Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩৪৪০

Edit
حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُسْلِمٍ الْهَجَرِيُّ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَلْقَى اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ غَدًا مُسْلِمًا فَلْيُحَافِظْ عَلَى هَؤُلَاءِ الصَّلَوَاتِ الْمَكْتُوبَاتِ حَيْثُ يُنَادَى بِهِنَّ فَإِنَّهُنَّ مِنْ سُنَنِ الْهُدَى وَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ شَرَعَ لِنَبِيِّكُمْ سُنَنَ الْهُدَى وَمَا مِنْكُمْ إِلَّا وَلَهُ مَسْجِدٌ فِي بَيْتِهِ وَلَوْ صَلَّيْتُمْ فِي بُيُوتِكُمْ كَمَا يُصَلِّي هَذَا الْمُتَخَلِّفُ فِي بَيْتِهِ لَتَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ وَلَوْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ لَضَلَلْتُمْ وَلَقَدْ رَأَيْتُنِي وَمَا يَتَخَلَّفُ عَنْهَا إِلَّا مُنَافِقٌ مَعْلُومٌ نِفَاقُهُ وَلَقَدْ رَأَيْتُ الرَّجُلَ يُهَادَى بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ حَتَّى يُقَامَ فِي الصَّفِّ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ رَجُلٍ يَتَوَضَّأُ فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ ثُمَّ يَأْتِي مَسْجِدًا مِنْ الْمَسَاجِدِ فَيَخْطُو خُطْوَةً إِلَّا رُفِعَ بِهَا دَرَجَةً أَوْ حُطَّ عَنْهُ بِهَا خَطِيئَةٌ أَوْ كُتِبَتْ لَهُ بِهَا حَسَنَةٌ حَتَّى إِنْ كُنَّا لَنُقَارِبُ بَيْنَ الْخُطَى وَإِنَّ فَضْلَ صَلَاةِ الرَّجُلِ فِي جَمَاعَةٍ عَلَى صَلَاتِهِ وَحْدَهُ بِخَمْسٍ وَعِشْرِينَ دَرَجَةً

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আগামীকাল কিয়ামাতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেনো ঐ সালাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সালাতের জন্যে আযান দেওয়া হয়। কেননা, আল্লাহ তাআলা তোমাদের নবীর জন্যে হিদায়াতের পন্থা বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সালাতও হিদায়াতের পন্থা, যেমন জনৈক ব্যক্তি সালাতের জামাআতে উপস্থিত না হয়ে, বাড়ীতে সালাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সালাত আদায় করো, তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নবীর সুন্নাত বা পন্থা পরিত্যাগ করলে। আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নবীর সুন্নাত বা পন্থা পরিত্যাগ করো, তাহলে অবশ্যই তোমরা পথ হারিয়ে ফেলবে। কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সালাত আদায় করার জন্যে) কোনো একটি মসজিদে উপস্থিত হয়, তাহলে মসজিদে যেতে, সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে, তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তাআলা তার জন্যে একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন।” হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “এজন্যে আমরা নামাযের জন্যে মসজিদে যাবার সময় ছোট ছোট পদক্ষেপ নিতাম এবং জামাতের সাথে নামাজ পড়ার ফজিলত, একা নামাজ পড়ার চেয়ে পঁচিশ গুন বেশি। আমরা মনে করি যার মুনাফিক্বী সর্বজন বিদিত এমন মুনাফিক্ব ছাড়া কেউই জামাআতে সালাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যামানায় এমন ব্যক্তি জামাআতে উপস্থিত হতো, যাকে দুইজন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে, সালাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হতো।”


সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ২টি


(১)

হাদিস নং ৩৪৪০ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩৭৪০) Edit

(২)

হাদিস নং ৩৪৪০ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৪১২৫) Edit