হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আগামীকাল কিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেনো ঐ সালাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সালাতের জন্যে আযান দেওয়া হয়। কেননা, আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবীর জন্যে হিদায়াতের পন্থা বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সালাতও হিদায়াতের পন্থা, যেমন জনৈক ব্যক্তি সালাতের জামাআতে উপস্থিত না হয়ে, বাড়ীতে সালাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সালাত আদায় করো, তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নবীর সুন্নাত বা পন্থা পরিত্যাগ করলে। আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নবীর সুন্নাত বা পন্থা পরিত্যাগ করো, তাহলে অবশ্যই তোমরা পথ হারিয়ে ফেলবে। কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সালাত আদায় করার জন্যে) কোনো একটি মসজিদে উপস্থিত হয়, তাহলে মসজিদে যেতে, সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে, তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তাআলা তার জন্যে একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন।” হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এজন্যে আমরা নামাযের জন্যে মসজিদে যাবার সময় ছোট ছোট পদক্ষেপ নিতাম এবং জামাতের সাথে নামাজ পড়ার ফজিলত, একা নামাজ পড়ার চেয়ে পঁচিশ গুন বেশি। আমরা মনে করি যার মুনাফিক্বী সর্বজন বিদিত এমন মুনাফিক্ব ছাড়া কেউই জামাআতে সালাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যামানায় এমন ব্যক্তি জামাআতে উপস্থিত হতো, যাকে দুইজন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে, সালাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হতো।”