হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ
আল-আজলানীর স্ত্রী গর্ভবতী ছিলো। আল-আজলানী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললো, “হে আল্লাহর রসূল, আল্লাহর কসম! খেজুর গাছে পানি দেওয়ার পর থেকে আমি আমার স্ত্রীর কাছে আসিনি। আর আমি আমার স্ত্রীর সাথে একজন লোককে পেলাম।” খেজুর গাছকে পানি দেওয়া মানে যখন সেগুলো পরাগায়ন করা হয় এবং চল্লিশ দিন রেখে দেওয়া হয় এবং পরাগায়নের পর পানি দেওয়া হয়নি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “হে আল্লাহ আমাদেরকে পথ দেখাও।” এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আল-আজলানী ও তার স্ত্রীকে লিয়ানে লিপ্ত হওয়ার নির্দেশ দিলেন। আল-আজলানীর পাতলা পা ও বাহু এবং লালচে চুল ছিলো এবং যার বিরুদ্ধে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিলো, সে ছিলো ইবনে আস-সাহমা। আল-আজলানীর স্ত্রী কালো চামড়া, উচু কপাল, কোঁকড়া চুল এবং নিটোল বাহু বিশিষ্ট একটি ছেলের জন্ম দিয়েছিলো। ইবনে শাদ্দাদ ইবনে আল-হাদ, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, “তিনি কি সেই মহিলা ছিলেন, যার সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমি যদি প্রমাণ ছাড়া কাউকে পাথর মারতাম, তবে আমি তাকে পাথর মেরে ফেলতাম’?” হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “না। সে অন্য একজন মহিলা ছিলো, যে ইসলামের সময় অনৈতিকতার জন্যে পরিচিত ছিলো।”