(৮৯) যখন তাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ হতে এমন কিতাব (অর্থাৎ কুরআন) আসল, যা তাদের কাছে (পূর্ব থেকে) যা আছে, তার (অর্থাৎ তাওরাতের) সমর্থন করে (তখন তাদের আচরণ লক্ষ্য করে দেখ), যদিও পূর্বে এরা কাফিরদের (অর্থাৎ পৌত্তলিকদের) বিরুদ্ধে (এ কিতাবের মাধ্যমে) আল্লাহর কাছে বিজয় প্রার্থনা করত, ৬৭ কিন্তু যখন সেই জিনিস আসল, যাকে তারা চিনতে পেরেছিল, তখন তাকে অস্বীকার করে বসল। সুতরাং এমন কাফিরদের প্রতি আল্লাহর লানত।
(৯০) কতই না নিকৃষ্ট সে মূল্য, যার বিনিময়ে তারা নিজেদের আত্মাকে বিক্রি করেছে। তা এই যে, তারা আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবকে কেবল এই অন্তর্জ্বালার কারণে অস্বীকার করছে যে, আল্লাহ নিজ অনুগ্রহের কোনও অংশ (অর্থাৎ ওহী) নিজ বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা কেন নাযিল করবেন? সুতরাং তারা (তাদের এ অন্তর্দাহের কারণে) গযবের উপর গযব নিয়ে ফিরল। ৬৮ বস্তুত কাফিরগণ লাঞ্ছনাকর শাস্তিরই উপযুক্ত।
(৯১) যখন তাদেরকে বলা হয়, আল্লাহ যে কালাম নাযিল করেছেন তার প্রতি ঈমান আন, তখন তারা বলে, আমরা তো (কেবল) সেই কালামের উপরই ঈমান রাখব, যা আমাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে (অর্থাৎ তাওরাত)। আর এছাড়া (অন্যান্য যত আসমানী কিতাব আছে, সে) সব কিছুকে তারা অস্বীকার করে। অথচ তাও সত্য এবং তা তাদের কাছে যে কিতাব আছে, তার সমর্থনও করে। (হে নবী) তুমি তাদের বলে দাও, তোমরা যদি বাস্তবিকই (তাওরাতের উপর) ঈমান রাখতে তবে পূর্বে আল্লাহর নবীগণকে হত্যা করছিলে কেন?
(৯৩) এবং (সেই সময়ের কথা স্মরণ কর) যখন আমি তোমাদের থেকে প্রতিশ্রুতি নিলাম এবং তোমাদের উপর তূর (পাহাড়)কে উত্তোলন করলাম (এবং বললাম) আমি তোমাদেরকে যা-কিছু দিয়েছি তা শক্ত করে ধর। এবং (যা-কিছু বলা হয়, তা) শোন। ৬৯ তারা (মুখে) বলল, শুনলাম এবং (অন্তরে বলল), অমান্য করলাম। (প্রকৃতপক্ষে) তাদের কুফরের অশুভ পরিণামে তাদের অন্তরে বাছুর জেঁকে বসেছিল। আপনি (তাদেরকে) বলে দিন, তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাক, তবে তোমাদের ঈমান তোমাদেরকে যে বিষয়ের নির্দেশ দেয় তা কতই না মন্দ!