(৪৯) এবং (সেই সময়কেও স্মরণ কর), যখন আমি তোমাদেরকে ফির‘আউনের লোকজন থেকে মুক্তি দেই, যারা তোমাদেরকে কঠিন শাস্তি দিচ্ছিল। তোমাদের পুত্রদেরকে যবাহ করে ফেলছিল এবং তোমাদের নারীদেরকে জীবিত রাখছিল। ৪৪ আর এই যাবতীয় পরিস্থিতিতে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে তোমাদের জন্য ছিল মহা পরীক্ষা।
(৫০) এবং (স্মরণ কর) যখন আমি তোমাদের জন্য সাগরকে বিদীর্ণ করেছিলাম এবং এভাবে তোমাদের সকলকে রক্ষা করেছিলাম এবং ফির‘আউনের লোকজনকে (সাগরে) নিমজ্জিত করেছিলাম। ৪৫ আর তোমরা এসব দৃশ্য প্রত্যক্ষ করছিলে।
(৫৪) এবং যখন মূসা নিজ সম্প্রদায়কে বলেছিল, হে আমার সম্প্রদায়! বাছুরকে উপাস্য বানিয়ে প্রকৃতপক্ষে তোমরা নিজেরা নিজেদের প্রতিই জুলুম করেছ। সুতরাং এখন নিজ সৃষ্টিকর্তার কাছে তওবা কর এবং নিজেরা নিজেদেরকে হত্যা কর। ৪৭ এটাই তোমাদের সৃষ্টিকর্তার নিকট তোমাদের পক্ষে শ্রেয়। এভাবে আল্লাহ তাআলা তোমাদের তওবা কবুল করলেন। নিশ্চয় তিনিই অতি বড় ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
(৫৫) আর যখন তোমরা বলেছিলে, হে মূসা! আমরা কিছুতেই তোমাকে বিশ্বাস করব না, যতক্ষণ না আল্লাহকে নিজেদের চোখে প্রকাশ্যে দেখতে পাব। এর পরিণামে বজ্র এসে তোমাদেরকে এমনভাবে পাকড়াও করল যে, তোমরা কেবল তাকিয়েই থাকলে।
(৫৭) এবং আমি তোমাদেরকে মেঘের ছায়া দিলাম এবং তোমাদের প্রতি মান্ন্ ও সালওয়া অবতীর্ণ করলাম (ও বললাম), যে পবিত্র রিযক আমি তোমাদেরকে দান করলাম, তা (আগ্রহভরে) খাও। ৪৯ আর তারা (এসব নাফরমানী করে) আমার কিছু ক্ষতি করেনি; বরং তারা নিজেদের সত্তার উপরই জুলুম করতে থাকে।