Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ১৯০৪

Edit
حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ يَعْنِي الْأَعْمَشَ عَنْ يَحْيَى بْنِ عُمَارَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَرِضَ أَبُو طَالِبٍ فَأَتَتْهُ قُرَيْشٌ وَأَتَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُهُ وَعِنْدَ رَأْسِهِ مَقْعَدُ رَجُلٍ فَقَامَ أَبُو جَهْلٍ فَقَعَدَ فِيهِ فَقَالُوا إِنَّ ابْنَ أَخِيكَ يَقَعُ فِي آلِهَتِنَا قَالَ مَا شَأْنُ قَوْمِكَ يَشْكُونَكَ قَالَ يَا عَمِّ أُرِيدُهُمْ عَلَى كَلِمَةٍ وَاحِدَةٍ تَدِينُ لَهُمْ بِهَا الْعَرَبُ وَتُؤَدِّي الْعَجَمُ إِلَيْهِمْ الْجِزْيَةَ قَالَ مَا هِيَ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَامُوا فَقَالُوا أَجَعَلَ الْآلِهَةَ إِلَهًا وَاحِدًا قَالَ وَنَزَلَ ص وَالْقُرْآنِ ذِي الذِّكْرِ فَقَرَأَ حَتَّى بَلَغَ إِنَّ هَذَا لَشَيْءٌ عُجَابٌ و حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ فَذَكَرَ نَحْوَهُ و قَالَ أَبِي قَالَ الْأَشْجَعِيُّ يَحْيَى بْنُ عَبَّادٍ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার আবু তালিব অসুস্থ হয়ে পড়লে কুরাইশের কিছু লোক তাঁকে দেখতে আসেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও তাঁকে দেখতে আসেন। আবু তালিবের মাথার কাছে একজন ব্যক্তি বসার মতো জায়গা ফাঁকা ছিলো, তাই সেখানে আবু জেহেল এসে বসলো। কুরাইশের লোকেরা আবু তালিবকে বললো, তোমার ভাইয়ের ছেলে আমাদের দেবতাদের সমালোচনা করছে। আবু তালিব বললেন, তোমার লোকেরা তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে কেনো? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “চাচা! আমি তাদেরকে এমন একটি বাক্যের দিকে আনতে চাই, যার কারণে সমগ্র আরব তাদের আনুগত্য করবে এবং সমগ্র বিশ্বের অনারবরা তাদেরকে জিযিয়া প্রদান করবে।” আবু তালিব জিজ্ঞেস করলেন, সেটি কোন বাক্য? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই।” একথা শুনে কুরাইশের লোকেরা উঠে দাঁড়ালো এবং বললো, সে কি সব উপাস্যকে এক ইলাহ বানাতে চায়। তখন এই আয়াতটি নাযিল হলো,

أَجَعَلَ ٱلۡأٓلِهَةَ إِلَٰهٗا وَٰحِدًاۖ إِنَّ هَٰذَا لَشَيۡءٌ عُجَابٞ٥
সে কি বহু উপাস্যের পরিবর্তে এক উপাস্যের উপাসনা স্থির করেছে। নিশ্চয় এ তো এক আশ্চর্যজনক ব্যাপার।” [৩৮ : ৫]
وَٱنطَلَقَ ٱلۡمَلَأُ مِنۡهُمۡ أَنِ ٱمۡشُواْ وَٱصۡبِرُواْ عَلَىٰٓ ءَالِهَتِكُمۡۖ إِنَّ هَٰذَا لَشَيۡءٞ يُرَادُ٦
তাদের মধ্যে প্রধান ব্যক্তিরা একথা বলে সরে পড়ে যে, “তোমরা চলে যাও এবং তোমাদের উপাস্যদের প্রতি পূজায় দৃঢ় থাকো। নিশ্চয় এ কুরআন হচ্ছে এমন এক ব্যাপার, যা কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য মূলক। (৩৮. ছোয়াদ : ৬)
مَا سَمِعۡنَا بِهَٰذَا فِي ٱلۡمِلَّةِ ٱلۡأٓخِرَةِ إِنۡ هَٰذَآ إِلَّا ٱخۡتِلَٰقٌ٧
আমরা পূর্বর্তী ধর্মের মধ্যে এ ধরনের কথা শুনিনি। এ কুরআন মনগড়া বাণী ব্যতীত অন্য কিছুই নয়। (৩৮. ছোয়াদ : ৭)
أَءُنزِلَ عَلَيۡهِ ٱلذِّكۡرُ مِنۢ بَيۡنِنَاۚ بَلۡ هُمۡ فِي شَكّٖ مِّن ذِكۡرِيۚ بَل لَّمَّا يَذُوقُواْ عَذَابِ٨
আমাদের মধ্যে কি কেবল মাত্র তাঁর প্রতিই উপদেশ বাণী অবতীর্ণ হলো?” বরং তারা আমার উপদেশ সম্পর্কে সন্দেহের মধ্যে রয়েছে। বরং তারা এখনো আমার শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করেনি। (৩৮. ছোয়াদ : ৮)


সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ১টি


(১)

হাদিস নং ১৯০৪ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩২৪৪) Edit