হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
ইহুদীরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলতো, “সাম আলাইকুম”, তারপর তারা নিজেদের মধ্যে বলতো, “আমরা যা বলি, তার জন্যে আল্লাহ আমাদের কেনো শাস্তি দেন না?” তাঁর উপর এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়,
أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِينَ نُهُواْ عَنِ ٱلنَّجۡوَىٰ ثُمَّ يَعُودُونَ لِمَا نُهُواْ عَنۡهُ وَيَتَنَٰجَوۡنَ بِٱلۡإِثۡمِ وَٱلۡعُدۡوَٰنِ وَمَعۡصِيَتِ ٱلرَّسُولِۖ وَإِذَا جَآءُوكَ حَيَّوۡكَ بِمَا لَمۡ يُحَيِّكَ بِهِ ٱللَّهُ وَيَقُولُونَ فِيٓ أَنفُسِهِمۡ لَوۡلَا يُعَذِّبُنَا ٱللَّهُ بِمَا نَقُولُۚ حَسۡبُهُمۡ جَهَنَّمُ يَصۡلَوۡنَهَاۖ فَبِئۡسَ ٱلۡمَصِيرُ٨আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যাদেরকে গোপন পরামর্শ করা থেকে নিষেধ করা হয়েছিলো? তারপর তারা সেই দিকেই ফিরে গিয়েছিলো, যা থেকে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিলো। তারা পাপ, শত্রুতা ও রসূলের অবাধ্যতা করার জন্যে গোপন পরামর্শ করে। যখন তারা আপনার কাছে আসে, তখন তারা আপনাকে এমন ভাবে সম্ভাষণ করে, যেভাবে আল্লাহ আপনাকে সম্ভাষণ করেননি। তারা তাদের নিজেদের মধ্যে বলাবলি করে, “আমরা যা বলি, ঐ কারণে আল্লাহ আমাদেরকে শাস্তি দেন না কেনো?” দোযখই তাদের জন্যে যথেষ্ট। তারা তাতে প্রবেশ করবে। সুতরাং দোযখ কতই না নিকৃষ্ট ঠিকানা। (৫৮. আল মুজাদালাহ : ৮)