Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩৪৭২

Edit
حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنِ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَمْنَعَنَّ أَحَدَكُمْ أَذَانُ بِلَالٍ عَنْ سَحُورِهِ فَإِنَّهُ يُؤَذِّنُ أَوْ قَالَ يُنَادِي لِيَرْجِعَ قَائِمُكُمْ وَيَنْتَبِهَ نَائِمُكُمْ لَيْسَ أَنْ يَقُولَ هَكَذَا وَضَمَّ يَدَهُ وَرَفَعَهَا وَلَكِنْ حَتَّى يَقُولَ هَكَذَا وَفَرَّقَ يَحْيَى بَيْنَ السَّبَّابَتَيْنِ قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ هَذَا الْحَدِيثُ لَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ أَحَدٍ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “বিলালের আযান যেনো তোমাদের কাউকে তার সাহরী খাওয়া থেকে বিরত না রাখে। কেনোনা সে তোমাদের ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগাবার বা সতর্ক করার জন্যে এবং তোমাদের সলাতীকে সলাতে রত বা অবসর হওয়ার জন্যে আযান দিয়ে থাকে। আর এ সময়কে ফজর বলা হয় না, বরং উর্ধাকাশে আড়াআড়ি ভাবে সাদা আভা প্রকাশ পাওয়াই ফজর।”


সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ৬টি


(১)

হাদিস নং ৩৪৭২ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩৫৩৩) Edit

(২)

হাদিস নং ৩৪৭২ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩৯৩৩) Edit

(৩)

হাদিস নং ৩৪৭২ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ১১৯৭৮) Edit

(৪)

হাদিস নং ৩৪৭২ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ১৯২৯৪) Edit

(৫)

হাদিস নং ৩৪৭২ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ১৯৩০৩) Edit

(৬)

হাদিস নং ৩৪৭২ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ১৯৩৪২) Edit