِ ، عَنْ جَدِّہِ ؛ أَنَّ رَجُلاً سَأَلَ النَّبِیَّ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ عَنِ الْوُضُوئِ ؟ فَدَعَا بِمَائٍ فَتَوَضَّأَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا ، ثُمَّ قَالَ : ہَکَذَا الطُّہُورُ ، فَمَنْ زَادَ ، أَوْ نَقَصَ فَقَدْ تَعَدَّی ، أًوْظَلَمَ۔ (ابوداؤد ۱۳۶، جلد۲)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৮ ) হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ( রা . ) থেকে বর্ণিত যে , এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ ( সা . ) - কে অযু করার পদ্ধতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আপনি পানি ডেকে তিনবার অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ ধুয়ে ফেললেন অতঃপর তিনি বললেন , এটা তার চেয়ে কম ব্যক্তির জন্য ওযু করার পদ্ধতি । যদি সে এটা করে তবে সে জালেম ও সীমালংঘনকারী ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৮]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۵۹) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ سُفْیَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللہِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِیلٍ ، عَنِ الرُّبَیِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ بْنِ عَفْرَائَ ، قَالَتْ : أَتَانَا رَسُولُ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ فَوَضَعْنَا لَہُ الْمِیضَأَۃَ فَتَوَضَّأَ ثَلاَثًا ثَلاَثًا ، وَمَسَحَ بِرَأْسِہِ یَبْدَأَُ بِمُؤَخَّرِہِ۔ (احمد ۳۵۹، جلد۶)
থেকে বর্ণিতঃ
( ৫৯ ) হজরত রাবিআ বিনতে মুআওজ ইবনে আফরা বলেন , একবার নবী ( সাল্লাল্লাহু ‘ আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) আমাদের বাড়িতে এলেন , আমরা তাঁর জন্য ওযুর পানি রেখে দিলাম আল্লাহর রহমতে তিনবার ওযু করলেন এবং তারপর মাথা মুছলেন । তুমি পেছন থেকে মাথা মুছতে শুরু কর ।
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৫৯]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস

(۶۰) حَدَّثَنَا وَکِیعٌ ، عَنْ حَسَنِ بْنِ عُقْبَۃَ الْمُرَادِیِّ ، أَبِی کِبْرَانَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عَبْدَ خَیْرٍ الْہَمْدَانِیَّ یَقُولُ : قَالَ عَلِیٌّ : أَلاَ أُرِیکُمْ وُضُوئَ رَسُولِ اللہِ صَلَّی اللّٰہُ عَلَیْہِ وَسَلَّمَ ؟ ثُمَّ تَوَضَّأَ ثَلاَثًا ، ثَلاَثًا۔
থেকে বর্ণিতঃ
( 60 ) হজরত আবদ খায়ের বলেন , একবার হজরত আলী ( রা . ) বললেন , আমি রাসূলুল্লাহ ( সা . ) - এর ওযু দেখাব না ? তারপর তিনি তিনবার ওযু করলেন
[ইবনে আবি শাঈবাহ : ৬০]
হাদিসের মান : সহিহ হাদিস