(২৫) যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদেরকে সুসংবাদ দিন যে, তাদের জন্য এমন সব বাগান (প্রস্তুত) রয়েছে, যার নিচে নহর প্রবাহিত থাকবে। ২২ যখনই তাদেরকে তা থেকে রিযক হিসেবে কোনও ফল দেওয়া হবে, তারা বলবে, এটা তো সেটাই, যা আমাদেরকে আগেও দেওয়া হয়েছিল। তাদেরকে এমন রিযকই দেওয়া হবে, যা দেখতে একই রকমের হবে। ২৩ তাদের জন্য সেখানে থাকবে পুতঃপবিত্র স্ত্রী এবং তারা তাতে অনন্তকাল থাকবে।
(২৬) নিশ্চয়ই আল্লাহ (কোনও বিষয়কে স্পষ্ট করার জন্য) কোনও রকমের উদাহরণ দিতে লজ্জাবোধ করেন না, তা মশা (এর মত তুচ্ছ জিনিস) হোক বা তারও উপরে (অধিকতর তুচ্ছ) হোক। ২৪ তবে যারা মুমিন তারা জানে, এ উদাহরণ সত্য, যা তাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে আগত। কিন্তু যারা কাফির তারা বলে, এই (তুচ্ছ) উদাহরণ দ্বারা আল্লাহর উদ্দেশ্য কী? (এভাবে) আল্লাহ এ উদাহরণ দ্বারা বহু মানুষকে গোমরাহীতে লিপ্ত করেন এবং বহুজনকে হিদায়াত দান করেন। আর তিনি গোমরাহ করেন কেবল তাদেরকেই, যারা নাফরমান। ২৫
(২৭) সেই সকল লোক, যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতিকে পরিপক্ক করার পরও ভেঙ্গে ফেলে ২৬ এবং আল্লাহ যেই সম্পর্ককে যুক্ত রাখতে আদেশ করেছেন তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি বিস্তার করে। ২৭ বস্তুত এমন সব লোকই অতি ক্ষতিগ্রস্ত।
(২৮) তোমরা আল্লাহর সাথে কুফরী কর্মপন্থা কিভাবে অবলম্বন কর, অথচ তোমরা ছিলে নিষ্প্রাণ, অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে জীবন দান করেছেন। অতঃপর তিনিই তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর তিনি (পুনরায়) তোমাদেরকে জীবিত করবেন, তারপর তোমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাবে।
(২৯) তিনিই সেই সত্তা, যিনি পৃথিবীতে যা-কিছু আছে তা তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন। ২৮ তারপর তিনি আকাশের প্রতি লক্ষ্য করেন এবং তাকে সাত আকাশরূপে সুষ্ঠুভাবে নির্মাণ করেন। আর তিনি প্রত্যেক জিনিসের পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখেন।