হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
একদা একটি লোক চিৎকার করতে করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! অমুকের দাসী!” তিনি বললেন, “দুর্ভাগা! তোমার কি হয়েছে বলো।” সে বললো, “আমার অনিষ্ট হয়েছে। সে তার মালিকের দাসীর প্রতি তাকানোর কারণে, সে তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে তার লিঙ্গ কেটে দিয়েছে।” রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “লোকটিকে আমার নিকট নিয়ে আসো।” তাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি দাসত্বমুক্ত; তুমি চলে যাও।” লোকটি বললো, “হে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কে আমাকে সাহায্য করবে?” তিনি বললেন, “(তোমায় সাহায্য করা) প্রত্যেক মুসলিম বা মুমিনের দায়িত্ব।” ইমাম আবূ দাঊদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, দাসত্বমুক্ত ব্যক্তির নাম ছিলো, রাওহ ইবনু দীনার। ইমাম আবূ দাঊদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, তার লিঙ্গ কর্তনকারীর নাম ছিল যিন্বা। ইমাম আবূ দাঊদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, এই যিন্বা আবূ রাওহ ছিলো দাসটির মনিব। যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মারা গেলেন, দাসটি সায়াইদুনা সিদ্দিক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে গেলো ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কথা উল্লেখ করলো। তাই সাইয়্যিদুনা সিদ্দিক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর ভরণ-পোষণ পরিশোধ করলেন। তারপর যখন সাইয়্যিদুনা সিদ্দিক আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইন্তেকাল করলেন এবং সাইয়্যিদুনা ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু খলিফা নিযুক্ত হলেন, তখন সে আবার এসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসিয়ত উল্লেখ করলেন। সাইয়্যিদুনা ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হ্যাঁ! মনে আছে তুমি কোথায় যেতে চাও?” দাসটি মিশরের কথা উল্লেখ করলো। সাইয়্যিদুনা উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মিশরের গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখে অনুরোধ করেন যে, তাকে খাওয়া-দাওয়ার জন্যে পর্যাপ্ত জমি দেওয়া হোক।