Loading...


৩১. মুসনাদে আহমাদ : ১৮৪০

Edit
حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمَّارٍ عَنْ سَالِمٍ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ رَجُلٍ قَتَلَ مُؤْمِنًا ثُمَّ تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا ثُمَّ اهْتَدَى قَالَ وَيْحَكَ وَأَنَّى لَهُ الْهُدَى سَمِعْتُ نَبِيَّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَجِيءُ الْمَقْتُولُ مُتَعَلِّقًا بِالْقَاتِلِ يَقُولُ يَا رَبِّ سَلْ هَذَا فِيمَ قَتَلَنِي وَاللَّهِ لَقَدْ أَنْزَلَهَا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا نَسَخَهَا بَعْدَ إِذْ أَنْزَلَهَا قَالَ وَيْحَكَ وَأَنَّى لَهُ الْهُدَى

হজরত সেলিম রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ

একবার হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে এমন এক ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো, যে ব্যক্তি একজন মুসলমানকে হত্যা করে, তারপর তাওবা করে এবং ঈমান গ্রহণ করে, সৎকাজ করে এবং সঠিক পথে চলে। তিনি বললেন, তোমার প্রতি আফসোস! সে কিভাবে সত্য পথের অনুসরণ করতে পারে? আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, “মৃত ব্যক্তিকে এমন অবস্থায় আনা হবে যে, সে তার হত্যাকারীকে আঁকড়ে ধরে বলবে, হে আমার প্রভু! তাকে জিজ্ঞাসা করুন, কি অপরাধে সে আমাকে হত্যা করেছে?” আল্লাহর কসম, আল্লাহ এই আয়াত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর নাযিল করেছেন এবং তিনি নাযিল করার পর এই আয়াত রহিত করেননি। তোমার প্রতি আফসোস! সে কিভাবে সঠিক পথের অনুসরণ করবে?
وَمَن يَقۡتُلۡ مُؤۡمِنٗا مُّتَعَمِّدٗا فَجَزَآؤُهُۥ جَهَنَّمُ خَٰلِدٗا فِيهَا وَغَضِبَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِ وَلَعَنَهُۥ وَأَعَدَّ لَهُۥ عَذَابًا عَظِيمٗا٩٣
যে কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে একজন বিশ্বাসীকে হত্যা করে, তবে তার প্রতিদান হচ্ছে দোযখ। এ দোযখের মধ্যে সে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তার উপরে ক্রুদ্ধ হবেন ও তাকে অভিশাপ করবেন এবং তার জন্যে ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত করবেন। [৪ : ৯৩]

ফায়দা: এটি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর অভিমত, জাহমুরের উম্মত একমত যে, খুনি যদি তাওবা করার পর ঈমান ও সৎকাজ দ্বারা সুশোভিত হয়, তাহলে তার তওবা কবুল হয়। বান্দার হক আদায় বা শাস্তির পরেও কালেমার বরকতে সে কোন না কোন সময় জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাবে।


সর্বমোট হাদিস পাওয়া গিয়েছেঃ ৩টি


(১)

হাদিস নং ১৮৪০ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ২০৩৫) Edit

(২)

হাদিস নং ১৮৪০ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ২৫৫১) Edit

(৩)

হাদিস নং ১৮৪০ দেখুন
(৩১. মুসনাদে আহমাদ : ৩২৬৭) Edit